ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। এমন বার্তায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্ক ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা অনেকটা অনিরাপদ থাকায় তাদের মধ্যে এটি ভীতির বার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বরগুনা কার্যালয় সূত্রের তথ্যমতে, জেলার ২২টি পোল্ডারে ৯৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধই ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বাঁধের নিকটবর্তী বাসিন্দারা ঝড়ের পূর্বাভাসেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
ফকিরহাটের হাসান মিয়া বলেন, এলাকার প্রায় ৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নড়বড়ে হয়ে আছে। এ জন্য আমতলী তালতলি উপজেলার নদী তীরবর্তী বাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা সবসময়ই আতঙ্কে থাকেন।
জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা, মহাসেন, ফণীসহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় সাড়ে পাঁচ’শ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেসব বাঁধ এখনও সম্পূর্ণ মেরামত হয়নি। এ অবস্থায় অশনির আগমনের বার্তায় আতঙ্কে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দা।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কাওছার হোসেন বলেন, বাঁধ মেরামত করা জরুরি, আমরা কিছু কিছু এলাকার বাঁধ নির্মাণ ও সংষ্কার করছি।
তিনটি নদীবেষ্টিত বরগুনা জেলার নদী তীরের বাসিন্দাদের অনেকেরই কাছাকাছি পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই। জেলার ১৪ লাখ মানুষের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বসবাস নদী তীরবর্তী গ্রামে। সেই তুলনায় বরগুনা উপকূলের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা অনেক কম।
বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, অশনি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টি শুরু : এদিকে, ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বরগুনায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বইছে হালকা বাতাস। সোমবার (৯ মে) সকাল থেকে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা বাতাস বইতে শুরু করে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
বরগুনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে ৯ মে সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ঘণ্টা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বর্তমানে ২নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যাচ্ছেন তারা।
অশনি’র সঙ্কেতে উপকূলে আতঙ্ক
অশনি’র সঙ্কেতে উপকূলে আতঙ্ক
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’। এমন বার্তায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্ক ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা অনেকটা অনিরাপদ থাকায় তাদের মধ্যে এটি ভীতির বার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড বরগুনা কার্যালয় সূত্রের তথ্যমতে, জেলার ২২টি পোল্ডারে ৯৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধই ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বাঁধের নিকটবর্তী বাসিন্দারা ঝড়ের পূর্বাভাসেই আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন।ফকিরহাটের হাসান মিয়া বলেন, এলাকার প্রায় ৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নড়বড়ে হয়ে আছে। এ জন্য আমতলী তালতলি উপজেলার নদী তীরবর্তী বাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা সবসময়ই আতঙ্কে থাকেন।জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিডর, আইলা,
মহাসেন, ফণীসহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় সাড়ে পাঁচ’শ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেসব বাঁধ এখনও সম্পূর্ণ মেরামত হয়নি। এ অবস্থায় অশনির আগমনের বার্তায় আতঙ্কে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দা।বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কাওছার হোসেন বলেন, বাঁধ মেরামত করা জরুরি, আমরা কিছু কিছু এলাকার বাঁধ নির্মাণ ও সংষ্কার করছি।তিনটি নদীবেষ্টিত বরগুনা জেলার নদী তীরের বাসিন্দাদের অনেকেরই কাছাকাছি পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নেই। জেলার ১৪ লাখ মানুষের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের বসবাস নদী তীরবর্তী গ্রামে। সেই তুলনায় বরগুনা উপকূলের বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা অনেক কম।বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.
নাজমুল ইসলাম বলেন, অশনি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।বৃষ্টি শুরু : এদিকে, ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বরগুনায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বইছে হালকা বাতাস। সোমবার (৯ মে) সকাল থেকে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা বাতাস বইতে শুরু করে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।বরগুনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে ৯ মে সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ঘণ্টা বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বর্তমানে ২নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যাচ্ছেন তারা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত