বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন
ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয় চলতি বছরের
ফেব্রুয়ারিতে। তার অধীনেই আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার কথা ছিল টাইগারদের।
তবে এর আগেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাড়াচ্ছেন শান্ত।
জানা
গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে চলমান সিরিজের পরই অধিনায়কের পদ থেকে
পদত্যাগ করবেন তিনি। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শেষ টেস্টে মাঠে নামার আগে সংবাদ
সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে দেখার কথা ছিল। সাধারণত অধিনায়ক বা প্রধান
কোচই ম্যাচ শুরুর আগের দিন আসেন সংবাদ সম্মেলনে। তবে চট্টগ্রাম টেস্ট শেষে শান্তর
নেতৃত্ব ছাড়ার গুঞ্জনের মাঝে সংবাদ সম্মেলনে তাইজুল ইসলাম আসায় প্রশ্ন জেগেছে—টাইগারদের
লাল বলের ক্রিকেটের পরবর্তী অধিনায়ক কী তিনি হচ্ছেন। তাইজুলের ভাষ্যে, নেতৃত্ব নিতে
প্রস্তত তিনি।
চট্টগ্রাম
টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে টেস্টের অধিনায়ক হতে চান কি না
ভবিষ্যতে, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি তার ১০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার বলেন, ‘যেহেতু ১০ বছর খেলেছি, পুরোটাই তৈরি।
শান্তর
নেতৃত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি এখনও শুনিনি, এটা আমার
পার্টও না। এ বিষয়ে সঠিক জানি না।’ ‘ক্যাপ্টেন কে হবে—এ
রকম টিম মিটিং কখনই হয়নি। আমি জানিই না ভাই এ বিষয়ে।
সিরিজের
মাঝে অধিনায়ক ছাড়ার ইস্যু খেলার মধ্যে প্রভাব ফেলে নাকি। গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নে
৩২ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার বলেন, ‘এটা টিম গেম। টিম কী করে ভালো
থাকবে এটাই ইম্পরট্যান্ট। প্রভাব হয়তো কেউ কেউ নিতে পারে, কেউ কেউ নির্ভার থেকে
নিজের কাজ করে যেতে পারে। আমি সব সময় নির্ভার থেকে নিজের কাজ করার চেষ্টা করি।
‘দলে এসব যখন ঘটে জানি না কে কীভাবে নেয়, সবার মানসিকতা
একরকম না। প্রশ্নটা গভীর, এটার উত্তর আসলে আমার কাছে নেই, এটাই সত্যি।
ম্যানেজমেন্ট বা বোর্ডের মিটিংয়ে আমি বা খেলোয়াড়রা থাকে না। কোচ ক্যাপ্টেন কে
হচ্ছে—এটা আসলে আমাদের পার্ট না।
সিনিয়র
ক্রিকেটার হিসেবে ১০ বছরের ক্রিকেটের জীবনের অভিজ্ঞতা দলে কাজে লাগানোর চেষ্টা
করেন। তিনি বলেন, ‘আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, আমার কাছ
থেকে আপনি কতটা নিচ্ছেন এটা গুরুত্বপূর্ণ। হোক টিমমেট বা দেশের জনগণ। মাঠে যখন
বিভিন্ন পরিস্থিতি আসে, ফিল্ড পজিশন বা ব্যাটারকে সেটআপ এগুলো মাঝে মাঝে আমি বলে
থাকি। ক্যাপ্টেনও জিজ্ঞেস করে। আমি চেষ্টা করি ভূমিকা রাখার।
অধিনায়কত্ব নিতে ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ তাইজুল
অধিনায়কত্ব নিতে ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ তাইজুল
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে। তার অধীনেই আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার কথা ছিল টাইগারদের। তবে এর আগেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাড়াচ্ছেন শান্ত।জানা গেছে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে চলমান সিরিজের পরই অধিনায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শেষ টেস্টে মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে দেখার কথা ছিল। সাধারণত অধিনায়ক বা প্রধান কোচই ম্যাচ শুরুর আগের দিন আসেন সংবাদ সম্মেলনে। তবে চট্টগ্রাম টেস্ট শেষে শান্তর নেতৃত্ব ছাড়ার গুঞ্জনের মাঝে সংবাদ সম্মেলনে তাইজুল ইসলাম আসায় প্রশ্ন জেগেছে—টাইগারদের লাল বলের ক্রিকেটের পরবর্তী অধিনায়ক কী তিনি হচ্ছেন। তাইজুলের ভাষ্যে, নেতৃত্ব নিতে প্রস্তত তিনি।চট্টগ্রাম টেস্টের আগে
সংবাদ সম্মেলনের প্রশ্নোত্তর পর্বে টেস্টের অধিনায়ক হতে চান কি না ভবিষ্যতে, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি তার ১০ বছরের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার বলেন, ‘যেহেতু ১০ বছর খেলেছি, পুরোটাই তৈরি।শান্তর নেতৃত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমি এখনও শুনিনি, এটা আমার পার্টও না। এ বিষয়ে সঠিক জানি না।’ ‘ক্যাপ্টেন কে হবে—এ রকম টিম মিটিং কখনই হয়নি। আমি জানিই না ভাই এ বিষয়ে।সিরিজের মাঝে অধিনায়ক ছাড়ার ইস্যু খেলার মধ্যে প্রভাব ফেলে নাকি। গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নে ৩২ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার বলেন, ‘এটা টিম গেম। টিম কী করে ভালো থাকবে এটাই ইম্পরট্যান্ট। প্রভাব হয়তো কেউ কেউ নিতে পারে, কেউ কেউ নির্ভার থেকে নিজের কাজ করে যেতে পারে। আমি
সব সময় নির্ভার থেকে নিজের কাজ করার চেষ্টা করি।‘দলে এসব যখন ঘটে জানি না কে কীভাবে নেয়, সবার মানসিকতা একরকম না। প্রশ্নটা গভীর, এটার উত্তর আসলে আমার কাছে নেই, এটাই সত্যি। ম্যানেজমেন্ট বা বোর্ডের মিটিংয়ে আমি বা খেলোয়াড়রা থাকে না। কোচ ক্যাপ্টেন কে হচ্ছে—এটা আসলে আমাদের পার্ট না। সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে ১০ বছরের ক্রিকেটের জীবনের অভিজ্ঞতা দলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, আমার কাছ থেকে আপনি কতটা নিচ্ছেন এটা গুরুত্বপূর্ণ। হোক টিমমেট বা দেশের জনগণ। মাঠে যখন বিভিন্ন পরিস্থিতি আসে, ফিল্ড পজিশন বা ব্যাটারকে সেটআপ এগুলো মাঝে মাঝে আমি বলে থাকি। ক্যাপ্টেনও জিজ্ঞেস করে। আমি চেষ্টা করি ভূমিকা রাখার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত