টানা
বর্ষণে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা
দিয়েছে। এ অবস্থায় কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে
শত শত পরিবার। এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং
করে সচেতন করা হচ্ছে। পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে উপজেলার
৫টি ইউনিয়নে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
এ বিষয়ে
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন জানান, এরই মধ্যে কাপ্তাই উপজেলায়
পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরতদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসতে উপজেলা
প্রশাসন ও কাপ্তাই তথ্য অফিস প্রতিনিয়ত প্রচার ও মাইকিং চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া
কাপ্তাইয়ের নতুন বাজারসংলগ্ন ঢাকাইয়া কলোনি এবং আফসারর টিলা নামের এলাকা পাহাড়ধসের
বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় ৫৫ জন শুক্রবার থেকে
আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে তাদের খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া
অন্যান্য ইউনিয়নেও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।
কাপ্তাই
সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, পাহাড়ে ঝুঁঁকিতে বসবাসকারীদের
সরিয়ে আনতে তথ্য অফিস নিয়মিত প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত
থাকবে।
এদিকে
টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা থাকলেও আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাইছেন না ঝুঁকিপূর্ণ
এলাকার বাসিন্দারা। গত শুক্রবার সকাল থেকে স্থানীয় প্রশাসন তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে
আসার আহ্বান জানালেও তেমন সাড়া মেলেনি।
রাঙ্গামাটি
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় চলমান অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জানমালের
নিরাপত্তা স্বার্থে গতকাল ভোর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাপ্তাই
হ্রদে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জরুরি সরকারি কাজে নিয়োজিত নৌযানগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত
থাকবে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগের অনুরোধ করা
হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
এদিকে,
কাপ্তাই হ্রদে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন রাঙ্গামাটি শহর ও
বিভিন্ন উপজেলাগামী মানুষ। গত বৃহস্পতিবার থেকে রাঙ্গামাটিতে টানা বৃৃষ্টিপাতের
কারণে বিভিন্ন এলাকায় ও সড়কে মাটি এবং পাহাড়ধসের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে এখন
পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার সন্ধ্যায় ঘাগড়া-বরইছড়ি সড়কের
ওপর পাহাড়ের মাটি ধসের পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
রাঙ্গামাটি
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ৪ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত
রাঙামাটিতে ৭৭ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া শনিবার সকাল
৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া এর
আগের দিন বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল ৯৪ মিলিমিটার।
রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা
রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা
টানা বর্ষণে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে শত শত পরিবার। এসব পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সচেতন করা হচ্ছে। পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।এ বিষয়ে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন জানান, এরই মধ্যে কাপ্তাই উপজেলায় পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরতদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসতে উপজেলা প্রশাসন ও কাপ্তাই তথ্য অফিস প্রতিনিয়ত প্রচার ও মাইকিং চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া কাপ্তাইয়ের নতুন বাজারসংলগ্ন ঢাকাইয়া কলোনি এবং আফসারর টিলা নামের এলাকা পাহাড়ধসের বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় ৫৫ জন শুক্রবার থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে তাদের খাবার বিতরণ
করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য ইউনিয়নেও আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।কাপ্তাই সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, পাহাড়ে ঝুঁঁকিতে বসবাসকারীদের সরিয়ে আনতে তথ্য অফিস নিয়মিত প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।এদিকে টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা থাকলেও আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে চাইছেন না ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। গত শুক্রবার সকাল থেকে স্থানীয় প্রশাসন তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে আসার আহ্বান জানালেও তেমন সাড়া মেলেনি।রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় চলমান অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে জানমালের নিরাপত্তা স্বার্থে গতকাল ভোর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জরুরি সরকারি কাজে নিয়োজিত নৌযানগুলো নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল
রুমে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।এদিকে, কাপ্তাই হ্রদে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন রাঙ্গামাটি শহর ও বিভিন্ন উপজেলাগামী মানুষ। গত বৃহস্পতিবার থেকে রাঙ্গামাটিতে টানা বৃৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় ও সড়কে মাটি এবং পাহাড়ধসের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার সন্ধ্যায় ঘাগড়া-বরইছড়ি সড়কের ওপর পাহাড়ের মাটি ধসের পড়ার খবর পাওয়া গেছে। রাঙ্গামাটি আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ৪ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত রাঙামাটিতে ৭৭ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া শনিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ ছাড়া এর আগের দিন বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল ৯৪ মিলিমিটার।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত