রাজধানীর ধানমন্ডিতে মো. মহসিন রেজা নামে এক টেইলার্স মালিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে নিজ দোকান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবার বলছে, মহসিন রেজা অভাব-অনটনে ছিলেন। করোনার কারণে তার ব্যবসা খারাপ যাচ্ছিলো। এনিয়ে হতাশায় ছিলেন তিনি। মহসিনের ধানমন্ডিতে ৭-এ ‘ফ্যাশন অ্যান্ড লেডিস টেইলার্স’ নামে একটি দোকান রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে।
তার ভাই মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরে যোগাযোগ ছিল না। ভাইয়ের এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। টাকার অভাবে তাদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারেননি। এনিয়ে হতাশায় ছিলেন। এছাড়া ভাই দুই জায়গা থেকে সুদে লোন নিয়েছিলেন। এই টাকার জন্য পাওনাদাররা এসে তাকে চাপ দিতো। অভাব-অনটনে জন্য মহসিন রেজা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানান তিনি।
ধানমন্ডি থানার এসআই মো. মুনসুর আহমেদ জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহতের আত্মীয়-স্বজনের বরাতে এসআই বলেন, গত দুই-তিনদিন দোকানে ঠিকমতো আসতেন না মহসিন রেজা। গতকাল সকাল তার মিরপুরের বাসা থেকে দোকানে আসেন। সেখানে ফ্যানের সঙ্গে লাল রংয়ের কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা
অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা
রাজধানীর ধানমন্ডিতে মো. মহসিন রেজা নামে এক টেইলার্স মালিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার সকালে নিজ দোকান থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবার বলছে, মহসিন রেজা অভাব-অনটনে ছিলেন। করোনার কারণে তার ব্যবসা খারাপ যাচ্ছিলো। এনিয়ে হতাশায় ছিলেন তিনি। মহসিনের ধানমন্ডিতে ৭-এ ‘ফ্যাশন অ্যান্ড লেডিস টেইলার্স’ নামে একটি দোকান রয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরে। তার ভাই মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে
বেশ কিছুদিন ধরে যোগাযোগ ছিল না। ভাইয়ের এক ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। টাকার অভাবে তাদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারেননি। এনিয়ে হতাশায় ছিলেন। এছাড়া ভাই দুই জায়গা থেকে সুদে লোন নিয়েছিলেন। এই টাকার জন্য পাওনাদাররা এসে তাকে চাপ দিতো। অভাব-অনটনে জন্য মহসিন রেজা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানান তিনি।ধানমন্ডি থানার এসআই মো. মুনসুর আহমেদ জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।নিহতের আত্মীয়-স্বজনের বরাতে এসআই বলেন, গত দুই-তিনদিন দোকানে ঠিকমতো আসতেন না মহসিন রেজা। গতকাল সকাল তার মিরপুরের বাসা থেকে দোকানে আসেন। সেখানে ফ্যানের সঙ্গে লাল রংয়ের কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত