ভেনেজুয়েলার সরকার বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজবন্দিদের (রাজনৈতিক বন্দি) মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে, যা দেশটিতে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিরোধী দলের দুই শীর্ষ নেতাকে ইতোমধ্যে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এনরিক মারকেজ (৬২) এবং বিয়াজিও পিলিয়েরি — যারা ২০২৪ সালের নির্বাচনে সরকারের বিরোধিতা করেছেন — তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মারকেজ বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গঞ্জালেসকে সমর্থন করেছিলেন এবং পিলিয়েরি একজন বিরোধী রাজনৈতিক নেতা ও আইনপ্রণেতা ছিলেন।
জাতীয় সংসদের সভাপতি জর্জ রদ্রিগেজ টেলিভিশনে ঘোষণা করে বলেন যে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দি ও বিদেশি নাগরিককে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে, যদিও মোট সংখ্যা বা কীভাবে মুক্তি দেবেন তা বিস্তারিত বলা হয়নি। সরকারের এই পদক্ষেপটিকে শান্তি ও জাতীয় ঐক্যের প্রচেষ্টার একটি অংশ বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
স্প্যানিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, পাঁচজন স্প্যানিশ নাগরিককেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী রোসিও সান মিগুয়েলও।
তবে লোকাল মানবাধিকার সংস্থা ফোরো পেনালের মতে, ভেনেজুয়েলাতে এখনও শত শত রাজনৈতিক বন্দি আটক রয়েছেন এবং শুধুমাত্র কয়েকজনকে ছাড়া হয়েছে। সংগঠনগুলো এই মুক্তিকে অভিবাদন করলেও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে, কারণ ব্যাপক মানবাধিকার উদ্বেগ এখনো চলমান রয়েছে।
ভেনেজুয়েলার বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে সরকারবিরোধীদের চুপ করাতে জোরপূর্বক আটক করে রাখছে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর থেকে। কোনও বন্দিকে রাজবন্দি বলে সরকার স্বীকার না করলেও বিরোধী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বারবার এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।
রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা
রাজবন্দিদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে ভেনেজুয়েলা
ভেনেজুয়েলার সরকার বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজবন্দিদের (রাজনৈতিক বন্দি) মুক্তি দেওয়া শুরু করেছে, যা দেশটিতে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী বিরোধী দলের দুই শীর্ষ নেতাকে ইতোমধ্যে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।এনরিক মারকেজ (৬২) এবং বিয়াজিও পিলিয়েরি — যারা ২০২৪ সালের নির্বাচনে সরকারের বিরোধিতা করেছেন — তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মারকেজ বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গঞ্জালেসকে সমর্থন করেছিলেন এবং পিলিয়েরি একজন বিরোধী রাজনৈতিক নেতা ও
আইনপ্রণেতা ছিলেন।জাতীয় সংসদের সভাপতি জর্জ রদ্রিগেজ টেলিভিশনে ঘোষণা করে বলেন যে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দি ও বিদেশি নাগরিককে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে, যদিও মোট সংখ্যা বা কীভাবে মুক্তি দেবেন তা বিস্তারিত বলা হয়নি। সরকারের এই পদক্ষেপটিকে শান্তি ও জাতীয় ঐক্যের প্রচেষ্টার একটি অংশ বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।স্প্যানিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, পাঁচজন স্প্যানিশ নাগরিককেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকার কর্মী রোসিও সান মিগুয়েলও।তবে লোকাল মানবাধিকার সংস্থা ফোরো পেনালের মতে, ভেনেজুয়েলাতে এখনও
শত শত রাজনৈতিক বন্দি আটক রয়েছেন এবং শুধুমাত্র কয়েকজনকে ছাড়া হয়েছে। সংগঠনগুলো এই মুক্তিকে অভিবাদন করলেও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে, কারণ ব্যাপক মানবাধিকার উদ্বেগ এখনো চলমান রয়েছে।ভেনেজুয়েলার বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মানবাধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে সরকারবিরোধীদের চুপ করাতে জোরপূর্বক আটক করে রাখছে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের পর থেকে। কোনও বন্দিকে রাজবন্দি বলে সরকার স্বীকার না করলেও বিরোধী ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বারবার এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত