সরকারি চাকরিতে কর্মচারীদের প্রমোশন খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু সাজাপ্রাপ্ত কর্মচারীরা যখন সাজা এড়িয়ে প্রমোশন পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে তখন ব্যাপারটা আলোচনায় আসে। ঠিক যেমনিভাবে আলোচনায় এসেছে মোহাম্মদ জমির হোসেন (পরিচিতি নং ২০১৪২০০০১৫) মোটরযান পরিদর্শক, বিআরটিএ বরিশাল বিভাগীয় অফিস। এবং মীর্জা মাহমুদুর রশিদ (পরিচিতি নং ২০১৬৩২০১১৩) মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট, বিআরটিএ রংপুর সার্কেল।
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে পুরুষ্কার হিসেবে সাজা পাওয়া কর্মচারী, (অর্থাৎ ২৫/০২/২০২৫ তারিখে বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় বিআরটি’র নির্বাহী মেজিস্ট্রেট কর্তৃক বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেল (ইকুরিয়) কেরাণীগঞ্জ এর ড্রাইভিং লাইসেন্স বোর্ড পরীক্ষা কেন্দ্র গাবতলী বিআরটিসি বাস ডিপোতে অভিযান পরিচালনা কালে অফিস কক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহ কয়েকজন দালাল আটক করে এবং কারাদণ্ড প্রদান করে। উল্লেখ্য যে, গত ০২.০১.২০২৫ খ্রি: তারিখের ৩৫.০৩.০০০০.০০১.৩৩.০৪৬.২৩-১৯ নং স্মারক মোতাবেক বিআরটি’র সকল অফিস থেকে দালাল মুক্ত করণের জন্য পত্র দেওয়া হলেও, উক্ত পত্রের নির্দেশনা অমান্য করে দালাল প্রবেশে সহযোগিতা করা এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ২(খ) অনুযায়ী অসদাচারণ এবং একই বিধিমালার ৩(খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মোটরযান পরিদর্শক, মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট ও উচ্চমান সহকারীর দুর্নীতি ও দালাল চক্রের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হাতেনাতে পাওয়ায় গত ০৪/০৩/২০২৫ তারিখে তাদেরকে সাময়িক বরখাস্তসহ বদলীর আদেশ দেওয়া হয়।)
একই তারিখে বদলি আদেশে-
⦁ স্মারক নং ৩৫.০৩.০০০০.০০১.১৯.১৭৬.২৪-৪৪৬ এ মোহাম্মদ জমির হোসেন (পরিচিতি নং ২০১৪২০০০১৫) মোটরযান পরিদর্শক, বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেল থেকে বরিশাল বিভাগীয় অফিসে বদলি হয়ে যায়।
⦁ স্মারক নং ৩৫.০৩.০০০০.০০১.১৯.১৭৬.২৪-৪৪৪ এ মীর্জা মাহমুদুর রশিদ (পরিচিতি নং ২০১৬৩২০১১৩) মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট, বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেল থেকে বিআরটিএ রংপুর সার্কেলে বদলি হয়ে যায়।
তখন তাদের এই সাজার কারণেই তাদের প্রমোশন স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সেময়ে দেখা যাচ্ছে, তারা প্রমোশন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তার সাথে এ নিয়ে তাদের জোর তৎপরতাও চলছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায় টাকার বিনিময়ে তারা এই তৎপরতা চালাচ্ছে। এখানে প্রশ্ন থেকে যায় তারা প্রচলিত নিয়মে তাদের শাস্তি পাবে নাকি প্রমোশন পেয়ে যাবে?
গত ১৯/০৯/২০২৫ তারিখে পত্রিকায় এ নিয়ে সংবাদ প্রচার হলে তাদের তৎপরতা আরও বেড়ে যায়। আরও যানা যায় বিআরটিএ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এ ব্যপারে তারা শাস্তি কমানোর জন্য এবং প্রমোশন পাওয়ার জন্য জোর তদবির করছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে পুরুষ্কার হিসেবে সাজা পাওয়া কর্মচারী, (অর্থাৎ ২৫/০২/২০২৫ তারিখে বেলা ৩:৪৫ ঘটিকায় বিআরটি’র নির্বাহী মেজিস্ট্রেট কর্তৃক বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেল (ইকুরিয়) কেরাণীগঞ্জ এর ড্রাইভিং লাইসেন্স বোর্ড পরীক্ষা কেন্দ্র গাবতলী বিআরটিসি বাস ডিপোতে অভিযান পরিচালনা কালে অফিস কক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহ কয়েকজন দালাল আটক করে এবং কারাদণ্ড প্রদান করে। উল্লেখ্য যে, গত ০২.০১.২০২৫ খ্রি: তারিখের ৩৫.০৩.০০০০.০০১.৩৩.০৪৬.২৩-১৯ নং স্মারক মোতাবেক বিআরটি’র সকল অফিস থেকে দালাল মুক্ত করণের জন্য পত্র দেওয়া হলেও, উক্ত পত্রের নির্দেশনা অমান্য করে দালাল প্রবেশে সহযোগিতা করা এবং তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ২(খ) অনুযায়ী অসদাচারণ এবং একই বিধিমালার ৩(খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মোটরযান পরিদর্শক, মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট ও উচ্চমান সহকারীর দুর্নীতি ও দালাল চক্রের সাথে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হাতেনাতে পাওয়ায় গত ০৪/০৩/২০২৫ তারিখে তাদেরকে সাময়িক বরখাস্তসহ বদলীর আদেশ দেওয়া হয়।)
একই তারিখে বদলি আদেশে-
⦁ স্মারক নং ৩৫.০৩.০০০০.০০১.১৯.১৭৬.২৪-৪৪৬ এ মোহাম্মদ জমির হোসেন (পরিচিতি নং ২০১৪২০০০১৫) মোটরযান পরিদর্শক, বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেল থেকে বরিশাল বিভাগীয় অফিসে বদলি হয়ে যায়।
⦁ স্মারক নং ৩৫.০৩.০০০০.০০১.১৯.১৭৬.২৪-৪৪৪ এ মীর্জা মাহমুদুর রশিদ (পরিচিতি নং ২০১৬৩২০১১৩) মেকানিক্যাল এসিস্ট্যান্ট, বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেল থেকে বিআরটিএ রংপুর সার্কেলে বদলি হয়ে যায়।
তখন তাদের এই সাজার কারণেই তাদের প্রমোশন স্থগিত হয়ে যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সেময়ে দেখা যাচ্ছে, তারা প্রমোশন পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তার সাথে এ নিয়ে তাদের জোর তৎপরতাও চলছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায় টাকার বিনিময়ে তারা এই তৎপরতা চালাচ্ছে। এখানে প্রশ্ন থেকে যায় তারা প্রচলিত নিয়মে তাদের শাস্তি পাবে নাকি প্রমোশন পেয়ে যাবে?
গত ১৯/০৯/২০২৫ তারিখে পত্রিকায় এ নিয়ে সংবাদ প্রচার হলে তাদের তৎপরতা আরও বেড়ে যায়। আরও যানা যায় বিআরটিএ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এ ব্যপারে তারা শাস্তি কমানোর জন্য এবং প্রমোশন পাওয়ার জন্য জোর তদবির করছে।