নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য তিন মাস সময় দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিজ্ঞপ্তির আলোকে আবেদনের সময় শেষ হবে ২৯ আগস্ট। এখন পর্যন্ত নিবন্ধন পেতে নতুন দলের সাড়া পাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) পর্যন্ত দুটি দলের আবেদন জমা হয়েছে নিবন্ধন শাখায়। দল দুটি হচ্ছে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি ও মুক্তিযোদ্ধা লীগ।
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন আইন করে দল নিবন্ধনের পদ্ধতি চালু করে। এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নামসর্বস্ব ও ভুঁইফোড় দল নির্বাচনে অংশ নিয়ে হুলস্থুল পরিস্থিতি তৈরি করত। নিবন্ধনপ্রথা চালুর পর ইসির নিবন্ধন পেতে ১১৭টি দল আবেদন করলেও সব শর্ত পূরণ করে ৩৯টি দল নিবন্ধন পেয়েছিল। ওই সময়ের পর আরো কিছু দল নিবন্ধিত হলেও সে সংখ্যা আধাডজনের কম। সর্বশেষ নিবন্ধিত দল বাংলাদেশ কংগ্রেস। সবমিলিয়ে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৪৪টি হয়। তবে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত ও বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার আসামির নেতৃত্বাধীন দলসহ ৫টি দলের নিবন্ধন বাতিল বা স্থগিত হয়। দলগুলো হচ্ছে ফ্রিডম পার্টি; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন; জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি (পিডিপি)। বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৩৯টি।
ইসির নিবন্ধন শাখার তথ্য মতে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দল নিবন্ধনের আবেদনকারীর সংখ্যা কমতে থাকে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, এর একটিই কারণ নিবন্ধনের শর্ত জটিল করা, নিবন্ধনের পর দলগুলোকে জবাবদিহির জায়গায় নিয়ে এবং শর্ত পূরণ করে নিবন্ধনের যোগ্যতা অর্জনে অক্ষমতা অন্যতম। কারণ, নিবন্ধনের পর প্রতি আর্থিক বছরের হিসাব অডিট ফার্ম দিয়ে বাছাই করে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব ৩১ জুলাই তারিখের মধ্যে ইসিতে জমা দেওয়া এবং সময়ে সময়ে দলের শর্ত পূরণ করা দলীয় অফিস-কার্যালয় আছে কি না তা কমিশন থেকে যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্তে গিয়ে ইসির কর্মকর্তারা অনেক দলের কার্যালয় খুঁজে পায় না। এ নিয়ে দলগুলোকে ইসিকে চিঠি দিয়ে জবাব চাওয়া হয়। আবার কমিশন থেকে আর্থিক কোনো সুবিধা না পাওয়া এবং উল্টো জবাবদিহির মুখোমুখি হওয়া। এসব ঝামেলা এড়াতে অনেক দল আবেদন করা ছেড়েই দিয়েছে বলা যায়। তবে বিশেষ গোষ্ঠী বা পক্ষের সমর্থন নিয়ে সময়ে সময়ে কিছু দল নিবন্ধন পেতে দৌড়ঝাঁপ করে। এ ছাড়া দেশের রাজনীতি আওয়ামী লীগ-বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বেশ কটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়াও নতুন দল আত্মপ্রকাশে অনীহা বলেও জানা গেছে।
ইসি সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর নিবন্ধনের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কমিশন। সে বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন দল ইসিতে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ পায়। তখন ৭৬টি দল ইসির নিবন্ধন পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও কোনো দলকেই নিবন্ধন দেয়নি কে এম নুরুল হুদা কমিশন। যদিও পরবর্তী সময়ে আদালতের আদেশে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন- এনডিএম (সিংহ) ও বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) নিবন্ধন দেয় ইসি।
নতুন দল নিবন্ধনে সাড়া কম
নতুন দল নিবন্ধনে সাড়া কম
নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য তিন মাস সময় দিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিজ্ঞপ্তির আলোকে আবেদনের সময় শেষ হবে ২৯ আগস্ট। এখন পর্যন্ত নিবন্ধন পেতে নতুন দলের সাড়া পাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন।মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) পর্যন্ত দুটি দলের আবেদন জমা হয়েছে নিবন্ধন শাখায়। দল দুটি হচ্ছে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি ও মুক্তিযোদ্ধা লীগ।সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ টি এম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন আইন করে দল নিবন্ধনের পদ্ধতি চালু করে। এর আগে অষ্টম জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নামসর্বস্ব ও ভুঁইফোড় দল নির্বাচনে অংশ নিয়ে হুলস্থুল পরিস্থিতি তৈরি করত। নিবন্ধনপ্রথা চালুর পর ইসির নিবন্ধন পেতে ১১৭টি দল আবেদন করলেও সব শর্ত পূরণ করে ৩৯টি দল নিবন্ধন পেয়েছিল। ওই সময়ের পর আরো কিছু দল নিবন্ধিত হলেও সে সংখ্যা আধাডজনের কম। সর্বশেষ নিবন্ধিত দল বাংলাদেশ কংগ্রেস। সবমিলিয়ে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৪৪টি হয়। তবে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত ও বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার
আসামির নেতৃত্বাধীন দলসহ ৫টি দলের নিবন্ধন বাতিল বা স্থগিত হয়। দলগুলো হচ্ছে ফ্রিডম পার্টি; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন; জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি (পিডিপি)। বর্তমানে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৩৯টি।ইসির নিবন্ধন শাখার তথ্য মতে, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দল নিবন্ধনের আবেদনকারীর সংখ্যা কমতে থাকে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, এর একটিই কারণ নিবন্ধনের শর্ত জটিল করা, নিবন্ধনের পর দলগুলোকে জবাবদিহির জায়গায় নিয়ে এবং শর্ত পূরণ করে নিবন্ধনের যোগ্যতা অর্জনে অক্ষমতা অন্যতম। কারণ, নিবন্ধনের পর প্রতি আর্থিক বছরের হিসাব অডিট ফার্ম দিয়ে বাছাই করে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব ৩১ জুলাই তারিখের মধ্যে ইসিতে জমা দেওয়া এবং সময়ে সময়ে দলের শর্ত পূরণ করা দলীয় অফিস-কার্যালয় আছে কি না তা কমিশন থেকে যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্তে গিয়ে ইসির কর্মকর্তারা অনেক দলের কার্যালয় খুঁজে পায় না। এ নিয়ে দলগুলোকে ইসিকে চিঠি দিয়ে জবাব চাওয়া হয়। আবার কমিশন থেকে
আর্থিক কোনো সুবিধা না পাওয়া এবং উল্টো জবাবদিহির মুখোমুখি হওয়া। এসব ঝামেলা এড়াতে অনেক দল আবেদন করা ছেড়েই দিয়েছে বলা যায়। তবে বিশেষ গোষ্ঠী বা পক্ষের সমর্থন নিয়ে সময়ে সময়ে কিছু দল নিবন্ধন পেতে দৌড়ঝাঁপ করে। এ ছাড়া দেশের রাজনীতি আওয়ামী লীগ-বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বেশ কটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়াও নতুন দল আত্মপ্রকাশে অনীহা বলেও জানা গেছে।ইসি সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর নিবন্ধনের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল কমিশন। সে বছর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন দল ইসিতে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ পায়। তখন ৭৬টি দল ইসির নিবন্ধন পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও কোনো দলকেই নিবন্ধন দেয়নি কে এম নুরুল হুদা কমিশন। যদিও পরবর্তী সময়ে আদালতের আদেশে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন- এনডিএম (সিংহ) ও বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) নিবন্ধন দেয় ইসি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত