পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশের মোট মুগডাল উৎপাদনের শতকরা ৫৫ ভাগ হচ্ছে পটুয়াখালীতেই। এখানের উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে জাপানে রপ্তানী হচ্ছে। এটির উৎপাদন আরো ব্যাপক হারে ছডিয়ে দেয়া গেলে অর্থনিতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে। এছাড়া চাহিদার মাত্র দশভাগ দেশে উৎপাদন হয়, বাকিটা বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে বাইরে থেকে আমদানী করতে হয়। তাই দেশের উৎপাদনের মাত্রা পটুয়াখালীর মত সারাদেশে বাড়াতে হবে। সোমবার দুপুরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুরে মুগডালের মাঠ পরিদর্শন ও কৃষকের সাথে মতবিনিময় কালে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, "পটুয়াখালীতে আগে কৃষকেরা শুধুমাত্র ধান চাষ করত। শুকনা মৌসুমে লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে অন্য কোন ফসলের চাষ করা যেতনা। কৃষি মন্ত্রনালয় এ অঞ্চলে ডাল চাষের উদ্যেগ নেয়। কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি মুগ ৬ চাষ করে এখানকার কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে। এতে আমরা এলাকাভিত্তিক ফসল বিন্যাসের চেষ্টা করছি।
“পটুয়াখালীর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু পানি সংকট। খালগুলো ভরে গেছে, সেচের ব্যাবস্থা নাই, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো কাজ করেনা। তাই দক্ষিণাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এই এলাকার কৃষিতে একটি বিপ্লব নিয়ে আসবে যাতে দক্ষিণাঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনিতিতে একটি বড় ভুমিকা রাখতে পারে। দেশকে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ন করতে কোন জমি যাতে আর অনাবাদি না থাকে সেজন্য কৃষি গবেষনা ইনিস্টটিউট গবেষনার মাধমে আবহাওয়া সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করছে। এসব ফসল উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রনালয় থেকে কৃষকদেরকে সার, উন্নতমানের বীজ ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন প্রনোদনা দিয়ে সহযোগীতা করা হচ্ছে। সমতল ভুমিতে কোন কোন অঞ্চলে চাষীরা সারা বছরে তিন থেকে চারটি ফসল উৎপাদন করে।
তিনি আরো বলেন, পটুয়াখালীতে কৃষি যন্ত্রের ব্যাবহার নেই কৃষকেরা যাতে এসব যন্ত্রপাতি কিনে ব্যাবহার করতে পারে সেজন্য ভর্তুকীর ব্যাপারে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নেবো। এছাড়া মুগডাল মাড়াইয়ের জন্য একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট এটি ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।” জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সাংসদ কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. মোঃ শাহজাহান কবীর, কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. দেবাশিষ সরকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নানসহ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন। পরে কালিকাপুর ইউনিয়নের শারিকখালীতে বোরো প্রদর্শনীর নমুনা ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসে অংশগ্রহন করেন মন্ত্রী। পটুয়াখালীতে এ বছর ৮৬ হাজার ৪শ ৩১ হেক্টর জমিতে মুগের অাবাদ করা হয়েছে। লক্ষমাত্র ধরা হয়েছে ১লাখ ৩১ হাজার ২শ ৫০ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে ৬৫ ভাগ মুড ডাল ফসল ঘরে তোলা হলেও ঘূর্ণিঝড় অশনীর প্রভাবে ভারী বর্ষনে লক্ষমাত্রা অর্জন ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
পটুয়াখালীর উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে
পটুয়াখালীর উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃবাংলাদেশের মোট মুগডাল উৎপাদনের শতকরা ৫৫ ভাগ হচ্ছে পটুয়াখালীতেই। এখানের উৎপাদিত ডাল দেশের গন্ডি পেরিয়ে জাপানে রপ্তানী হচ্ছে। এটির উৎপাদন আরো ব্যাপক হারে ছডিয়ে দেয়া গেলে অর্থনিতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে। এছাড়া চাহিদার মাত্র দশভাগ দেশে উৎপাদন হয়, বাকিটা বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে বাইরে থেকে আমদানী করতে হয়। তাই দেশের উৎপাদনের মাত্রা পটুয়াখালীর মত সারাদেশে বাড়াতে হবে। সোমবার দুপুরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুরে মুগডালের মাঠ পরিদর্শন ও কৃষকের সাথে মতবিনিময় কালে কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, "পটুয়াখালীতে আগে কৃষকেরা শুধুমাত্র ধান চাষ করত। শুকনা মৌসুমে লবনাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানে অন্য কোন ফসলের চাষ করা যেতনা। কৃষি মন্ত্রনালয় এ অঞ্চলে ডাল চাষের উদ্যেগ নেয়। কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউট উদ্ভাবিত বারি মুগ ৬ চাষ করে এখানকার কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে। এতে আমরা এলাকাভিত্তিক ফসল বিন্যাসের চেষ্টা করছি।“পটুয়াখালীর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু পানি সংকট। খালগুলো ভরে গেছে,
সেচের ব্যাবস্থা নাই, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্লুইস গেটগুলো কাজ করেনা। তাই দক্ষিণাঞ্চলের কৃষির উন্নয়নে তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। এই এলাকার কৃষিতে একটি বিপ্লব নিয়ে আসবে যাতে দক্ষিণাঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনিতিতে একটি বড় ভুমিকা রাখতে পারে। দেশকে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ন করতে কোন জমি যাতে আর অনাবাদি না থাকে সেজন্য কৃষি গবেষনা ইনিস্টটিউট গবেষনার মাধমে আবহাওয়া সহিষ্ণু বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন করছে। এসব ফসল উৎপাদনে কৃষি মন্ত্রনালয় থেকে কৃষকদেরকে সার, উন্নতমানের বীজ ও প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন প্রনোদনা দিয়ে সহযোগীতা করা হচ্ছে। সমতল ভুমিতে কোন কোন অঞ্চলে চাষীরা সারা বছরে তিন থেকে চারটি ফসল উৎপাদন করে।তিনি আরো বলেন, পটুয়াখালীতে কৃষি যন্ত্রের ব্যাবহার নেই কৃষকেরা যাতে এসব যন্ত্রপাতি কিনে ব্যাবহার করতে পারে সেজন্য ভর্তুকীর ব্যাপারে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নেবো। এছাড়া মুগডাল মাড়াইয়ের জন্য একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট এটি ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের
কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।” জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সাংসদ কাজী কানিজ সুলতানা হেলেন, কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. মোঃ শাহজাহান কবীর, কৃষি গবেষনা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচাক ড. দেবাশিষ সরকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নানসহ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন। পরে কালিকাপুর ইউনিয়নের শারিকখালীতে বোরো প্রদর্শনীর নমুনা ফসল কর্তন ও মাঠ দিবসে অংশগ্রহন করেন মন্ত্রী। পটুয়াখালীতে এ বছর ৮৬ হাজার ৪শ ৩১ হেক্টর জমিতে মুগের অাবাদ করা হয়েছে। লক্ষমাত্র ধরা হয়েছে ১লাখ ৩১ হাজার ২শ ৫০ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে ৬৫ ভাগ মুড ডাল ফসল ঘরে তোলা হলেও ঘূর্ণিঝড় অশনীর প্রভাবে ভারী বর্ষনে লক্ষমাত্রা অর্জন ব্যাহত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত