শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :
নওগাঁয় পুকুর থেকে মিতু আক্তার (১৩) নামে এক কিশোরী ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ছাত্রীর হাত ও পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিশোরী মিতু আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন পুলিশ সহ স্থানিয়রা। হত্যা কান্ডের শিকার কিশোরী মিতু আক্তার নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়ন এর স্বরুপপুর গ্রামের মঈনুল ইসলাম ময়েন এর মেয়ে। রবিবার দুপুরে মহাদেবপুর থানা ও নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন।
হত্যাকান্ডের শিকার কিশোরী মিতু আক্তার এর বাবা জানান, রবিবার ভোর ৪টার দিকে তিনি তার ছেলে রাকিব হাসান ও মেয়ে মিতু আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরে কিছুটা মাছ মেয়ের হাতে বাড়িতে পাঠান। মাছ ধরার এক পর্যায়ে সকাল ৬টার দিকে বাড়িতে ফিরে তার মেয়ে মিতু আক্তারকে দেখতে না পেয়ে তার মাকে মেয়ে কোথায় জানতে চাইলে। বাড়ি থেকে জানানো হয় মাছ দিয়ে সে সময়-ই ফের মিতু আক্তার বাড়ি থেকে বের হয়েছে। এরপর তাকে খোজা খুজির পর এক পর্যায়ে প্রতিবেশি দুলাল হোসেন এর স্ত্রী ছাবিনা বেগম তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে হাত ও পা বাঁধা মিতু আক্তার এর মৃতদেহ দেখতে পেলে মহূর্তের মধ্যেই জানাজানি হয়।
মিতু আক্তার এর বাবা মঈনুল ইসলাম ময়েন আরো জানান, তার ছেলে রাকিব এর সাথে স্বরুপপুর আদর্শ গ্রামে বসবাসকারি জৈনক সাইফুল ইসলাম (৫০) তার মেয়ের বিয়ে দেয়ার নাম করে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
এনিয়ে কিছুদিন আগে তার সাথে বিরোধ হয়। সেই বিরোধ এর জের ধরে তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।
হাত ও পা বাঁধা কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার এর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন প্রতিবেদক কে জানান, হাত ও পা বাঁধা কিশোরীর মৃতদেহ এর খবর পেয়ে তিনি নিজে, মহাদেবপুর সার্কেল ''অতিরিক্ত পুলিশ সুপার'' জয়ব্রত পাল, থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ সঙ্গীয় অফিসার ও পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন করার পর ঘটনাস্থলে প্রাথমিক সুরত হাল রিপোর্ট অন্তে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইতি মধ্যেই ঘটনা উদর্ঘাটন সহ জড়ীতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পুকুর থেকে স্কুল ছাত্রীর হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার
পুকুর থেকে স্কুল ছাত্রীর হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টার :নওগাঁয় পুকুর থেকে মিতু আক্তার (১৩) নামে এক কিশোরী ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ছাত্রীর হাত ও পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিশোরী মিতু আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন পুলিশ সহ স্থানিয়রা। হত্যা কান্ডের শিকার কিশোরী মিতু আক্তার নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়ন এর স্বরুপপুর গ্রামের মঈনুল ইসলাম ময়েন এর মেয়ে। রবিবার দুপুরে মহাদেবপুর থানা ও নওহাটামোড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন।হত্যাকান্ডের শিকার কিশোরী মিতু আক্তার এর বাবা জানান, রবিবার ভোর ৪টার দিকে তিনি তার ছেলে রাকিব হাসান ও মেয়ে মিতু আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে মাছ
ধরতে যান। মাছ ধরে কিছুটা মাছ মেয়ের হাতে বাড়িতে পাঠান। মাছ ধরার এক পর্যায়ে সকাল ৬টার দিকে বাড়িতে ফিরে তার মেয়ে মিতু আক্তারকে দেখতে না পেয়ে তার মাকে মেয়ে কোথায় জানতে চাইলে। বাড়ি থেকে জানানো হয় মাছ দিয়ে সে সময়-ই ফের মিতু আক্তার বাড়ি থেকে বের হয়েছে। এরপর তাকে খোজা খুজির পর এক পর্যায়ে প্রতিবেশি দুলাল হোসেন এর স্ত্রী ছাবিনা বেগম তাদের বাড়ির পাশের পুকুরে হাত ও পা বাঁধা মিতু আক্তার এর মৃতদেহ দেখতে পেলে মহূর্তের মধ্যেই জানাজানি হয়।মিতু আক্তার এর বাবা মঈনুল ইসলাম ময়েন আরো জানান, তার ছেলে রাকিব এর সাথে স্বরুপপুর আদর্শ গ্রামে বসবাসকারি জৈনক সাইফুল ইসলাম (৫০) তার মেয়ের বিয়ে দেয়ার নাম করে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এনিয়ে কিছুদিন আগে তার সাথে
বিরোধ হয়। সেই বিরোধ এর জের ধরে তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।হাত ও পা বাঁধা কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার এর সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন প্রতিবেদক কে জানান, হাত ও পা বাঁধা কিশোরীর মৃতদেহ এর খবর পেয়ে তিনি নিজে, মহাদেবপুর সার্কেল ''অতিরিক্ত পুলিশ সুপার'' জয়ব্রত পাল, থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ সঙ্গীয় অফিসার ও পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন করার পর ঘটনাস্থলে প্রাথমিক সুরত হাল রিপোর্ট অন্তে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইতি মধ্যেই ঘটনা উদর্ঘাটন সহ জড়ীতদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। এব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত