রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৮৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। স্থানীয় সময় রবিবার বুথ ফেরত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গত
শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রবিবার সবশেষ দেশটির সবচেয়ে পশ্চিমে বাল্টিক সাগরের তীরে কালিনিনগ্রাদ অঞ্চলে ভোটগ্রহণ হয়। এরপর বুথ ফেরত জরিপের ফল প্রকাশ করে রাশিয়ার সরকারি জরিপ সংস্থা ভিটিএসআইওএম। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার আগে এ জরিপ করা হয়।
এবারের নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার ২০০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকতে যাচ্ছেন পুতিন। ১৯৯৯ সালের প্রথম ক্ষমতায় বসেছিলেন তিনি। এরপর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বা
প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচনে পুতিন যে নিরঙ্কুশ জয় পাবেন, তা নিয়ে অবশ্য কোনো সন্দেহ ছিল না। কারণ, তার বেশির ভাগ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই হয় মারা গেছেন, না হয় নির্বাসনে বা কারাগারে রয়েছেন। এরপরও পুতিনের বিরুদ্ধে কেউ সোচ্চার হলে, তাকে সরকারের দমনপীড়নের মুখে পড়তে হয়েছে।
নির্বাচনে জয়লাভের পর
দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পুতিন। তিনি বলেছেন, এই সমর্থনের জন্য এবং আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য আপনাদের সবাইকে, সব নাগরিককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।
পুতিন বলেন, তারা যতই আমাদের ভয়
দেখানোর চেষ্টা করুক, আমাদের ইচ্ছা-চেতনাকে দমন করার চেষ্টা করুক—ইতিহাস বলে, কেউই এমন কিছু করে কখনো সফল হয়নি। তাদের এ প্রচেষ্টা এখনো কাজে দিচ্ছে না, ভবিষ্যতেও দেবে না।
এদিকে পুতিনের জয়ের সমালোচনা করেছে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ। এই
নির্বাচন ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ হয়নি বলে মন্তব্য করেছে জার্মানি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পুতিন তার রাজনৈতিক বিরোধীদের কারাগারে বন্দী করে রেখেছেন, আর অন্যদের তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়াতে বাধা দিয়েছেন।
রেকর্ড ব্যবধানে পুতিনের বিজয়
রেকর্ড ব্যবধানে পুতিনের বিজয়
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৮৭ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। স্থানীয় সময় রবিবার বুথ ফেরত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।গত শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। রবিবার সবশেষ দেশটির সবচেয়ে পশ্চিমে বাল্টিক সাগরের তীরে কালিনিনগ্রাদ অঞ্চলে ভোটগ্রহণ হয়। এরপর বুথ ফেরত জরিপের ফল প্রকাশ করে রাশিয়ার সরকারি জরিপ সংস্থা ভিটিএসআইওএম। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার আগে এ জরিপ করা হয়।এবারের নির্বাচনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে রাশিয়ার ২০০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকতে যাচ্ছেন
পুতিন। ১৯৯৯ সালের প্রথম ক্ষমতায় বসেছিলেন তিনি। এরপর থেকে তিনি ধারাবাহিকভাবে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনে পুতিন যে নিরঙ্কুশ জয় পাবেন, তা নিয়ে অবশ্য কোনো সন্দেহ ছিল না। কারণ, তার বেশির ভাগ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীই হয় মারা গেছেন, না হয় নির্বাসনে বা কারাগারে রয়েছেন। এরপরও পুতিনের বিরুদ্ধে কেউ সোচ্চার হলে, তাকে সরকারের দমনপীড়নের মুখে পড়তে হয়েছে।নির্বাচনে জয়লাভের পর দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন পুতিন। তিনি বলেছেন, এই সমর্থনের জন্য এবং আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য আপনাদের
সবাইকে, সব নাগরিককে ধন্যবাদ জানাতে চাই।পুতিন বলেন, তারা যতই আমাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করুক, আমাদের ইচ্ছা-চেতনাকে দমন করার চেষ্টা করুক—ইতিহাস বলে, কেউই এমন কিছু করে কখনো সফল হয়নি। তাদের এ প্রচেষ্টা এখনো কাজে দিচ্ছে না, ভবিষ্যতেও দেবে না। এদিকে পুতিনের জয়ের সমালোচনা করেছে পশ্চিমা বিভিন্ন দেশ। এই নির্বাচন ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ হয়নি বলে মন্তব্য করেছে জার্মানি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পুতিন তার রাজনৈতিক বিরোধীদের কারাগারে বন্দী করে রেখেছেন, আর অন্যদের তার বিরুদ্ধে নির্বাচনে দাঁড়াতে বাধা দিয়েছেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত