যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের লংভিউ শহরে একটি কাগজ উৎপাদন কারখানায় সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় নিখোঁজ থাকা শেষ দুই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে পৌঁছেছে।
কলাম্বিয়া নদীর তীরবর্তী নিপ্পন ডাইনাওয়েভ প্যাকেজিং কারখানায় একটি রাসায়নিক সংরক্ষণ ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। ট্যাংকটিতে প্রায় ৬ লাখ গ্যালন ‘হোয়াইট লিকার’ নামের শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ছিল। এই রাসায়নিক কাঠের চিপস প্রক্রিয়াজাত করে প্যাকেজিং বোর্ড তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।
কলাম্বিয়া নদীর তীরবর্তী নিপ্পন ডাইনাওয়েভ প্যাকেজিং কারখানায় একটি রাসায়নিক সংরক্ষণ ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। ট্যাংকটিতে প্রায় ৬ লাখ গ্যালন ‘হোয়াইট লিকার’ নামের শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ছিল। এই রাসায়নিক কাঠের চিপস প্রক্রিয়াজাত করে প্যাকেজিং বোর্ড তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।
দুর্ঘটনার পরপরই দুই শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয় এবং আরও নয়জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ধ্বংসস্তূপের নিচে ধারাবাহিক অনুসন্ধান চালিয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার কার্যক্রমে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করে ছড়িয়ে পড়া বিপজ্জনক রাসায়নিক ও ধ্বংসস্তূপ। এ কারণে উদ্ধারকর্মীদের বিশেষ সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করে দূষণমুক্তকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণের সময় নিহতদের অধিকাংশই কারখানার একটি সমন্বয় কক্ষে অবস্থান করছিলেন, যেখানে প্রতিদিনের কাজের দায়িত্ব ও পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।
সর্বশেষ শনিবার ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বাকি দুই নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা হলেও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষা ও ফরেনসিক যাচাই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।