চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
তিনি বলেন, রিজার্ভ বাড়াতে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ধার নেওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজস্ব উৎস থেকেই রিজার্ভ বাড়াতে হবে। আমরা চাপ সৃষ্টি করে ডলার কিনছি না। বাজারভিত্তিক অকশনের মাধ্যমেই ডলার কেনা হচ্ছে। অর্থবছর শেষে রিজার্ভ ৩৪ থেকে ৩৫ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাত সংস্কার: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।
গভর্নর বলেন, আমরা একটি খারাপ অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে যাচ্ছি। ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফেরানো হয়েছে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এসেছে। ব্যালান্স অব পেমেন্ট বা ডলার পরিস্থিতি নিয়ে এখন কোনো উদ্বেগ নেই।
তবে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের সমস্যার কথাও স্বীকার করেন তিনি। গভর্নর বলেন, অনেক ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি রয়েছে এবং খেলাপি ঋণের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ‘আমার ধারণা ছিল খেলাপি ঋণ ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ হবে, কিন্তু বাস্তবে তা প্রায় ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমরা কোনো তথ্য লুকাবো না। যা সত্য, সেটাই প্রকাশ করা হবে।
ব্যাংক সংস্কারের অংশ হিসেবে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ সম্পর্কেও জানান গভর্নর।
আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, একীভূত ব্যাংকগুলোর আমানত নিরাপদ থাকবে। আমানত বিমার আওতায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সুরক্ষা দেওয়া হবে। নতুন ব্যাংকে ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হলে সেখানে লোকসানের কোনো সম্ভাবনা নেই।
অর্থবছর শেষে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য
অর্থবছর শেষে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।তিনি বলেন, রিজার্ভ বাড়াতে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে ধার নেওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজস্ব উৎস থেকেই রিজার্ভ বাড়াতে হবে। আমরা চাপ সৃষ্টি করে ডলার কিনছি না। বাজারভিত্তিক অকশনের মাধ্যমেই ডলার কেনা হচ্ছে। অর্থবছর শেষে রিজার্ভ ৩৪ থেকে ৩৫ বিলিয়ন ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম
(ইআরএফ) আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাত সংস্কার: চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, আমরা একটি খারাপ অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে যাচ্ছি। ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফেরানো হয়েছে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এসেছে। ব্যালান্স অব পেমেন্ট বা ডলার পরিস্থিতি নিয়ে এখন কোনো উদ্বেগ নেই।তবে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের সমস্যার কথাও স্বীকার করেন তিনি। গভর্নর বলেন, অনেক ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি রয়েছে এবং খেলাপি ঋণের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। ‘আমার ধারণা ছিল
খেলাপি ঋণ ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ হবে, কিন্তু বাস্তবে তা প্রায় ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমরা কোনো তথ্য লুকাবো না। যা সত্য, সেটাই প্রকাশ করা হবে।ব্যাংক সংস্কারের অংশ হিসেবে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার উদ্যোগ সম্পর্কেও জানান গভর্নর।আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, একীভূত ব্যাংকগুলোর আমানত নিরাপদ থাকবে। আমানত বিমার আওতায় দুই লাখ টাকা পর্যন্ত সুরক্ষা দেওয়া হবে। নতুন ব্যাংকে ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হলে সেখানে লোকসানের কোনো সম্ভাবনা নেই।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত