মুজাহিদ সরকার: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের ২৫ নভেম্বর স্বারক আদেশ মোতাবেক একটি শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক/ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় একটি অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা ২২ জুন থেকে শুরু করে ১২ দিনের মধ্যে এবং একটি বার্ষিক পরীক্ষা ২২ নভেম্বর শুরু করে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্ব স্ব বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিজেরা প্রণয়ন করবে। কোন অবস্থায় বাইরে তৈরি করা প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া যাবে না। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের এ নিয়ম অমান্য করে সমিতির প্রশ্নে অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াও একাধিক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। কিন্ডারগার্টেনগুলোতে একই অবস্থা। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়া অন্য কোন পরীক্ষা নেয়া হয় না।
রাজধানীতে কদমতলী,শ্যামপুর,যাত্রাবাড়ি,ডেমরায় শতাধিক মাধ্যমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারের নির্দেশ না মেনে সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। সরকার যেখানে বছরে দু’টো পরীক্ষা নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে, শিক্ষকেরা তা অমান্য করে বছরে তিনটি পরীক্ষা নিচ্ছে। অনেক কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ৬টি পরীক্ষা নিচ্ছে। এতে অভিভাবকদেরকে পরীক্ষা ফি নামে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর সরকার বিনামূল্যে সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করার জন্য বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ ও উপবৃত্তির টাকা দিচ্ছে। সরকারী নির্দেশনা না মেনে অনেকগুলো বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চলছে দ্বৈত নীতি। দ্বৈত নীতির কারণে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কয়েকদিন পর পর পরীক্ষার ফিস ও মাসিক বেতন পরিশোধ করতে অভিভাবকদের নাভিশ্বাস উঠছে। এসএসসি ফরম পূরণের সময়ও পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা অভিভাবকদের গুণতে হয়।
সরকারী নীতির পরিপন্থী হয়ে রোজার সময় পরীক্ষা নিচ্ছে এসব মধ্যে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এ.কে স্কুল এন্ড কলেজ, ব্রাইট স্কুল এন্ড কলেজ, বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী শরিয়ত উল্লাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, এ.বি..এম. গ্ৰ্যাজুয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, স্বদেশ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
গত ৬ এপ্রিল রাজধানী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা চলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে উনারা বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধু ছিল যার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ কমে গেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা বাড়ানোর জন্য মাসিক পরীক্ষা নিচ্ছি। আবার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলছে বিন্ন কথা স্কুল খরচ, টিচারদের মাসিক বেতন ইত্যাদি ইত্যাদি খরচ প্রতি মাসে দিতে হয় কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সচেতন না শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন জমিয়ে রাখে তাহলে ঐ খরচ গুলো কোথায় থেকে দিবো।
বিদ্যালয়ে উপস্থিত অভিভাবকদের সাথে কথা বললে জানা যায়, মাসিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার ফ্রি দিতে হয় আর বকেয়া বেতন না দিলে পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হয় না। উনারা আরও বলেন, বর্তমানে সব কিছু দাম এর মধ্যে যদি মাসে মাসে অতিরিক্ত পরীক্ষার ফ্রি দিতে হয় আমাদের উপর মানসিক সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকেরা সামান্য কিছু টাকা পায়। এ টাকাগুলো এক সাথে আদায়ের জন্য পরীক্ষা নেয়া হয়। পরীক্ষার সময় অভিভাবকেরা ফিসের সাথে বেতনও পরিশোধ করেন।
মাসিক পরীক্ষার বিষয়ে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে জানানো হয়েছে।
রাজধানী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারের নির্দেশ না মেনে চলছে পরীক্ষা
রাজধানী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারের নির্দেশ না মেনে চলছে পরীক্ষা
মুজাহিদ সরকার: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের ২৫ নভেম্বর স্বারক আদেশ মোতাবেক একটি শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক/ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় একটি অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা ২২ জুন থেকে শুরু করে ১২ দিনের মধ্যে এবং একটি বার্ষিক পরীক্ষা ২২ নভেম্বর শুরু করে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার জন্য সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্ব স্ব বিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিজেরা প্রণয়ন করবে। কোন অবস্থায় বাইরে তৈরি করা প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া যাবে না। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের এ নিয়ম অমান্য করে সমিতির প্রশ্নে অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াও একাধিক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। কিন্ডারগার্টেনগুলোতে একই অবস্থা। এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়া অন্য কোন পরীক্ষা নেয়া হয় না। রাজধানীতে কদমতলী,শ্যামপুর,যাত্রাবাড়ি,ডেমরায় শতাধিক মাধ্যমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারের নির্দেশ না মেনে সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। সরকার যেখানে বছরে দু’টো পরীক্ষা নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে, শিক্ষকেরা তা অমান্য করে বছরে তিনটি পরীক্ষা নিচ্ছে। অনেক কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ৬টি পরীক্ষা নিচ্ছে। এতে অভিভাবকদেরকে পরীক্ষা ফি নামে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর সরকার বিনামূল্যে সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করার জন্য বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ ও উপবৃত্তির টাকা দিচ্ছে। সরকারী নির্দেশনা না মেনে অনেকগুলো বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চলছে দ্বৈত নীতি। দ্বৈত নীতির কারণে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। কয়েকদিন পর পর পরীক্ষার ফিস ও মাসিক বেতন পরিশোধ করতে অভিভাবকদের নাভিশ্বাস উঠছে। এসএসসি ফরম পূরণের সময়ও পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা অভিভাবকদের গুণতে হয়। সরকারী নীতির পরিপন্থী হয়ে রোজার সময় পরীক্ষা নিচ্ছে এসব মধ্যে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এ.কে স্কুল এন্ড কলেজ, ব্রাইট স্কুল এন্ড কলেজ, বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সেরে বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী শরিয়ত উল্লাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, এ.বি..এম. গ্ৰ্যাজুয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, স্বদেশ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। গত ৬ এপ্রিল রাজধানী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা চলছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে উনারা বলেন, দীর্ঘদিন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধু ছিল যার ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ কমে গেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা বাড়ানোর জন্য মাসিক পরীক্ষা নিচ্ছি। আবার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলছে বিন্ন কথা স্কুল খরচ, টিচারদের মাসিক বেতন ইত্যাদি ইত্যাদি খরচ প্রতি মাসে দিতে হয় কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা সচেতন না শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন জমিয়ে রাখে তাহলে ঐ খরচ গুলো কোথায় থেকে দিবো। বিদ্যালয়ে উপস্থিত অভিভাবকদের সাথে কথা বললে জানা যায়, মাসিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার ফ্রি দিতে হয় আর বকেয়া বেতন না দিলে পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়া হয় না। উনারা আরও বলেন, বর্তমানে সব কিছু দাম এর মধ্যে যদি মাসে মাসে অতিরিক্ত পরীক্ষার ফ্রি দিতে হয় আমাদের উপর মানসিক সৃষ্টি হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক জানান, প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকেরা সামান্য কিছু টাকা পায়। এ টাকাগুলো এক সাথে আদায়ের জন্য পরীক্ষা নেয়া হয়। পরীক্ষার সময় অভিভাবকেরা ফিসের সাথে বেতনও পরিশোধ করেন। মাসিক পরীক্ষার বিষয়ে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে জানানো হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত