মনোহরদী প্রতিবেদক :
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বালুয়াকান্দি খলাপাড়া বাজার সংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ৭.৬২ চায়না রাইফেল ও একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান উদ্ধার করেছে। দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান চলছিল জেলখানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের খোঁজে। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, উদ্ধার হওয়া চায়না রাইফেলটি নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রেরই একটি।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত ছিল এবং কারা এগুলো ব্যবহার করত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র পাওয়ার খবরের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয় এবং জঙ্গলের ভেতর থেকে এগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে সরকার এর আগে পুরস্কার ঘোষণা করে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, বিশেষ করে চায়না রাইফেল সম্পর্কিত তথ্য দিলে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে এবং তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
স্থানীয়দের ধারণা, লুট হওয়া অস্ত্রগুলো দীর্ঘদিন অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল, যা জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছিল। উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি এলেও মূল অপরাধীরা এখনও ধরা না পড়ায় উদ্বেগ রয়ে গেছে। অনেকেই মনে করছেন, জেলখানা থেকে অস্ত্র লুট হওয়ার ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বড় ধরনের দুর্বলতা প্রকাশ করে।
অস্ত্র উদ্ধার হলেও রহস্য থেকে যাচ্ছে— এতদিন কোথায় ছিল এই অস্ত্রগুলো, কারা এর নিয়ন্ত্রণে ছিল, আর কীভাবে এগুলো বাইরে ব্যবহৃত হচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে অস্ত্র লুট ও অবৈধ ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত চক্রকে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে।
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বালুয়াকান্দি খলাপাড়া বাজার সংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি ৭.৬২ চায়না রাইফেল ও একটি দেশীয় তৈরি পাইপগান উদ্ধার করেছে। দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান চলছিল জেলখানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের খোঁজে। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, উদ্ধার হওয়া চায়না রাইফেলটি নরসিংদী জেলা কারাগার থেকে লুট হওয়া অস্ত্রেরই একটি।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল কায়েস আকন্দ বলেন, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর সঙ্গে কারা জড়িত ছিল এবং কারা এগুলো ব্যবহার করত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র পাওয়ার খবরের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয় এবং জঙ্গলের ভেতর থেকে এগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে সরকার এর আগে পুরস্কার ঘোষণা করে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, বিশেষ করে চায়না রাইফেল সম্পর্কিত তথ্য দিলে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে এবং তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
স্থানীয়দের ধারণা, লুট হওয়া অস্ত্রগুলো দীর্ঘদিন অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল, যা জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছিল। উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি এলেও মূল অপরাধীরা এখনও ধরা না পড়ায় উদ্বেগ রয়ে গেছে। অনেকেই মনে করছেন, জেলখানা থেকে অস্ত্র লুট হওয়ার ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বড় ধরনের দুর্বলতা প্রকাশ করে।
অস্ত্র উদ্ধার হলেও রহস্য থেকে যাচ্ছে— এতদিন কোথায় ছিল এই অস্ত্রগুলো, কারা এর নিয়ন্ত্রণে ছিল, আর কীভাবে এগুলো বাইরে ব্যবহৃত হচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের মাধ্যমে অস্ত্র লুট ও অবৈধ ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত চক্রকে শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে।