শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :
স্কুলের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীর প্রেম ও পালিয়ে বিয়ের দু' সপ্তাহ না পেরোতেই প্রেমিক স্বামী (স্কুল ছাত্রের) আত্নহত্যা।
আত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দিনগত রাতে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলা সদর ইউনিয়ন এর ভাটি পাঁচানি গ্রামে।
আত্নহত্যাকারি স্কুল ছাত্র ইমরান হোসেন (১৬), ভাটি পাঁচানি গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছেলে ও স্থানিয় পাঁচানি উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র।
স্থানিয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানায়, দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্র ইমরান হোসেন একই শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রেম-ভালোবাসা'র এক পর্যায়ে গত ১৬ মে প্রেমিকা স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে ইমরান হোসেন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাত্র দু'দিনের মাথায় ১৮ মে ইমরান হোসেন এর বাবা নুরুল ইসলাম তার ছেলে ইমরান হোসেন এর সাথে প্রেমিকা ছাত্রীর বিবাহ পড়িয়ে দেন। বিয়ের পরই নব-দম্পতি কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে মনোমালিন্য (মান-অভিমান) শুরু হয়। এক পর্যায়ে ২৭ মে শনিবার কিশোরী বধূ কিশোর স্বামীর বাড়ি থেকে পিতার বাড়িতে চলে যান। এরপর ছেলে ইমরান হোসেন তার স্ত্রীকে বাড়িতে আনতে তার বাবাকে চাপদিতে থাকেন। এরই এক পর্যায়ে রবিবার দিনগত রাত ৯ টারদিকে অভিমান করে বাড়ির পাশে মাচানীতে বসে থেকে বিষ পান করেন ইমরান হোসেন। বিষ পানের ঘটনা জানতে পেরে স্বজনরা ইমরান হোসেন কে উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে ও অবস্থার অবনতি হওয়ায় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে নেওয়ার পর রাত ১২টারদিকে মারা যায় ইমরান হোসেন।
ইমরান হোসেন এর বাবা নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমার ছেলেটি আমাদেরকে না জানিয়ে গোপনে মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অনেক অপমান সইতে হয়েছে। তারপর বাড়িতে নিয়ে আসলে বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছি। হঠাৎ করেই তারা স্বামী-স্ত্রী বিবাদে লিপ্ত হয় এবং ছেলের বউ রাগকরে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। এরপর ছেলে আমাকে তার বউকে এনে দিতে বললে আমি স্থানীয় মেম্বার এর সাথে কথাও বলি। এরি মাঝেই আমার ছেলেটি কার উপর অভিমান করে কেন বিষপান করলেন তা আমি জানিনা।
সত্যতা নিশ্চিত করে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ
মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশেদ মুঠোফোনে বলেন, বিষপানে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো এবং মৃতদেহটি যেহতু ময়মনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালে আছে, এজন্য সেখানেই ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হবে। এঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
পালিয়ে বিয়ের দু' সপ্তাহ না পেরোতেই স্বামীর আত্নহত্যা
পালিয়ে বিয়ের দু' সপ্তাহ না পেরোতেই স্বামীর আত্নহত্যা
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন :স্কুলের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীর প্রেম ও পালিয়ে বিয়ের দু' সপ্তাহ না পেরোতেই প্রেমিক স্বামী (স্কুল ছাত্রের) আত্নহত্যা।আত্নহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দিনগত রাতে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলা সদর ইউনিয়ন এর ভাটি পাঁচানি গ্রামে।আত্নহত্যাকারি স্কুল ছাত্র ইমরান হোসেন (১৬), ভাটি পাঁচানি গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছেলে ও স্থানিয় পাঁচানি উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্র।স্থানিয় ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানায়, দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্র ইমরান হোসেন একই শ্রেণীতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রেম-ভালোবাসা'র এক পর্যায়ে গত ১৬ মে প্রেমিকা স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে ইমরান হোসেন পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাত্র দু'দিনের মাথায় ১৮ মে ইমরান হোসেন এর বাবা নুরুল ইসলাম তার ছেলে ইমরান হোসেন এর
সাথে প্রেমিকা ছাত্রীর বিবাহ পড়িয়ে দেন। বিয়ের পরই নব-দম্পতি কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে মনোমালিন্য (মান-অভিমান) শুরু হয়। এক পর্যায়ে ২৭ মে শনিবার কিশোরী বধূ কিশোর স্বামীর বাড়ি থেকে পিতার বাড়িতে চলে যান। এরপর ছেলে ইমরান হোসেন তার স্ত্রীকে বাড়িতে আনতে তার বাবাকে চাপদিতে থাকেন। এরই এক পর্যায়ে রবিবার দিনগত রাত ৯ টারদিকে অভিমান করে বাড়ির পাশে মাচানীতে বসে থেকে বিষ পান করেন ইমরান হোসেন। বিষ পানের ঘটনা জানতে পেরে স্বজনরা ইমরান হোসেন কে উদ্ধার করে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে ও অবস্থার অবনতি হওয়ায় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে নেওয়ার পর রাত ১২টারদিকে মারা যায় ইমরান হোসেন।ইমরান হোসেন এর বাবা নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আমার ছেলেটি আমাদেরকে
না জানিয়ে গোপনে মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অনেক অপমান সইতে হয়েছে। তারপর বাড়িতে নিয়ে আসলে বিয়ে পড়িয়ে দিয়েছি। হঠাৎ করেই তারা স্বামী-স্ত্রী বিবাদে লিপ্ত হয় এবং ছেলের বউ রাগকরে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। এরপর ছেলে আমাকে তার বউকে এনে দিতে বললে আমি স্থানীয় মেম্বার এর সাথে কথাও বলি। এরি মাঝেই আমার ছেলেটি কার উপর অভিমান করে কেন বিষপান করলেন তা আমি জানিনা।সত্যতা নিশ্চিত করে নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জমোঃ রাশেদুজ্জামান রাশেদ মুঠোফোনে বলেন, বিষপানে মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো এবং মৃতদেহটি যেহতু ময়মনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালে আছে, এজন্য সেখানেই ময়না তদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হবে। এঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত