শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় অবস্থিত (মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়) পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ এরশাদ হোসেন খান।
এমপিও ভুক্ত করনের দাবি জানালেন সচেতন মহল।
পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক নূর-মোহাম্মদ, পোরশা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাজমুল হাসান।এসময় মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এর
সভাপতি মোসাঃ সালমা আক্তার, প্রধান শিক্ষক মোঃ মওদুদ আহম্মেদ সহ বিদ্যলয়টির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শাহজাহান আলী মাষ্টার ও স্থানিয় সংবাদ কর্মীরা সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোঃ মওদুদ আহম্মেদ জানান, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পূর্বে প্রতিবন্ধীদের সেবা সহ ও শিক্ষা দেওয়ার লক্ষনিয়ে ২০১৩ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। সে সময় মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় টি ৬৩ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে পথ চলা শুরু করলেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভালোবাসা পেয়ে প্রতিবন্ধীরা তুলনা মূলক অনেটাই স্বাভাবিক বা আচারন গতভাবে গড়ে ওঠার কারনে বিদ্যালয়টি খুব দ্রুত এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। যার ফলে দিনদিন বাড়তে থাকে শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও। প্রধান শিক্ষক আরো জানান, ইতি মধ্যেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৩২০ জন হয়েছে। তবে সরকারি কোন সুযোগ বা সুবিধা এতোদিন তেমন না পেলেও বিভিন্ন দানশীলদের আর্থিক সহযোগীতায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া সহ বিভিন্ন খরচ বহন করা হতো।

আর বিনা বেতনে শিক্ষক, শিক্ষিকা সহ মোট ১২ জন কর্মচারীরা দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে শ্রমদিয়ে আসছেন। এমনকি জরুরী সংকট মহূর্তে নিজেরাই সাধ্যমত অর্থদিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছিলেন। এ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক কষ্ট ও শ্রমদিতে হয়েছে বিদ্যালয় এর ১২ জন শিক্ষক কর্মচারী স্টাফদের। এক পর্যায়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও কর্মচারীদের মানবেতর জীবন-যাপনের করুন কাহিনী জানতে পেরে ইতি পূর্বেই জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তারা ও বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এমনকি দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এবিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের দেখতে এসে অনেকেই প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে খাবার বা খেলনা সামগ্রী ও দেন। এভাবেই মানবেতর জীবন-যাপনের ভেতর থেকেই শিক্ষক সহ কর্মচারীরা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়া সহ তাদের যত্নও নেয়।
প্রধান শিক্ষক আরো জানান, আমরা ১২ জন স্টাফ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে বিনা বেতনে শ্রম ও অর্থদিয়ে আসাকালে নওগাঁ জেলা প্রশাসক মহোদয় এর মাধ্যমে কয়েক বার আবেদন করার পর পরিশেষে ২০২০ইং সালে স্বীকৃতি ও এমপিও ভুক্তির জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনে আবেদন চাওয়া হলে আবেদন এর সকল শর্ত মেনে ফের আবেদন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় স্বারক নম্বর-৪১.০০.০০০০.০০১.৩৫.১৩(১).৩১১ তারিখ-১৬/০৩/২০২৩ মূলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ এরশাদ হোসেন খান মহোদয় ও নওগাঁ সমাজসেবা অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক নূর-মোহাম্মদ মহোদয় বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা ও কুশল বিনিময় করেন। ৩২০ জন শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধীদের কথা বিবেচনা করে অতিদ্রুত বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত বা সরকারি করনের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল সহ সর্বসাধারন।
প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন উপ-সচিব, এমপিও ভুক্ত করনের দাবি
প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শন করলেন উপ-সচিব, এমপিও ভুক্ত করনের দাবি
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :নওগাঁর পোরশা উপজেলায় অবস্থিত (মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়) পরিদর্শন করলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ এরশাদ হোসেন খান। এমপিও ভুক্ত করনের দাবি জানালেন সচেতন মহল।পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক নূর-মোহাম্মদ, পোরশা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাজমুল হাসান।এসময় মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এরসভাপতি মোসাঃ সালমা আক্তার, প্রধান শিক্ষক মোঃ মওদুদ আহম্মেদ সহ বিদ্যলয়টির প্রতিষ্ঠাতা মোঃ শাহজাহান আলী মাষ্টার ও স্থানিয় সংবাদ কর্মীরা সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোঃ মওদুদ আহম্মেদ জানান, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর পূর্বে প্রতিবন্ধীদের সেবা সহ ও শিক্ষা দেওয়ার লক্ষনিয়ে ২০১৩ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি। সে সময় মোবারক হোসেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় টি ৬৩ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে পথ চলা শুরু করলেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভালোবাসা পেয়ে প্রতিবন্ধীরা তুলনা মূলক অনেটাই স্বাভাবিক বা আচারন গতভাবে গড়ে ওঠার কারনে
বিদ্যালয়টি খুব দ্রুত এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। যার ফলে দিনদিন বাড়তে থাকে শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও। প্রধান শিক্ষক আরো জানান, ইতি মধ্যেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে ৩২০ জন হয়েছে। তবে সরকারি কোন সুযোগ বা সুবিধা এতোদিন তেমন না পেলেও বিভিন্ন দানশীলদের আর্থিক সহযোগীতায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া সহ বিভিন্ন খরচ বহন করা হতো। আর বিনা বেতনে শিক্ষক, শিক্ষিকা সহ মোট ১২ জন কর্মচারীরা দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে শ্রমদিয়ে আসছেন। এমনকি জরুরী সংকট মহূর্তে নিজেরাই সাধ্যমত অর্থদিয়ে বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছিলেন। এ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক কষ্ট ও শ্রমদিতে হয়েছে বিদ্যালয় এর ১২ জন শিক্ষক কর্মচারী স্টাফদের। এক পর্যায়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষক ও কর্মচারীদের মানবেতর জীবন-যাপনের করুন কাহিনী জানতে পেরে ইতি পূর্বেই জেলা ও উপজেলার কর্মকর্তারা ও বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এমনকি দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন এবিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের দেখতে এসে অনেকেই প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে খাবার
বা খেলনা সামগ্রী ও দেন। এভাবেই মানবেতর জীবন-যাপনের ভেতর থেকেই শিক্ষক সহ কর্মচারীরা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়া সহ তাদের যত্নও নেয়। প্রধান শিক্ষক আরো জানান, আমরা ১২ জন স্টাফ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে বিনা বেতনে শ্রম ও অর্থদিয়ে আসাকালে নওগাঁ জেলা প্রশাসক মহোদয় এর মাধ্যমে কয়েক বার আবেদন করার পর পরিশেষে ২০২০ইং সালে স্বীকৃতি ও এমপিও ভুক্তির জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে অনলাইনে আবেদন চাওয়া হলে আবেদন এর সকল শর্ত মেনে ফের আবেদন করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় স্বারক নম্বর-৪১.০০.০০০০.০০১.৩৫.১৩(১).৩১১ তারিখ-১৬/০৩/২০২৩ মূলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ এরশাদ হোসেন খান মহোদয় ও নওগাঁ সমাজসেবা অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক নূর-মোহাম্মদ মহোদয় বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা ও কুশল বিনিময় করেন। ৩২০ জন শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধীদের কথা বিবেচনা করে অতিদ্রুত বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত বা সরকারি করনের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল সহ সর্বসাধারন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত