মইনুল ইসলাম মিতুল : পদ্মা সেতুতে তৈরি হচ্ছে রেলপথ। সেখান দিয়েই ছুটবে ট্রেন। চীন থেকে জাহাজে প্রথম ধাপে ট্রেনের ১৫টি কোচ আনা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ১০০ কোচ তৈরি করছে চীনের সিআরইসি তাংশান কোম্পানি লিমিটেড। কোচগুলোর মধ্যে রয়েছে চারটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্লিপার কার, ১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কার, ৫২টি শোভন চেয়ার কার, ১৮টি প্যান্ট্রি ও গার্ড ব্রেকসহ শোভন চেয়ার কার এবং ১০টি পাওয়ার কারসহ শোভন চেয়ার কার।
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বলেন, ১৫টি কোচ এসেছে। বাকিগুলোও জুন-জুলাইয়ের মধ্যে চলে আসবে। কোচগুলোর প্রতিটিতেই থাকবে সিসি ক্যামেরা। কোচগুলো প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে।
এই ট্রেনের বিশেষ আরেকটি দিক হলো অটো অ্যালার্ম। অর্থাৎ ট্রেনে কোনো কারণে আগুন ধরার আগেই বিশেষভাবে বসানো সেনসর অ্যালার্ম দিয়ে সতর্ক করবে। ২০২৪ সালের মধ্যে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ট্রেন চালানোর লক্ষ্য রয়েছে রেলওয়ের। সে অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। চীন থেকে আসা এসব কোচ সৈয়দপুরে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর কোচগুলো ফাইনাল ট্রায়াল দিয়ে ঠিকঠাকমতো পেলে বুঝে নেবে রেলওয়ে। যেসব কোচ আনা হচ্ছে, ওইগুলো সব ট্রায়াল দেওয়া হবে। কোনো ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করা হবে না।
প্রথমে ঠিক হয়েছিল, সেতু উদ্বোধনের সময়ই একসঙ্গে রেল ও যান চলাচল শুরু করা হবে সেতুতে। কিন্তু রেলপথ তৈরির কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তবে পদ্মা সেতুতে পাথরবিহীন রেলপথ তৈরি করা হচ্ছে। পুরোদমে তার কাজ চলছে। আগামী বছরের জুন মাসেই সেতু দিয়ে রেল সেবা শুরু করা হবে।
পদ্মা সেতু চালুর আগে যশোহর-খুলনা থেকে ঢাকা পৌঁছতে ৬ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগত। এর ফলে দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে ঢাকা-যশোর বিমান সেবার উপরেই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু বর্তমানে সেতুর জন্য ঢাকা-যশোর রুটে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে নির্ভরতা কমেছে অনেকটা।
পদ্মা সেতু চালুর পরে তিন থেকে চার ঘণ্টায় বর্তমানে যশোহর-খুলনা থেকে রাজধানী ঢাকা পৌঁছনো যাচ্ছে। ফলে অধিকাংশ যাত্রীই বিমান ছেড়ে যাতায়াতের জন্য সড়কপথকে বেছে নিচ্ছেন।
পদ্মা সেতুতে রেল লাইনের কাজ শেষ দিকে
পদ্মা সেতুতে রেল লাইনের কাজ শেষ দিকে
মইনুল ইসলাম মিতুল : পদ্মা সেতুতে তৈরি হচ্ছে রেলপথ। সেখান দিয়েই ছুটবে ট্রেন। চীন থেকে জাহাজে প্রথম ধাপে ট্রেনের ১৫টি কোচ আনা হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ১০০ কোচ তৈরি করছে চীনের সিআরইসি তাংশান কোম্পানি লিমিটেড। কোচগুলোর মধ্যে রয়েছে চারটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্লিপার কার, ১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কার, ৫২টি শোভন চেয়ার কার, ১৮টি প্যান্ট্রি ও গার্ড ব্রেকসহ শোভন চেয়ার কার এবং ১০টি পাওয়ার কারসহ শোভন চেয়ার কার। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বলেন, ১৫টি কোচ এসেছে। বাকিগুলোও জুন-জুলাইয়ের মধ্যে চলে আসবে। কোচগুলোর প্রতিটিতেই থাকবে সিসি ক্যামেরা। কোচগুলো প্রতি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। এই
ট্রেনের বিশেষ আরেকটি দিক হলো অটো অ্যালার্ম। অর্থাৎ ট্রেনে কোনো কারণে আগুন ধরার আগেই বিশেষভাবে বসানো সেনসর অ্যালার্ম দিয়ে সতর্ক করবে। ২০২৪ সালের মধ্যে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ট্রেন চালানোর লক্ষ্য রয়েছে রেলওয়ের। সে অনুযায়ী প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। চীন থেকে আসা এসব কোচ সৈয়দপুরে নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর কোচগুলো ফাইনাল ট্রায়াল দিয়ে ঠিকঠাকমতো পেলে বুঝে নেবে রেলওয়ে। যেসব কোচ আনা হচ্ছে, ওইগুলো সব ট্রায়াল দেওয়া হবে। কোনো ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করা হবে না।প্রথমে ঠিক হয়েছিল, সেতু উদ্বোধনের সময়ই একসঙ্গে রেল ও যান চলাচল শুরু করা হবে সেতুতে। কিন্তু রেলপথ তৈরির কাজ সম্পূর্ণ
না হওয়ায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। তবে পদ্মা সেতুতে পাথরবিহীন রেলপথ তৈরি করা হচ্ছে। পুরোদমে তার কাজ চলছে। আগামী বছরের জুন মাসেই সেতু দিয়ে রেল সেবা শুরু করা হবে।পদ্মা সেতু চালুর আগে যশোহর-খুলনা থেকে ঢাকা পৌঁছতে ৬ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগত। এর ফলে দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে ঢাকা-যশোর বিমান সেবার উপরেই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু বর্তমানে সেতুর জন্য ঢাকা-যশোর রুটে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে নির্ভরতা কমেছে অনেকটা।পদ্মা সেতু চালুর পরে তিন থেকে চার ঘণ্টায় বর্তমানে যশোহর-খুলনা থেকে রাজধানী ঢাকা পৌঁছনো যাচ্ছে। ফলে অধিকাংশ যাত্রীই বিমান ছেড়ে যাতায়াতের জন্য সড়কপথকে বেছে নিচ্ছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত