ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’
স্লোগানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। বাংলাদেশের রাজনৈতিক
ইতিহাসে বহু প্রগতিশীল আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার এই বিশ্ববিদ্যায়ের
শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে এমন স্লোগানে হতবাক তারা।
আজ সোমবার (১৫ জুলাই)
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আহকাম
উল্লাহ সাক্ষরিত বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
কোটা সংস্কার আন্দোলন
নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে ‘মর্মাহত’
ও ‘অপমানিত’ বোধ করায় রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীরা হল থেকে মিছিল নিয়ে বেরিয়ে বিক্ষোভ করেন। ওইসব মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘তুমি
কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘চেয়েছিলাম
অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার', ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারও
বাপের না' ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সাংস্কৃতিক জোট সভাপতি
ও সাধারণ সম্পাদকের সই করা সোমবারের বিবৃতিতে বলা হয়, গতরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ
দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারীদের মিছিলে ‘আমরা
সবাই রাজাকার’ ও ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’
স্লোগান প্রদান করার ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও হতবাক।
বিবৃতিতে বলা হয়,
যেকোনো বিষয়ে মত, ভিন্নমত থাকতেই পারে। আলাপ-আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় দাবি
আদায়ের জন্য আন্দোলন করবার প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু
আন্দোলনের নামে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অসম্মানজনক বক্তব্য
প্রদান, কটাক্ষ করা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য ও ঔদ্ধত্যের সামিল। মুক্তিযুদ্ধের
বিরোধিতাকারী রাজাকার বাহিনীর পরিচয়কে আত্মপরিচয় হিসেবে স্লোগান দেয়ার পর
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করার নৈতিক অধিকার থাকে কি?
সাংস্কৃতিক জোট আশাবাদ
ব্যক্ত করে বলেছে, যারা নিজেদের ‘রাজাকার’
বলে স্লোগান দিয়েছেন, তারা নানা কারণে বিভ্রান্ত। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূলধারায় ফিরে
আসবেন এবং কন্ঠে তুলে নেবেন সেই কালজয়ী স্লোগান ‘জয় বাংলা’।
রাজাকার’ স্লোগানে ‘হতবাক ও ক্ষুব্ধ’ সুশীল সমাজ
রাজাকার’ স্লোগানে ‘হতবাক ও ক্ষুব্ধ’ সুশীল সমাজ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’ স্লোগানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু প্রগতিশীল আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার এই বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে এমন স্লোগানে হতবাক তারা।আজ সোমবার (১৫ জুলাই) সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আহকাম উল্লাহ সাক্ষরিত বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে ‘মর্মাহত’ ও ‘অপমানিত’ বোধ করায় রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল থেকে মিছিল নিয়ে বেরিয়ে বিক্ষোভ করেন।
ওইসব মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’, ‘চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার', ‘লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারও বাপের না' ইত্যাদি স্লোগান দেন।সাংস্কৃতিক জোট সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সই করা সোমবারের বিবৃতিতে বলা হয়, গতরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনকারীদের মিছিলে ‘আমরা সবাই রাজাকার’ ও ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’ স্লোগান প্রদান করার ঘটনায় আমরা বিস্মিত ও হতবাক।বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো বিষয়ে মত, ভিন্নমত থাকতেই পারে। আলাপ-আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ পন্থায় দাবি আদায়ের
জন্য আন্দোলন করবার প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে অসম্মানজনক বক্তব্য প্রদান, কটাক্ষ করা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য ও ঔদ্ধত্যের সামিল। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজাকার বাহিনীর পরিচয়কে আত্মপরিচয় হিসেবে স্লোগান দেয়ার পর বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করার নৈতিক অধিকার থাকে কি? সাংস্কৃতিক জোট আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছে, যারা নিজেদের ‘রাজাকার’ বলে স্লোগান দিয়েছেন, তারা নানা কারণে বিভ্রান্ত। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূলধারায় ফিরে আসবেন এবং কন্ঠে তুলে নেবেন সেই কালজয়ী স্লোগান ‘জয় বাংলা’।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত