যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরদিন রবিবার (১১ মে) চেনাব নদীর বাগলিহার ও সালাল বাঁধের একাধিক গেট খুলে দিয়েছে ভারত। এর ফলে আবারও পাকিস্তানের দিকে পানি প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। পেহেলগামে হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল পাকিস্তানের দিকে পানি প্রবাহ বন্ধ করা এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ।
ভারত সরকার সাময়িকভাবে সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করে এবং চেনাব নদীর প্রবাহ আটকে দেয়। ফলে পাকিস্তানের দিকে চেনাব নদীর পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। খবর দ্য ডনের।
ভারতের প্রশাসন জানিয়েছে, সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে টানা বৃষ্টির কারণে বাগলিহার ও সালাল বাঁধে পানির স্তর বেড়ে গিয়েছিল।
বাঁধে অতিরিক্ত পানি জমে থাকায় তা ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পানি না ছাড়লে বাঁধের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারত।
যদিও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত বাঁধের গেট খোলার প্রকৃত কারণ জানানো হয়নি। গেট খোলার ফলে পাকিস্তানে চেনাব নদীর শুকিয়ে যাওয়া এলাকাগুলোতে আবারও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে একইসঙ্গে নদীর নিচু অঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাকিস্তানি প্রশাসন ইতোমধ্যেই কিছু এলাকায় বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।
অবশেষে চেনাব নদীর পানি ছাড়ল ভারত
অবশেষে চেনাব নদীর পানি ছাড়ল ভারত
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরদিন রবিবার (১১ মে) চেনাব নদীর বাগলিহার ও সালাল বাঁধের একাধিক গেট খুলে দিয়েছে ভারত। এর ফলে আবারও পাকিস্তানের দিকে পানি প্রবাহিত হতে শুরু করেছে। পেহেলগামে হামলার পর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত একাধিক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল পাকিস্তানের দিকে পানি প্রবাহ বন্ধ করা এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের দেশ ছাড়ার
নির্দেশ।ভারত সরকার সাময়িকভাবে সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করে এবং চেনাব নদীর প্রবাহ আটকে দেয়। ফলে পাকিস্তানের দিকে চেনাব নদীর পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। খবর দ্য ডনের।ভারতের প্রশাসন জানিয়েছে, সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে টানা বৃষ্টির কারণে বাগলিহার ও সালাল বাঁধে পানির স্তর বেড়ে গিয়েছিল।বাঁধে অতিরিক্ত পানি জমে থাকায় তা ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পানি
না ছাড়লে বাঁধের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারত।যদিও সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত বাঁধের গেট খোলার প্রকৃত কারণ জানানো হয়নি। গেট খোলার ফলে পাকিস্তানে চেনাব নদীর শুকিয়ে যাওয়া এলাকাগুলোতে আবারও পানি প্রবাহিত হচ্ছে।এতে একইসঙ্গে নদীর নিচু অঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাকিস্তানি প্রশাসন ইতোমধ্যেই কিছু এলাকায় বন্যার সতর্কতা জারি করেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত