একসময়ের প্রাণবন্ত বুড়িগঙ্গা এখন
মৃতপ্রায়। সারা বছরই পানি থাকে ঘোলাটে; ছড়ায়
দুর্গন্ধ। দূষিত পানি ব্যবহারে ভুগতে হয় নানা রোগেশোকে। এরজন্য বিশেষভাবে দায়ী করা
হচ্ছে শিল্প কারখানার বর্জ্যকে। ১৯৯৫ সালে বর্জ্যশোধনে শোধনাগার বাধ্যতামূলক করা
হলেও মানছেন না অনেকে। যদিও পোষাক শিল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, সব টেক্সটাইল কারখানায় রয়েছে
শোধনাগার।
ঢাকার
দক্ষিণপশ্চিমে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গা একসময় ছিলো রাজধানীর ত্রাতা। দুই দশক আগে জীবিকার
তাগিদে এই জলে নৌকা চালানোকেই বেছে নেন বছোর সাতচল্লিশের মোহাম্মদ জাহিদ।
নদীতে এখন খুব কমই মাছ পাওয়া যায়।
শিল্প ও মানববর্জ্যে বর্ষাকাল ছাড়া নদীর পানি কালো থাকে। সারা বছর দুর্গন্ধ ছড়ায়।
শহরের অনেক দিনমজুরের কাছে গোসলের জন্য বুড়িগঙ্গার দূষিত পানিই ভরসা।
১৭ কোটি জনসংখ্যার আড়াই কোটির
বাস রাজধানীতে। ছোটবড় নদী ২২০টি। জনসংখ্যার বড় অংশই জীবিকা-যাতায়াতে নদীর উপর নির্ভরশীল।
পোষাক রপ্তানিতে চীনের পরই বাংলাদেশ। অনেকের অভিযোগ নদী ধ্বংসে বড় ভূমিকা এ
শিল্পের। অপরিশোধিত পয়নিষ্কাশন, নদীর
ধারে স্থপিত মিল-কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক সরাসরি পড়ছে বুড়িগঙ্গায়। পলিথিন, প্লাস্টিক নদীর গভীরে স্তূপ হয়ে আছে।
গভীররতা কোমে যাওয়ায় গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য নদী।
বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের
পক্ষ থেকে একটি ওয়েস্ট ডাম্পিং চেইনও নেই। এ কারণে নদীর ধারের বাসিন্দাদের এবং
মিল-কারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে পড়ছে।
শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিতে
দূষণের হার ছিলো সর্বোচ্চ। রিভার অ্যান্ড ডেলটা রিসার্স সেন্টার বলছে, দূষণের জন্য প্রধানত শিল্পবর্জ্য
দায়ী। ১৯৯৫ সালে নদীরক্ষায় শিল্পকারখানার জন্য বর্জ্য শোধনাগার বাধ্যতামূলক করা
হয়। অধিকাংশ শিল্পমালিক তা মানছেন না বোলে অভিযোগ। সরকার তদারকি কোরলেও লোকবল
সংকটে সবসময় তা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও গার্মেন্ট শিল্প কর্তৃপক্ষ-বিজিএমইএ বলছে, সব টেক্সটাইল কারখানায় শোধনাগার
রয়েছে।
প্রাণবন্ত বুড়িগঙ্গা এখন মৃতপ্রায়
প্রাণবন্ত বুড়িগঙ্গা এখন মৃতপ্রায়
একসময়ের প্রাণবন্ত বুড়িগঙ্গা এখন মৃতপ্রায়। সারা বছরই পানি থাকে ঘোলাটে; ছড়ায় দুর্গন্ধ। দূষিত পানি ব্যবহারে ভুগতে হয় নানা রোগেশোকে। এরজন্য বিশেষভাবে দায়ী করা হচ্ছে শিল্প কারখানার বর্জ্যকে। ১৯৯৫ সালে বর্জ্যশোধনে শোধনাগার বাধ্যতামূলক করা হলেও মানছেন না অনেকে। যদিও পোষাক শিল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, সব টেক্সটাইল কারখানায় রয়েছে শোধনাগার। ঢাকার দক্ষিণপশ্চিমে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গা একসময় ছিলো রাজধানীর ত্রাতা। দুই দশক আগে জীবিকার তাগিদে এই জলে নৌকা চালানোকেই বেছে নেন বছোর সাতচল্লিশের মোহাম্মদ জাহিদ। নদীতে এখন খুব কমই মাছ পাওয়া যায়। শিল্প
ও মানববর্জ্যে বর্ষাকাল ছাড়া নদীর পানি কালো থাকে। সারা বছর দুর্গন্ধ ছড়ায়। শহরের অনেক দিনমজুরের কাছে গোসলের জন্য বুড়িগঙ্গার দূষিত পানিই ভরসা। ১৭ কোটি জনসংখ্যার আড়াই কোটির বাস রাজধানীতে। ছোটবড় নদী ২২০টি। জনসংখ্যার বড় অংশই জীবিকা-যাতায়াতে নদীর উপর নির্ভরশীল। পোষাক রপ্তানিতে চীনের পরই বাংলাদেশ। অনেকের অভিযোগ নদী ধ্বংসে বড় ভূমিকা এ শিল্পের। অপরিশোধিত পয়নিষ্কাশন, নদীর ধারে স্থপিত মিল-কারখানায় ব্যবহৃত রাসায়নিক সরাসরি পড়ছে বুড়িগঙ্গায়। পলিথিন, প্লাস্টিক নদীর গভীরে স্তূপ হয়ে আছে। গভীররতা কোমে যাওয়ায় গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য নদী। বর্জ্য অপসারণে
সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে একটি ওয়েস্ট ডাম্পিং চেইনও নেই। এ কারণে নদীর ধারের বাসিন্দাদের এবং মিল-কারখানার বর্জ্য সরাসরি নদীতে পড়ছে। শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানিতে দূষণের হার ছিলো সর্বোচ্চ। রিভার অ্যান্ড ডেলটা রিসার্স সেন্টার বলছে, দূষণের জন্য প্রধানত শিল্পবর্জ্য দায়ী। ১৯৯৫ সালে নদীরক্ষায় শিল্পকারখানার জন্য বর্জ্য শোধনাগার বাধ্যতামূলক করা হয়। অধিকাংশ শিল্পমালিক তা মানছেন না বোলে অভিযোগ। সরকার তদারকি কোরলেও লোকবল সংকটে সবসময় তা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও গার্মেন্ট শিল্প কর্তৃপক্ষ-বিজিএমইএ বলছে, সব টেক্সটাইল কারখানায় শোধনাগার রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত