দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
ফের ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে,
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৫ লাখ ডলার,
অর্থাৎ ৩০ বিলিয়ন ডলার।
তবে
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট
পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম–৬) অনুযায়ী রিজার্ভ কিছুটা কম—
প্রায় ২৪৯৮ কোটি ডলার বা ২৫ বিলিয়নের মতো। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে এই অঙ্কই
৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র
আরিফ হোসেন খান।
গত ৩
জুলাই পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার, বিপিএম–৬
অনুযায়ী যা ছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। ওই সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ২০
বিলিয়নের বেশি ছিল।
চলতি
মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু) ২ দশমিক ০২ বিলিয়ন
ডলার পরিশোধ করেছে। এত বড় অঙ্কের লেনদেন সত্ত্বেও রিজার্ভে বড় কোনো পতন ঘটেনি। বরং
১৬ জুলাই শেষে রিজার্ভ ছিল ৩০ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম–৬
হিসাবে তা ছিল ২৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ
ব্যাংকের মতে, রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভে স্থিতিশীলতা
বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।
রিজার্ভ বেড়ে আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলার
রিজার্ভ বেড়ে আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলার
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৫ লাখ ডলার, অর্থাৎ ৩০ বিলিয়ন ডলার।তবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম–৬) অনুযায়ী রিজার্ভ কিছুটা কম— প্রায় ২৪৯৮ কোটি ডলার বা ২৫ বিলিয়নের মতো। বাংলাদেশ
ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে এই অঙ্কই ৩০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।গত ৩ জুলাই পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার, বিপিএম–৬ অনুযায়ী যা ছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। ওই সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ ২০ বিলিয়নের বেশি ছিল।চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু)
২ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে। এত বড় অঙ্কের লেনদেন সত্ত্বেও রিজার্ভে বড় কোনো পতন ঘটেনি। বরং ১৬ জুলাই শেষে রিজার্ভ ছিল ৩০ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম–৬ হিসাবে তা ছিল ২৪ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত