পার্বত্য
জেলা বান্দরবানে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে জনজীবন। টানা দুই
দিন পানির নিচে পুরো শহর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে অস্থায়ী
আশ্রয়নকেন্দ্রসহ আশপাশের উচু ভবনে। আশ্রয়ন নেওয়া অনেকে নিজ ঘর থেকে মালামাল উদ্ধার
করতে পারেনি। প্রশাসনের চাপে জীবন বাঁচাতে কোনো রকম আশ্রয় পেয়েছে তারা। তবে এসব
মানুষ গত দুই দিন ধরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ
করেছেন।
অস্থায়ী
আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া একাধিক নারী-পুরুষ জানিয়েছেন। রান্না করা খিচুড়ি দেওয়া
হয়েছে মাত্র। এদিকে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়, জজ কোর্ট,
আওয়ামী লীগ অফিস চত্বর, ওয়াপদাব্রিজ, মেম্বারপাড়া, ব্রিগেড এলাকা, বালাঘাটা
বাসস্টেশনসহ আশপাশের অন্তত তিন কিলোমিটার নিম্ম এলাকাগুলো রবিববার (৬ আগস্ট)
ভোররাত থেকে পানিতে ডুবে রয়েছে।
প্রয়োজনে
মানুষ চলাচল করছে শহরের প্রধান সড়কের উপর দিয়ে নৌকাযোগে। বিদ্যুৎ অফিস পানিতে
তলিয়ে যাওয়ায় গত তিন দিন শহরে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মোবাইল
নেটওয়ার্কে। যার কারণে শহরের মানুষ দুর্যোগে পড়েছে। এমন বিপর্যয়ে কি পরিমাণ
ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নির্ণয়ের কাজ করছে প্রশাসন।
আইএসপিআর
জানিয়েছে, বান্দরবানে চলমান দুর্যোগে বন্যা পরিস্থিতি ও পাহাড় ধস মোকাবিলায়
সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
বান্দরবানে
মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে আগাম রবিশস্য। পাহাড় ধসে জেলা
সাতটি উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া সাঙ্গু ও মাতামুহুরী
নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা প্রশাসকের বাসভবন জেলা পুলিশ সুপার বাসভবন ও জেলা জজ
কোট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে করে মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় প্রভাব পড়ে।
বান্দরবান পৌর এলাকার বনানী সমিল, আর্মি পাড়া, ওয়াপদাব্রিজ,
হাফেজঘোনা, ব্রিগেড এলাকাসহ বেশ কিছু
নিম্মাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা যায়। যার কারণে এসব এলাকার বাসিন্দারা পার্শবর্তী
মানুষের বাড়িতে ও উচু দালানে আশ্রয় নিয়েছে।
জেলা
প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে কয়েক হাজার
মানুষের বসবাস। কয়েকদিন থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় জেলার বিভিন্নস্থানে পাহাড়
ধসের আশঙ্কা রয়েছে, তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদে
সরে গিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে বান্দরবান জেলায়
সর্বমোট সাড়ে ৯ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে, ৮ হাজার মানুষ
পানিবন্দী। প্রতি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, প্লাবিত
এলাকার মানুষজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।
পাহাড় ধস মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন
পাহাড় ধস মোকাবিলায় সেনা মোতায়েন
পার্বত্য জেলা বান্দরবানে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে জনজীবন। টানা দুই দিন পানির নিচে পুরো শহর। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে অস্থায়ী আশ্রয়নকেন্দ্রসহ আশপাশের উচু ভবনে। আশ্রয়ন নেওয়া অনেকে নিজ ঘর থেকে মালামাল উদ্ধার করতে পারেনি। প্রশাসনের চাপে জীবন বাঁচাতে কোনো রকম আশ্রয় পেয়েছে তারা। তবে এসব মানুষ গত দুই দিন ধরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন।অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া একাধিক নারী-পুরুষ জানিয়েছেন। রান্না করা খিচুড়ি দেওয়া হয়েছে মাত্র। এদিকে বান্দরবান জেলা প্রশাসক কার্যালয়, জজ কোর্ট, আওয়ামী লীগ অফিস চত্বর, ওয়াপদাব্রিজ, মেম্বারপাড়া, ব্রিগেড এলাকা, বালাঘাটা বাসস্টেশনসহ আশপাশের অন্তত তিন কিলোমিটার নিম্ম এলাকাগুলো রবিববার (৬ আগস্ট) ভোররাত থেকে পানিতে ডুবে রয়েছে।প্রয়োজনে মানুষ
চলাচল করছে শহরের প্রধান সড়কের উপর দিয়ে নৌকাযোগে। বিদ্যুৎ অফিস পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত তিন দিন শহরে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে মোবাইল নেটওয়ার্কে। যার কারণে শহরের মানুষ দুর্যোগে পড়েছে। এমন বিপর্যয়ে কি পরিমাণ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নির্ণয়ের কাজ করছে প্রশাসন।আইএসপিআর জানিয়েছে, বান্দরবানে চলমান দুর্যোগে বন্যা পরিস্থিতি ও পাহাড় ধস মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।বান্দরবানে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে আগাম রবিশস্য। পাহাড় ধসে জেলা সাতটি উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা প্রশাসকের বাসভবন জেলা পুলিশ সুপার বাসভবন ও জেলা জজ কোট পানির নিচে তলিয়ে যায়। এতে করে মানুষের
স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় প্রভাব পড়ে। বান্দরবান পৌর এলাকার বনানী সমিল, আর্মি পাড়া, ওয়াপদাব্রিজ, হাফেজঘোনা, ব্রিগেড এলাকাসহ বেশ কিছু নিম্মাঞ্চলে জলাবদ্ধতা দেখা যায়। যার কারণে এসব এলাকার বাসিন্দারা পার্শবর্তী মানুষের বাড়িতে ও উচু দালানে আশ্রয় নিয়েছে। জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। কয়েকদিন থেকে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় জেলার বিভিন্নস্থানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে, তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে নিরাপদে সরে গিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানের অনুরোধ জানানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে বান্দরবান জেলায় সর্বমোট সাড়ে ৯ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে, ৮ হাজার মানুষ পানিবন্দী। প্রতি উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, প্লাবিত এলাকার মানুষজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত