কালজয়ী একুশে গানের রচয়িতা, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার লন্ডনের বার্নেট হাসপাতালে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ খবর নিশ্চিত করেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরীর কেয়ারার জাহানরা ঝর্ণা। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য কিডনি জনিত রোগে ভুগছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এই প্রখ্যাত সাংবাদিক।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত আবদুল গাফফার চৌধুরীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় আবদুল গাফফার চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর লেখনি বিশেষ করে- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ এক অমর সৃষ্টি। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর প্রকাশিত পত্রিকা ‘জয় বাংলা’ মুক্তিযোদ্ধাদের যথেষ্ট অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।”
আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দেশপ্রেমিক কলমযোদ্ধাকে হারিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মরহুম আবদুল গাফফার চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই
প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই
কালজয়ী একুশে গানের রচয়িতা, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবদুল গাফফার চৌধুরী আর নেই। আজ বৃহস্পতিবার লন্ডনের বার্নেট হাসপাতালে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এ খবর নিশ্চিত করেছেন আবদুল গাফফার চৌধুরীর কেয়ারার জাহানরা ঝর্ণা। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য কিডনি জনিত রোগে ভুগছিলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত এই প্রখ্যাত সাংবাদিক।তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত আবদুল গাফফার চৌধুরীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, “বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় আবদুল গাফফার চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এবং আমাদের মুক্তিসংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর লেখনি বিশেষ করে-
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ এক অমর সৃষ্টি। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁর প্রকাশিত পত্রিকা ‘জয় বাংলা’ মুক্তিযোদ্ধাদের যথেষ্ট অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।”আবদুল গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন দেশপ্রেমিক কলমযোদ্ধাকে হারিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মরহুম আবদুল গাফফার চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত