অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার এবং বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত চুলা বা গ্যাস সরঞ্জাম ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করেছে পেট্রোবাংলা। ১২ অক্টোবর এক বার্তায় এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
বার্তায় বলা হয়, দুষ্কৃতিকারীরা অবৈধ উপায়ে পাইপলাইন ছিদ্র করে সংযোগ নিয়ে গ্যাস ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, অনেক গ্রাহক অনুমতি না নিয়ে অতিরিক্ত চুলা বা গ্যাস সরঞ্জাম ব্যবহার করছে। এই ধরনের অবৈধ কাজের জন্য গ্যাস আইন ২০১০ অনুযায়ী শাস্তি হিসেবে জেল ও জরিমানা আদায়ের বিধান আছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার হওয়া কারখানা বা বাসার মালিক ও জমির মালিকের বিরুদ্ধেও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার দায়েরসহ মামলা করার বিধান আছে।
আরো বলা হয়, অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে পেট্রোবাংলার অধীন গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো নিয়মিত মোবাইল কোর্টসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে। কোনো কারখানা বা বাড়িতে অবৈধ গ্যাস ব্যবহার পাওয়া গেলে গ্যাস ব্যবহারকারীসহ কারখানা ও জমির মালিকের বিরুদ্ধে সরকারের প্রচলিত আইনে জেল ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।
বার্তায় আরো উল্লেখ করা হয়, অবৈধ উপায়ে সংযোগ গ্রহণ করে গ্যাস ব্যবহার কিংবা অনুমোদন না নিয়ে অতিরিক্ত চুলা বা গ্যাস সরঞ্জাম ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য সব শ্রেণির নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
অবৈধ গ্যাস ব্যবহারে জিরো টলারেন্স গ্রহণ পেট্রোবাংলার
অবৈধ গ্যাস ব্যবহারে জিরো টলারেন্স গ্রহণ পেট্রোবাংলার
অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার এবং বিনা অনুমতিতে অতিরিক্ত চুলা বা গ্যাস সরঞ্জাম ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স গ্রহণ করেছে পেট্রোবাংলা। ১২ অক্টোবর এক বার্তায় এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।বার্তায় বলা হয়, দুষ্কৃতিকারীরা অবৈধ উপায়ে পাইপলাইন ছিদ্র করে সংযোগ নিয়ে গ্যাস ব্যবহার করছে। অন্যদিকে, অনেক গ্রাহক অনুমতি না নিয়ে অতিরিক্ত চুলা বা গ্যাস সরঞ্জাম ব্যবহার করছে। এই ধরনের অবৈধ কাজের জন্য গ্যাস আইন
২০১০ অনুযায়ী শাস্তি হিসেবে জেল ও জরিমানা আদায়ের বিধান আছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার হওয়া কারখানা বা বাসার মালিক ও জমির মালিকের বিরুদ্ধেও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার দায়েরসহ মামলা করার বিধান আছে।আরো বলা হয়, অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে পেট্রোবাংলার অধীন গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো নিয়মিত মোবাইল কোর্টসহ বিভিন্ন ধরনের
অভিযান পরিচালনা করছে। কোনো কারখানা বা বাড়িতে অবৈধ গ্যাস ব্যবহার পাওয়া গেলে গ্যাস ব্যবহারকারীসহ কারখানা ও জমির মালিকের বিরুদ্ধে সরকারের প্রচলিত আইনে জেল ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।বার্তায় আরো উল্লেখ করা হয়, অবৈধ উপায়ে সংযোগ গ্রহণ করে গ্যাস ব্যবহার কিংবা অনুমোদন না নিয়ে অতিরিক্ত চুলা বা গ্যাস সরঞ্জাম ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য সব শ্রেণির নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত