ছবি ও সংবাদ হাসিবুর রহমান :
ঝালকাঠির রাজাপুরের কানুদাসকাঠি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলী হোসেনসহ কয়েক জনের নামে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান যে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আমাদের বিরুদ্ধে জাহানারা বেগম নামের এক নারী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। যাতে আমি সহ আব্দুল হাই, জাকির হোসেন, মাহবুব, গোলাম হোসেন মাসুম হাওলাদার, বাতেন হাওলাদার, জাহিদ হোসেন, বাবুল হাওলাদার, কামরুল হাওলাদার ও ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শহিদ হাওলাদারকে জড়িয়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপাস্থাপন করেছেন। যার উদ্দেশ্য ছিল আমাদের সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করা হয়েছে।
জাহানারা বেগম আমাদের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১৪ই আগষ্ট ঝালকাঠি জেলা লিগ্যাল এইড এ একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারার যা পরবর্তীতে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। ২০২২ সালে আমাদের বিরুদ্ধে রাজাপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন জাহানার বেগম যা স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। এরপরে ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর ঝালকাঠি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে আমাদের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের করেন যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জাহানার বেগম অভিযোগ করেছে যে আমরা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে নিয়েছি যা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মুলত ৫৮ সালের ২০ জুন জাহানারা বেগমের দাদা ওহাব আলী তার সম্পত্তি স্থানীয় আকুব আলী সিকদারের কাছে বিক্রয় করেন। পরবর্তীতে আকুব আলী সিকদারের ওয়ারিশগন আমার পিতা সফিজ উদ্দিন হাওলাদারের কাছে ওই সম্পত্তি বিক্রয় করেন। এখানে জাহানারা বেগমের সম্পত্তি নিয়ে তাদের সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। জাহানারা বেগম সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করেছেন তার ভাই চান্দুকে ১৯৯১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের পরিবারের অনा সদস্যদের এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। মূলত চান্দু ডাকাতির সাথে যুক্ত থাকায় তার কি হয়েছিলো তা আমাদের কারো জানা নেই। ২০২২ ঝালকাঠি লিগ্যাল এইড এ জাহানারা বেগমের দায়ের করা মামলায় চান্দু আকন হত্যার বিচার চেয়েছিলেন যা ভিত্তিহীন হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আমলে নেয়নি।
জাহানারা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা আমাদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে মিথ্য মামলা দিয়ে হয়রানি সহ সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য একের পর এক এমন মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমি মহামন্য আদালত সহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সু- দৃস্টি কামনা করেন তিনি।
রাজাপুরে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির প্রতিবাদে সাবেক ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
রাজাপুরে মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির প্রতিবাদে সাবেক ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
ছবি ও সংবাদ হাসিবুর রহমান :ঝালকাঠির রাজাপুরের কানুদাসকাঠি এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলী হোসেনসহ কয়েক জনের নামে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান যে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার আমাদের বিরুদ্ধে জাহানারা বেগম নামের এক নারী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। যাতে আমি সহ আব্দুল হাই, জাকির হোসেন, মাহবুব, গোলাম হোসেন মাসুম হাওলাদার, বাতেন হাওলাদার, জাহিদ হোসেন, বাবুল হাওলাদার, কামরুল হাওলাদার ও ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শহিদ হাওলাদারকে জড়িয়ে বিভিন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপাস্থাপন করেছেন। যার উদ্দেশ্য ছিল আমাদের সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করা হয়েছে।জাহানারা বেগম আমাদের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১৪ই আগষ্ট ঝালকাঠি জেলা
লিগ্যাল এইড এ একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারার যা পরবর্তীতে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। ২০২২ সালে আমাদের বিরুদ্ধে রাজাপুর থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন জাহানার বেগম যা স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। এরপরে ২০২৩ সালের ৫ অক্টোবর ঝালকাঠি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল আদালতে আমাদের বিরুদ্ধে আরো একটি মামলা দায়ের করেন যা বর্তমানে চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জাহানার বেগম অভিযোগ করেছে যে আমরা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে নিয়েছি যা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মুলত ৫৮ সালের ২০ জুন জাহানারা বেগমের দাদা ওহাব আলী তার সম্পত্তি স্থানীয় আকুব আলী সিকদারের কাছে বিক্রয় করেন। পরবর্তীতে আকুব আলী সিকদারের ওয়ারিশগন আমার পিতা সফিজ উদ্দিন হাওলাদারের কাছে ওই সম্পত্তি বিক্রয় করেন। এখানে জাহানারা বেগমের সম্পত্তি নিয়ে তাদের সাথে আমাদের
কোনো বিরোধ নেই। জাহানারা বেগম সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করেছেন তার ভাই চান্দুকে ১৯৯১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের পরিবারের অনा সদস্যদের এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। মূলত চান্দু ডাকাতির সাথে যুক্ত থাকায় তার কি হয়েছিলো তা আমাদের কারো জানা নেই। ২০২২ ঝালকাঠি লিগ্যাল এইড এ জাহানারা বেগমের দায়ের করা মামলায় চান্দু আকন হত্যার বিচার চেয়েছিলেন যা ভিত্তিহীন হওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আমলে নেয়নি।জাহানারা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা আমাদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে মিথ্য মামলা দিয়ে হয়রানি সহ সামাজিকভাবে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য একের পর এক এমন মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে আমি মহামন্য আদালত সহ সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের সু- দৃস্টি কামনা করেন তিনি।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত