কর্মচারীদের সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদকে তার কার্যালয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ কর্মচারী অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীরা।
শনিবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে কর্মচারীরা শারফুদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ অবরুদ্ধের কথা অস্বীকার করেছেন।
কর্মচারী নেতা দিপু বলেন, ‘আমরা উপাচার্যকে তার রুমে অবরুদ্ধ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আমরা একটি কর্মচারী নীতিমালা চাচ্ছি। বর্তমান প্রশাসন গত তিন বছর ধরে টালবাহানা করে সময় পার করছে। বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদ আগামী ২৮ মার্চ শেষ হবে। অথচ তিনি এখনও বলছেন তোমরা কাজে যাও আমি দেখব।’
উপাচার্যের বিরুদ্ধে কথা না রাখার অভিযোগ করে তিনি বলেন, বর্তমান উপাচার্যের সময়কালে সর্বশেষ সিন্ডিকেটের সভা আগামী ২০ তারিখ। সেটা সমস্ত অবৈধ কাজের মধ্যে করে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু আমাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে টালবাহানা।
তবে অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ অবরুদ্ধ হয়নি বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনসংযোগ বিভাগে কর্মরত সুব্রত বিশ্বাস ঢাকা মেইলকে বলেন, একটা জটলা রয়েছে। কর্মচারীরা কিছু দাবি দাওয়া নিয়ে স্যারের কাছে এসেছে। তবে অবরুদ্ধ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। স্যারসহ আমাদের কার্যালয়ে লোকজন আসা যাওয়া করছে।
জনসংযোগ বিভাগের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরতরা। তারা জানান, উপাচার্য ভেতরে আছেন। আমরা এখানে ৪০০-৫০০ জন কর্মচারী অবস্থান করছি। জনসংযোগ বিভাগ টাকা খেয়ে ভিসির অনৈতিক কাজে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
অবরুদ্ধ বিএসএমএমইউ ভিসি
অবরুদ্ধ বিএসএমএমইউ ভিসি
কর্মচারীদের সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদকে তার কার্যালয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ কর্মচারী অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীরা।শনিবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে কর্মচারীরা শারফুদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ অবরুদ্ধের কথা অস্বীকার করেছেন।কর্মচারী নেতা দিপু বলেন, ‘আমরা উপাচার্যকে তার রুমে অবরুদ্ধ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আমরা একটি কর্মচারী নীতিমালা চাচ্ছি। বর্তমান প্রশাসন গত
তিন বছর ধরে টালবাহানা করে সময় পার করছে। বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদ আগামী ২৮ মার্চ শেষ হবে। অথচ তিনি এখনও বলছেন তোমরা কাজে যাও আমি দেখব।’উপাচার্যের বিরুদ্ধে কথা না রাখার অভিযোগ করে তিনি বলেন, বর্তমান উপাচার্যের সময়কালে সর্বশেষ সিন্ডিকেটের সভা আগামী ২০ তারিখ। সেটা সমস্ত অবৈধ কাজের মধ্যে করে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু আমাদের ন্যায্য দাবি নিয়ে টালবাহানা।তবে অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ অবরুদ্ধ হয়নি বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ।এ বিষয়ে
জানতে চাইলে জনসংযোগ বিভাগে কর্মরত সুব্রত বিশ্বাস ঢাকা মেইলকে বলেন, একটা জটলা রয়েছে। কর্মচারীরা কিছু দাবি দাওয়া নিয়ে স্যারের কাছে এসেছে। তবে অবরুদ্ধ করা হয়েছে তা সঠিক নয়। স্যারসহ আমাদের কার্যালয়ে লোকজন আসা যাওয়া করছে। জনসংযোগ বিভাগের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরতরা। তারা জানান, উপাচার্য ভেতরে আছেন। আমরা এখানে ৪০০-৫০০ জন কর্মচারী অবস্থান করছি। জনসংযোগ বিভাগ টাকা খেয়ে ভিসির অনৈতিক কাজে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত