ভারী বৃষ্টিতে পানি উপচে পড়ায় কাশ্মীর অঞ্চলের নদীগুলোর বাঁধ খুলে পানি ছেড়ে দিয়েছে ভারত। এতে ভারত থেকে প্রচণ্ড বেগে প্রচুর পরিমাণে পানি ঢুকছে পাকিন্তানে। যদিও বাঁধ খোলার আগে মানবিক দিক বিবেচনা করে পাকিস্তানকে সতর্ক বার্তা পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে ভারত। তবে ভারতীয় কতৃপক্ষ সময়মত সতর্কবার্তা না দিয়েই বাঁধ খুলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল।
বন্যার অবনতির জন্য ভারতকে দায়ী করে আহসান ইকবাল বলেন, ‘ভারত জলবায়ু বিপর্যয়ের রাজনীতি করছে। সিন্ধু পানি চুক্তি অনুসরণ এবং সঠিক সময়ে বন্যার তথ্য ভাগাভাগি করার পরিবর্তে তারা বাঁধ খুলে পানি ছেড়ে দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। ভারত পানিকে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করেছে।
এদিকে, ভারতীয় বার্তাসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত রোববার ভারত পাকিস্তানকে বন্যার আগাম সতর্কতা দেয়, গত এপ্রিলে জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার জেরে সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিল করা পর এটি প্রথমবার নদীর ব্যাপারে যোগাযোগ করেছে দুই দেশের। আজ বুধবারও পাকিস্তানকে নতুন বন্যার সতর্কতা দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিশেষ করে তাওয়াই নদীর পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। বৃষ্টির পানি আর আটকে রাখতে না পেরে বাঁধ ছেড়ে দিতে ভারত বাধ্য হওয়ার পর নদীটি ফুলেফেঁপে উঠছে।
অন্যদিকে বুধবার পাকিস্তানে প্রবাহিত নদীগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি প্রবেশ করায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের বন্যা পরিস্থিত সবচেয়ে ভয়াবহ। এমন পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনায় লাহোর, ওকারা, ফয়সালাবাদ এবং শিয়ালকোটসহ বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ- এনডিএমএ জানিয়েছে, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় রবি, চেনাব এবং সুতলেজ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এনডিএমএ চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইনাম হায়দার মালিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বন্যা কবলিত অঞ্চল থেকে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী, রেঞ্জার্স, রেসকিউ ১১২২, প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) এবং অন্যান্য সংস্থার সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে বৃহৎ আকারের উদ্ধার প্রচেষ্টা পরিচালিত হচ্ছে। বাস্তুচ্যূতদের আশ্রয় কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে যেখানে তারা চিকিৎসা সেবা, খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা পাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, জুনের শেষের দিকে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০২ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে গত ১৪ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই অন্তত ৪৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
পাকিস্তানকে বন্যার সতর্কবার্তা দিলো ভারত
পাকিস্তানকে বন্যার সতর্কবার্তা দিলো ভারত
ভারী বৃষ্টিতে পানি উপচে পড়ায় কাশ্মীর অঞ্চলের নদীগুলোর বাঁধ খুলে পানি ছেড়ে দিয়েছে ভারত। এতে ভারত থেকে প্রচণ্ড বেগে প্রচুর পরিমাণে পানি ঢুকছে পাকিন্তানে। যদিও বাঁধ খোলার আগে মানবিক দিক বিবেচনা করে পাকিস্তানকে সতর্ক বার্তা পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে ভারত। তবে ভারতীয় কতৃপক্ষ সময়মত সতর্কবার্তা না দিয়েই বাঁধ খুলে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল।বন্যার অবনতির জন্য ভারতকে দায়ী করে আহসান ইকবাল বলেন, ‘ভারত জলবায়ু বিপর্যয়ের রাজনীতি করছে। সিন্ধু পানি চুক্তি অনুসরণ এবং সঠিক সময়ে বন্যার তথ্য ভাগাভাগি করার পরিবর্তে তারা বাঁধ খুলে পানি ছেড়ে দিচ্ছে, যার ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। ভারত পানিকে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করেছে।এদিকে, ভারতীয় বার্তাসংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গত রোববার ভারত পাকিস্তানকে বন্যার আগাম
সতর্কতা দেয়, গত এপ্রিলে জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার জেরে সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিল করা পর এটি প্রথমবার নদীর ব্যাপারে যোগাযোগ করেছে দুই দেশের। আজ বুধবারও পাকিস্তানকে নতুন বন্যার সতর্কতা দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিশেষ করে তাওয়াই নদীর পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। বৃষ্টির পানি আর আটকে রাখতে না পেরে বাঁধ ছেড়ে দিতে ভারত বাধ্য হওয়ার পর নদীটি ফুলেফেঁপে উঠছে।অন্যদিকে বুধবার পাকিস্তানে প্রবাহিত নদীগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি প্রবেশ করায় সেখানে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের বন্যা পরিস্থিত সবচেয়ে ভয়াবহ। এমন পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনায় লাহোর, ওকারা, ফয়সালাবাদ এবং শিয়ালকোটসহ বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ- এনডিএমএ জানিয়েছে, ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও আশপাশের এলাকায় অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় রবি, চেনাব এবং সুতলেজ নদীর
পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।এনডিএমএ চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইনাম হায়দার মালিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বন্যা কবলিত অঞ্চল থেকে প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।তিনি বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী, রেঞ্জার্স, রেসকিউ ১১২২, প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) এবং অন্যান্য সংস্থার সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে বৃহৎ আকারের উদ্ধার প্রচেষ্টা পরিচালিত হচ্ছে। বাস্তুচ্যূতদের আশ্রয় কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে যেখানে তারা চিকিৎসা সেবা, খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা পাচ্ছেন।প্রসঙ্গত, জুনের শেষের দিকে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০২ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে গত ১৪ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই অন্তত ৪৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত