সমাপণী দিনে প্রদর্শিত হলো চার দেশের পাঁচটি সিনেমা
এর মধ্যে বাংলাদেশের দুই ছবি নির্মাতা হৃদি হকের 'সেই সব দিন' ও বিপ্লব সরকারের 'আগন্তুক' ঘিরে দর্শকের ছিল অপার আগ্রহ। আর এর মধ্য দিয়ে সমাপণ হলো ২৪ আগষ্ট থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনের উৎসবের।টরন্টো ফিল্ম ফোরামের আয়োজনে ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত এই উৎসব এবার উৎসর্গ করা হয়েছে কিংবদন্তী নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের স্মৃতির উদ্দেশ্যে।
তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রণম্য নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের বোনের মেয়ে রীতা চক্রবর্তী।এবারের উৎসবের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় স্ক্যারবরোর ২২ লেবেভিক এভিনিউ’র সিনেপ্লেক্স ওডেন এ।আর অন্য তিন দিন অর্থাৎ ২৫, ২৬, ২৭ আগস্ট চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় টরন্টোর ৩০০০ ড্যানফোর্থ এভিনিউ’র ‘মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রীনিং সেন্টার’ এ। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে ছিল শিশু চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী এবং শিশুদের জন্য একটি বিশেষ সেশন।
উদ্বোধনী দিনে কানাডা ও বাংলাদেশের দুটি পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং ইরান জার্মানী ও কানাডার তিনটি স্বল্পদৈর্ঘের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।২০১৭ সালে ছিল কানাডার ১৫০তম জনমবার্ষিকী। সেই বছরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ বহুজাতিক এই দেশটির প্রতি গভীর ভালোবাসা জানানোর জন্যই টরন্টো ফিল্ম ফোরামের এই চলচ্চিত্র উৎসবের নামকরণ করা হয় টরন্টো ‘মাল্টিকালচারাল’ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল।
এই চলচ্চিত্র উৎসবটি ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে পৃথিবীর স্বাধীন ও বিকল্পধারার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একটি গ্রহণীয় সংগঠন। এ বছর ১২২ টি দেশ থেকে এই চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য প্রায় ৪ হাজার বিভিন্ন দৈর্ঘ্য ও আঙ্গিকের চলচ্চিত্র জমা পড়েছে। সেখান থেকে প্রায় ২৬টি দেশের ৪৪টির মত চলচ্চিত্র দেখানো হয়।
ফেস্টিভ্যাল ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত।
তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রণম্য নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের বোনের মেয়ে রীতা চক্রবর্তী।এবারের উৎসবের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় স্ক্যারবরোর ২২ লেবেভিক এভিনিউ’র সিনেপ্লেক্স ওডেন এ।আর অন্য তিন দিন অর্থাৎ ২৫, ২৬, ২৭ আগস্ট চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় টরন্টোর ৩০০০ ড্যানফোর্থ এভিনিউ’র ‘মাল্টিকালচারাল ফিল্ম স্ক্রীনিং সেন্টার’ এ। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে ছিল শিশু চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী এবং শিশুদের জন্য একটি বিশেষ সেশন।
উদ্বোধনী দিনে কানাডা ও বাংলাদেশের দুটি পূর্ণ দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং ইরান জার্মানী ও কানাডার তিনটি স্বল্পদৈর্ঘের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।২০১৭ সালে ছিল কানাডার ১৫০তম জনমবার্ষিকী। সেই বছরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ বহুজাতিক এই দেশটির প্রতি গভীর ভালোবাসা জানানোর জন্যই টরন্টো ফিল্ম ফোরামের এই চলচ্চিত্র উৎসবের নামকরণ করা হয় টরন্টো ‘মাল্টিকালচারাল’ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল।
এই চলচ্চিত্র উৎসবটি ইতোমধ্যে হয়ে উঠেছে পৃথিবীর স্বাধীন ও বিকল্পধারার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের একটি গ্রহণীয় সংগঠন। এ বছর ১২২ টি দেশ থেকে এই চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য প্রায় ৪ হাজার বিভিন্ন দৈর্ঘ্য ও আঙ্গিকের চলচ্চিত্র জমা পড়েছে। সেখান থেকে প্রায় ২৬টি দেশের ৪৪টির মত চলচ্চিত্র দেখানো হয়।
ফেস্টিভ্যাল ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত।