যানবাহন ছাড়া
ফিলিং স্টেশন থেকে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সরবরাহ নিষিদ্ধ। তবুও সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে
খোলা সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। গাড়ির জন্য বরাদ্দ গ্যাস এখন ব্যবহার হচ্ছে কলকারখানা, বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব বাণিজ্যিক কাজে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। সাধারণত গ্যাসের চাপ কম থাকার অজুহাতে যেসব সিএনজি স্টেশন দিনেরবেলায় যানবাহন ফিরিয়ে দেয়, সন্ধ্যার পর তারাই তৎপর হয়ে ওঠে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রিতে।
খোঁজ
নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা চট্টগ্রাম
মহাসড়কে যে সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এসবের মধ্যে দু-একটি স্টেশন বাদে বেশির ভাগ স্টেশন থেকেই ভ্যানে বা কাভার্ড ভ্যানে করে সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ও
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, আকারভেদে ৬০, ৯০ ও ১৩০ লিটার ধারণক্ষমতার সিলিন্ডার ভ্যানে স্থাপন করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণভাবে রিকশা-ভ্যান কিংবা কাভার্ডভ্যানে স্থাপিত সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
দিন
কিংবা রাত সবসময়ই সিএনজি স্টেশনগুলো থেকে রিকশা-ভ্যান ও কাভার্ডভ্যানে করে আনা বহু সিলিন্ডারে দেয়া হচ্ছে সিএনজি গ্যাস। যাত্রাবাড়ী ক্যাব এক্সপ্রেস সিএনজি, রানা সিএনজি, গজারিয়ায় ফিদা সিএনজি স্টেশন ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
গত
সোমবার রাত ১০টায় যাত্রাবাড়ী ক্যাব এক্সপ্রেস এলাকার সিএনজি স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ও বাহিরে সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষমাণ বেশ কয়েকটি সিলিন্ডারবাহী ভ্যান। পাশেই একটি কাভার্ডভ্যানের ভেতরে মিলল বিশেষ কায়দায় স্থাপন করা ৩০টি বড় আকারের সিলিন্ডার। আরও কয়েকটি সিলিন্ডারবাহী মিনি কাভার্ডভ্যান সিএনজি স্টেশনের পাশে অপেক্ষমাণ। এসব সিলিন্ডারে সিএনজি স্টেশন থেকে রিফিল করা হচ্ছিল রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি)। যানবাহন ছাড়া অন্য কোথাও সিএনজি বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও স্টেশন কর্তৃপক্ষ মানছে না তা।
সিলিন্ডারে গ্যাস নিতে
আসা দুই ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় নিয়মিত এই স্টেশন থেকে গ্যাস নেয়া হয়।
কারখানায় রাতে
গ্যাসলাইনে চাপ কম থাকায় অবৈধভাবে সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে বয়লার চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করেও কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিস্ফোরক পরিদপ্তরের উপপ্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক ড.
মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘অনুমোদিত কনভারসন সেন্টার থেকে গাড়িতে লাগানো সিলিন্ডার ব্যতীত খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বেআইনি। সিএনজি স্টেশনগুলোকে খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরও যদি কেউ খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ করে, তাহলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
পরিবহনের জ্বালানি পাচার হচ্ছে শিল্প কারখানায়
পরিবহনের জ্বালানি পাচার হচ্ছে শিল্প কারখানায়
যানবাহন ছাড়া ফিলিং স্টেশন থেকে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সরবরাহ নিষিদ্ধ। তবুও সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে খোলা সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। গাড়ির জন্য বরাদ্দ গ্যাস এখন ব্যবহার হচ্ছে কলকারখানা, বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব বাণিজ্যিক কাজে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহের কারণে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। সাধারণত গ্যাসের চাপ কম থাকার অজুহাতে যেসব সিএনজি স্টেশন দিনেরবেলায় যানবাহন ফিরিয়ে দেয়, সন্ধ্যার পর তারাই তৎপর হয়ে ওঠে অবৈধভাবে গ্যাস বিক্রিতে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে যে সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এসবের মধ্যে দু-একটি স্টেশন বাদে বেশির ভাগ স্টেশন থেকেই ভ্যানে বা কাভার্ড ভ্যানে করে সিলিন্ডারে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, আকারভেদে ৬০, ৯০ ও
১৩০ লিটার ধারণক্ষমতার সিলিন্ডার ভ্যানে স্থাপন করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণভাবে রিকশা-ভ্যান কিংবা কাভার্ডভ্যানে স্থাপিত সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করা না গেলে ঘটতে পারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।দিন কিংবা রাত সবসময়ই সিএনজি স্টেশনগুলো থেকে রিকশা-ভ্যান ও কাভার্ডভ্যানে করে আনা বহু সিলিন্ডারে দেয়া হচ্ছে সিএনজি গ্যাস। যাত্রাবাড়ী ক্যাব এক্সপ্রেস সিএনজি, রানা সিএনজি, গজারিয়ায় ফিদা সিএনজি স্টেশন ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।গত সোমবার রাত ১০টায় যাত্রাবাড়ী ক্যাব এক্সপ্রেস এলাকার সিএনজি স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ও বাহিরে সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষমাণ বেশ কয়েকটি সিলিন্ডারবাহী ভ্যান। পাশেই একটি কাভার্ডভ্যানের ভেতরে মিলল বিশেষ কায়দায় স্থাপন করা ৩০টি বড় আকারের সিলিন্ডার। আরও কয়েকটি সিলিন্ডারবাহী মিনি কাভার্ডভ্যান সিএনজি স্টেশনের পাশে অপেক্ষমাণ। এসব সিলিন্ডারে সিএনজি স্টেশন থেকে রিফিল করা হচ্ছিল রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি)। যানবাহন ছাড়া অন্য কোথাও সিএনজি
বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও স্টেশন কর্তৃপক্ষ মানছে না তা।সিলিন্ডারে গ্যাস নিতে আসা দুই ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় নিয়মিত এই স্টেশন থেকে গ্যাস নেয়া হয়।কারখানায় রাতে গ্যাসলাইনে চাপ কম থাকায় অবৈধভাবে সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে বয়লার চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এ বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করেও কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিস্ফোরক পরিদপ্তরের উপপ্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শক ড. মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ‘অনুমোদিত কনভারসন সেন্টার থেকে গাড়িতে লাগানো সিলিন্ডার ব্যতীত খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বেআইনি। সিএনজি স্টেশনগুলোকে খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ না করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরও যদি কেউ খোলা সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ করে, তাহলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত