একদিকে দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে দেশি পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পচে যাচ্ছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। ৫০ কেজি পচা পেঁয়াজের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে। আবার ভালো মানেরটা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বলছে, প্রচণ্ড গরম এবং বিক্রি কম হওয়ায় পচে যাচ্ছে এসব পেঁয়াজ।
শনিবার (১৪ মে) সকালে হিলি বন্দরে পেঁয়াজের গুদাম ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজে ভর্তি রয়েছে এসব গুদাম। গরম আর ক্রেতা সংকটের কারণে এমন হচ্ছে। নারী শ্রমিকরা পেঁয়াজ বাছাইয়ের কাজ করছেন। ভালো মানেরগুলো আলাদা করছেন। আর পচা ও অল্প খারাপগুলো মেঝেতে ঢেলে শুকানো হচ্ছে।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পারমিট শেষ হয়ে যায়। রমজানের কারণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির পারমিট বৃদ্ধি করে দেয় ৫ মে পর্যন্ত। কিন্তু ১ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকায়, পেঁয়াজ আমদানিতে ব্যর্থ হয় আমদানিকারকরা। তবে পারমিট বন্ধের কারণে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দরে। চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি।
হিলি বন্দরের রায়হান টেডার্সের ম্যানেজার আব্দুল মান্নান বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজগুলো ভারত থেকে আসছে। ওই দেশ থেকে আসতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে, এ ছাড়াও গরম। এতে পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা নষ্ট ৫০ কেজি পেঁয়াজের বস্তা ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বিক্রি করছি।
হিলি বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মনোয়ার চৌধুরী বলেন, বেচা-বিক্রি কম, গরমে পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে, অনেক লোকসান গুনতে হবে। ৩ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছি। পচাগুলোর দাম আলাদা
পচছে আমদানি পেঁয়াজ
পচছে আমদানি পেঁয়াজ
একদিকে দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে দেশি পেঁয়াজের দাম। অন্যদিকে, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পচে যাচ্ছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। ৫০ কেজি পচা পেঁয়াজের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে। আবার ভালো মানেরটা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩২ টাকা কেজি দরে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বলছে, প্রচণ্ড গরম এবং বিক্রি কম হওয়ায় পচে যাচ্ছে এসব পেঁয়াজ।শনিবার (১৪ মে) সকালে হিলি বন্দরে পেঁয়াজের গুদাম ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজে ভর্তি রয়েছে এসব গুদাম। গরম আর ক্রেতা সংকটের কারণে
এমন হচ্ছে। নারী শ্রমিকরা পেঁয়াজ বাছাইয়ের কাজ করছেন। ভালো মানেরগুলো আলাদা করছেন। আর পচা ও অল্প খারাপগুলো মেঝেতে ঢেলে শুকানো হচ্ছে।বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পারমিট শেষ হয়ে যায়। রমজানের কারণে সরকার পেঁয়াজ আমদানির পারমিট বৃদ্ধি করে দেয় ৫ মে পর্যন্ত। কিন্তু ১ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত ঈদের ছুটি থাকায়, পেঁয়াজ আমদানিতে ব্যর্থ হয় আমদানিকারকরা। তবে পারমিট বন্ধের কারণে প্রচুর পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দরে। চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি।হিলি বন্দরের
রায়হান টেডার্সের ম্যানেজার আব্দুল মান্নান বলেন, ঈদের আগে পেঁয়াজগুলো ভারত থেকে আসছে। ওই দেশ থেকে আসতে প্রায় ৭ দিন সময় লাগে, এ ছাড়াও গরম। এতে পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা নষ্ট ৫০ কেজি পেঁয়াজের বস্তা ২০ থেকে ৩০ টাকা করে বিক্রি করছি।হিলি বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মনোয়ার চৌধুরী বলেন, বেচা-বিক্রি কম, গরমে পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে, অনেক লোকসান গুনতে হবে। ৩ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছি। পচাগুলোর দাম আলাদা
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত