শেখ ফরিদ, সোনারগাঁ নারায়ণগঞ্জঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও বন্দর উপজেলার মাঝখানে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের লাঙ্গলবন্দে ৮ এপ্রিল শুক্রবার রাত থেকে শুরু হতে যাচ্ছে স্নানোৎসব। ‘হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ কর’ এ মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে জগতের যাবতীয় সংকীর্নতা ও পঙ্কিলতার আবরণে ঘেরা জীবন থেকে পাপমুক্তির বাসনায় হিন্দু পুন্যার্থীরা ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমী স্নান শুরু করবে।
পাপ মোচনের আশায় নারায়ণগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে প্রতিবছর চৈত্রের মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে স্নান করতে আসেন দেশ বিদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের লাখ লাখ পুন্যার্থী। স্নানকে ঘিরে প্রস্তুত ব্রহ্মপুত্রের তীর লাঙ্গলবন্দ।
আয়োজকদের আশা, শুক্রবার রাত থেকে স্নান শুরু হলেও শনিবার সকালেই মূল ঢল নামবে। এবারও লাখ লাখ পুন্যার্থী স্নানে যোগ দিবেন আশা করা যাচ্ছে।
সুষ্ঠুভাবে স্নান সস্পাদনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সব রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ১৮টি স্নান ঘাটের সংস্কার , কাপড় পরিবর্তন কক্ষ ও অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, পানীয় জল সরবরাহ এবং নদের কচুরিপানা অপসারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
করোনার কারণে টানা দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার পূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উৎসব। ছয় বছর আগে বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ার গুজবে ভীড়ের চাপে পদদলিত হয়ে ১০জন স্নানার্থীর মৃত্যু হওয়ায় এবার নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে করোনার কারণে এবার বসছেনা তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে লোকজ মেলা।
আয়োজকরা জানান, এ বছর শুক্রবার রাত ৯ টা ১১ মিনিটে স্নানের লগ্ন শুরু হবে। শেষ হবে শনিবার রাত ১১ টায়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় অন্যান্য বারের চেয়ে এবার পূণ্যার্থীর সংখ্যা বাড়বে। স্নানোৎসবে অংশ নিতে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে পূণ্যার্থীরা ইতিমধ্যে লাঙ্গলবন্দে আসতে শুরু করেছেন।
বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরাত এ খুদা জানান, সুষ্ঠুভাবে স্নান সম্পাদনের জন্য সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশ ,আনসার ও র্যাবের সহস্রাধিক সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া সাদা পোশাকে রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীর কিছু সদস্য। তীর্থস্থানের তিন কিলোমিটার এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। যানজট নিরসনে ট্রাফিক ও নদীতে নৌপুলিশ কাজ করছেন। এবার বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভূটান ও শ্রীলংকা থেকে পূণ্যার্থীরা স্নানোৎসবে অংশ নিচ্ছেন বলে লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান।
রাত পোহালেই ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান উৎসব
রাত পোহালেই ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান উৎসব
শেখ ফরিদ, সোনারগাঁ নারায়ণগঞ্জঃনারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও বন্দর উপজেলার মাঝখানে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদের লাঙ্গলবন্দে ৮ এপ্রিল শুক্রবার রাত থেকে শুরু হতে যাচ্ছে স্নানোৎসব। ‘হে মহাভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ কর’ এ মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে জগতের যাবতীয় সংকীর্নতা ও পঙ্কিলতার আবরণে ঘেরা জীবন থেকে পাপমুক্তির বাসনায় হিন্দু পুন্যার্থীরা ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমী স্নান শুরু করবে।পাপ মোচনের আশায় নারায়ণগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে প্রতিবছর চৈত্রের মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে স্নান করতে আসেন দেশ বিদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের লাখ লাখ পুন্যার্থী। স্নানকে ঘিরে প্রস্তুত ব্রহ্মপুত্রের তীর লাঙ্গলবন্দ।আয়োজকদের আশা, শুক্রবার রাত থেকে স্নান শুরু হলেও শনিবার সকালেই মূল ঢল নামবে। এবারও লাখ লাখ পুন্যার্থী স্নানে যোগ দিবেন আশা করা যাচ্ছে।সুষ্ঠুভাবে
স্নান সস্পাদনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই সব রকমের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ১৮টি স্নান ঘাটের সংস্কার , কাপড় পরিবর্তন কক্ষ ও অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, পানীয় জল সরবরাহ এবং নদের কচুরিপানা অপসারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।করোনার কারণে টানা দুই বছর বন্ধ থাকার পর এবার পূর্ণ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই উৎসব। ছয় বছর আগে বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ার গুজবে ভীড়ের চাপে পদদলিত হয়ে ১০জন স্নানার্থীর মৃত্যু হওয়ায় এবার নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে করোনার কারণে এবার বসছেনা তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে লোকজ মেলা।আয়োজকরা জানান, এ বছর শুক্রবার রাত ৯ টা ১১ মিনিটে স্নানের লগ্ন শুরু হবে। শেষ হবে শনিবার রাত ১১ টায়। সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় অন্যান্য
বারের চেয়ে এবার পূণ্যার্থীর সংখ্যা বাড়বে। স্নানোৎসবে অংশ নিতে দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে পূণ্যার্থীরা ইতিমধ্যে লাঙ্গলবন্দে আসতে শুরু করেছেন।বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম কুদরাত এ খুদা জানান, সুষ্ঠুভাবে স্নান সম্পাদনের জন্য সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশ ,আনসার ও র্যাবের সহস্রাধিক সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়া সাদা পোশাকে রয়েছে আইনশৃংখলা বাহিনীর কিছু সদস্য। তীর্থস্থানের তিন কিলোমিটার এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। স্থাপন করা হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। যানজট নিরসনে ট্রাফিক ও নদীতে নৌপুলিশ কাজ করছেন। এবার বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভূটান ও শ্রীলংকা থেকে পূণ্যার্থীরা স্নানোৎসবে অংশ নিচ্ছেন বলে লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত