রোকসানা মনোয়ার : বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার সাশ্রয়ে
অকটেন-পেট্রলের চাহিদার পুরোটাই দেশে শোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি
মন্ত্রণালয়। এজন্য চার প্রতিষ্ঠানকে গ্যাসক্ষেত্রের তলানি বা কনডেনসেট আমদানির
অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কনডেনসেটে উৎপাদিত অকটেন-পেট্রলের দাম সরকার চার মাসেও
ঠিক না করায় চিন্তিত বিনিয়োগকারীরা। চাহিদার সবটা দেশে তৈরি করা গেলে এ খাতে বছরে
অন্তত আড়াই হাজার কোটি টাকার সমান বিদেশি মুদ্রা বাঁচবে ।
বিশ্ব
অর্থনীতিতে মন্দার এ সময়ে আমদানিনির্ভরতার পরিবর্তে,পণ্য দেশে তৈরি করা গেলে তা সামগ্রিক
অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশে অকটেন-পেট্রল লাগে বছরে ৯ লাখ টন। এর মধ্যে
দেশের গ্যাসক্ষেত্রে পাওয়া কনডেনসেট থেকে তৈরি হয় প্রায় চার লাখ টন। আমদানি করে
মেটানো হয় বাকি ৫ লাখ টনের চাহিদা।
পারটেক্স পেট্রোর ব্যবস্থাপনা
পরিচালক রুবেল আজিজ বলেন,
ভ্যাট-ট্যাক্সসহ নানা বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় আমরা অকটেন-পেট্রল
বিক্রি করতে পারছি না। দেশে সারা বছর যে পরিমাণ অকটেন-পেট্রলের চাহিদা আছে তার
পুরোটাই আমরাসহ চারটি কোম্পানির পূরণ করার সক্ষমতা আছে। এতে দেশের ২০০ মিলিয়ন
মার্কিন ডলারের বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
বিদ্যুৎ ও
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের দিকেই সরকারের নজর বেশি।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অকটেন-পেট্রল নেওয়ার জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি। এতে
করে অনেক বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
বিপিসির
চেয়ারম্যান বলেন, নাম নির্ধারণের ব্যাপারে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে।
বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি শিগগিরই আমরা এর সমাধান করতে পারব।
জ্বালানি
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল দুষ্পাপ্য হয়ে উঠছে। এ কারণে কনডেনসেট থেকে দেশে
পেট্রল-অকটেন উৎপাদনকারীদের উৎসাহিত করার সময় এসেছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন
যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে পরিশোধিত তেলের দাম অনেক বেশি। বড় রিফাইনারিগুলোকে এখন বেশি
তেল উৎপাদন করছে। এ কারণে পরিশোধিত ও অশোধিত তেলের দামের পার্থক্য অনেক বেড়ে গেছে।
এ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করা গেলে দেশের লাভ।
অকটেন-পেট্রল দেশেই শোধন হবে
অকটেন-পেট্রল দেশেই শোধন হবে
রোকসানা মনোয়ার : বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার সাশ্রয়ে অকটেন-পেট্রলের চাহিদার পুরোটাই দেশে শোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। এজন্য চার প্রতিষ্ঠানকে গ্যাসক্ষেত্রের তলানি বা কনডেনসেট আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই কনডেনসেটে উৎপাদিত অকটেন-পেট্রলের দাম সরকার চার মাসেও ঠিক না করায় চিন্তিত বিনিয়োগকারীরা। চাহিদার সবটা দেশে তৈরি করা গেলে এ খাতে বছরে অন্তত আড়াই হাজার কোটি টাকার সমান বিদেশি মুদ্রা বাঁচবে ।বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার এ সময়ে আমদানিনির্ভরতার পরিবর্তে,পণ্য দেশে তৈরি করা গেলে তা সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশে অকটেন-পেট্রল লাগে বছরে ৯ লাখ টন। এর মধ্যে দেশের গ্যাসক্ষেত্রে পাওয়া
কনডেনসেট থেকে তৈরি হয় প্রায় চার লাখ টন। আমদানি করে মেটানো হয় বাকি ৫ লাখ টনের চাহিদা। পারটেক্স পেট্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবেল আজিজ বলেন, ভ্যাট-ট্যাক্সসহ নানা বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হওয়ায় আমরা অকটেন-পেট্রল বিক্রি করতে পারছি না। দেশে সারা বছর যে পরিমাণ অকটেন-পেট্রলের চাহিদা আছে তার পুরোটাই আমরাসহ চারটি কোম্পানির পূরণ করার সক্ষমতা আছে। এতে দেশের ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের দিকেই সরকারের নজর বেশি। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অকটেন-পেট্রল নেওয়ার জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি। এতে করে অনেক
বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে।বিপিসির চেয়ারম্যান বলেন, নাম নির্ধারণের ব্যাপারে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কিছু দাবি-দাওয়া আছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি শিগগিরই আমরা এর সমাধান করতে পারব।জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল দুষ্পাপ্য হয়ে উঠছে। এ কারণে কনডেনসেট থেকে দেশে পেট্রল-অকটেন উৎপাদনকারীদের উৎসাহিত করার সময় এসেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে পরিশোধিত তেলের দাম অনেক বেশি। বড় রিফাইনারিগুলোকে এখন বেশি তেল উৎপাদন করছে। এ কারণে পরিশোধিত ও অশোধিত তেলের দামের পার্থক্য অনেক বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করা গেলে দেশের লাভ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত