বাংলাদেশের পুলিশের রয়েছে একটি দীর্ঘ, ঐতিহাসিক ও গৌরবময় অতীত। সমাজ-সংস্কৃতি বাঁচাতে, দেশের— আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যাপক সাফল্য ছিল।
১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা— পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়। পুলিশ প্রশাসন চলে কেন্দ্রীয় সরকারের (করাচি) নির্দেশনায়। পূর্ব বাংলার পুলিশের প্রতি ছিল চরম অবহেলা আর উন্নয়নের অভাব। রাজনৈতিক আন্দোলন দমন, ৫২ 'র ভাষা, ৬৬ 'র ছয় দফা ৬৯ 'র গনঅভ্যুত্থান ইত্যাদিতে পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে— ব্যবহার করা হতো।
মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের আছে সংগ্রামী ও গৌরবময় অবদান—পুলিশ ছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রথম প্রতিরোধকারী বাহিনী। ৭১ 'র ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী যখন ‘অপারেশন সার্চলাইট’ চালায়, তখন ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইনে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাংলাদেশ পুলিশ। অনেক পুলিশ সদস্য মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন—অনেকে শহীদ হন।
নিজের আরাম-আয়েশ তুচ্ছ করে, পরিবার বিপদগ্রস্ত হতে পারে জেনেও সক্রিয়ভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
শুধুমাত্র 'থ্রি নট থ্রি' রাইফেল দিয়ে বাঙালি পুলিশ সদস্যরা আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তান বাহিনীকে রুখে— দিয়েছিলেন। মর্টার, ট্যাংক ও সাঁজোয়া যানে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনী ভাবতে পারেনি 'থ্রি নট থ্রি' রাইফেল দিয়ে তাদের মোকাবিলা করা হবে।
স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে একটি— স্বাধীন, সার্বভৌম ও নিজস্ব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। পুরনো কাঠামোর ভিত্তিতেই নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়।
৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হ-ত্যার পর নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস— বিকৃতির অপচেষ্টা হয়েছিল। যে কারণে বঙ্গবন্ধু কন্যা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে বাংলাদেশ পুলিশ— মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্থাপন করেছিলেন।
ইউনূসওয়াকার মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে—রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় স্থাপনা আর জনগণের নিরাপত্তা দিতে দ্বায়িত্বরত তিন সহস্রাধিক পুলিশ হত্যা করে, পুলিশ বাহিনীকে অকার্যকর করেছে! ৭১-২৪ প্রমাণ করেছে পুলিশ একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। পুলিশ হত্যার বিচারের দাবিতে সকলে—আওয়াজ তুলুন।
বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরেই, দমনমূলক বাহিনী থেকে— জনগণের আস্থা অর্জনকারী একটি সেবাধর্মী আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তরিত হয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ।
ভবিষ্যতে, আবারও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ—বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা হিসেবে গর্বের ইতিহাস রচনা করবে।
পুলিশ হত্যার বিচার চাই
পুলিশ হত্যার বিচার চাই
বাংলাদেশের পুলিশের রয়েছে একটি দীর্ঘ, ঐতিহাসিক ও গৌরবময় অতীত। সমাজ-সংস্কৃতি বাঁচাতে, দেশের— আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যাপক সাফল্য ছিল।১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের মাধ্যমে পূর্ব বাংলা— পাকিস্তানের অংশ হয়ে যায়। পুলিশ প্রশাসন চলে কেন্দ্রীয় সরকারের (করাচি) নির্দেশনায়। পূর্ব বাংলার পুলিশের প্রতি ছিল চরম অবহেলা আর উন্নয়নের অভাব। রাজনৈতিক আন্দোলন দমন, ৫২ 'র ভাষা, ৬৬ 'র ছয় দফা ৬৯ 'র গনঅভ্যুত্থান ইত্যাদিতে পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে— ব্যবহার করা হতো।মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের আছে সংগ্রামী ও গৌরবময় অবদান—পুলিশ ছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রথম প্রতিরোধকারী বাহিনী। ৭১ 'র ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী যখন ‘অপারেশন সার্চলাইট’ চালায়, তখন ঢাকা রাজারবাগ
পুলিশ লাইনে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাংলাদেশ পুলিশ। অনেক পুলিশ সদস্য মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন—অনেকে শহীদ হন।নিজের আরাম-আয়েশ তুচ্ছ করে, পরিবার বিপদগ্রস্ত হতে পারে জেনেও সক্রিয়ভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।শুধুমাত্র 'থ্রি নট থ্রি' রাইফেল দিয়ে বাঙালি পুলিশ সদস্যরা আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তান বাহিনীকে রুখে— দিয়েছিলেন। মর্টার, ট্যাংক ও সাঁজোয়া যানে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনী ভাবতে পারেনি 'থ্রি নট থ্রি' রাইফেল দিয়ে তাদের মোকাবিলা করা হবে।স্বাধীনতার পর নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশে একটি— স্বাধীন, সার্বভৌম ও নিজস্ব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। পুরনো কাঠামোর ভিত্তিতেই নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী গঠন
করা হয়।৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হ-ত্যার পর নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস— বিকৃতির অপচেষ্টা হয়েছিল। যে কারণে বঙ্গবন্ধু কন্যা, মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে বাংলাদেশ পুলিশ— মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর স্থাপন করেছিলেন।ইউনূসওয়াকার মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে—রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় স্থাপনা আর জনগণের নিরাপত্তা দিতে দ্বায়িত্বরত তিন সহস্রাধিক পুলিশ হত্যা করে, পুলিশ বাহিনীকে অকার্যকর করেছে! ৭১-২৪ প্রমাণ করেছে পুলিশ একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। পুলিশ হত্যার বিচারের দাবিতে সকলে—আওয়াজ তুলুন।বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরেই, দমনমূলক বাহিনী থেকে— জনগণের আস্থা অর্জনকারী একটি সেবাধর্মী আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তরিত হয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ।ভবিষ্যতে, আবারও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পুলিশ—বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা হিসেবে গর্বের ইতিহাস রচনা করবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত