লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ঃ
কমতে শুরু করেছে তিস্তা ও ধরলার পানি
লালমনিরহাটে চলমান বন্যা পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতির পথে তিস্তা ধরলায় বিপদসীমার ৪৫ ও ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি বইছে তবে নিচু এলাকার মানুষজন এখনো পানিবন্দি আছে । লালমনিরহাট তিস্তা ধরলা পারেন মানুষজন সরকার কিংবা কোনো ব্যক্তির কাছে রিলিজ স্লিপ চান না তারা চান নদী খনন সহ নদীর পাড় ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত। অপরদিকে বানভাসি সেই সকল মানুষের পয়োনিষ্কাশন সহ বিশুদ্ধ পানির অভাব চরম পর্যায়ে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনসাস্থ বিভাগের পক্ষ থেকে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট কিংবা ভালবাসি ওই এলাকার উঁচু জায়গায় কোথাও গভীর নলকূপ স্থাপন করতে দেখা যায়নি।
মোগলহাট ইউনিয়নের ভূমিকা গ্রামের বাসিন্দা আমিনা বেগম জানান যে ত্রাণ মানুষের কোন কাজে আসে না সেই রিলিফ নয় নদী খনন ও স্থায়ী নদীতীর রক্ষর বাধ চান ।
অপরদিকে সরকারি সাহায্যের ১০ কেজি করে চাল কিছুসংখ্যক বানভাসি পরিবার পেলেও এখনো অনেক মানুষ তার আওতায় আসেনি। এছাড়াও চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল বরাদ্দ আছে এমনটা অভিযোগ স্থানীয় অনেক জনপ্রতিনিধিদের। ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ হলেও বানভাসিদের অভিযোগ তারা পাননি শিশুখাদ্যের বরাদ্দ সহ গবাদিপশুর খাবার।
তিস্তার ও ধরলার পানি কমতে শুরু করেছে, আপাতত বন্যার পানি বিপদ সীমার নিচে । নদীপারের নিম্নাঞ্চলের মানুষজন বিশুদ্ধ পানি সহ শিশু গবাদিপশুর খাবার সংকটে রয়েছে। এসকল ভুক্তভোগী নদীপাড়ের মানুষজন বলেন কেউ পাবে কেউ পায় না এমন রিলিফ, সিলিপ নয়,নদী খনন ও ভাঙনরোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত চান।
রিলিফ নয় নদী খনন ও স্থায়ী নদীতীর রক্ষর বাধ চান লালমনিরহাট বাসি
রিলিফ নয় নদী খনন ও স্থায়ী নদীতীর রক্ষর বাধ চান লালমনিরহাট বাসি
লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি ঃ কমতে শুরু করেছে তিস্তা ও ধরলার পানিলালমনিরহাটে চলমান বন্যা পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতির পথে তিস্তা ধরলায় বিপদসীমার ৪৫ ও ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি বইছে তবে নিচু এলাকার মানুষজন এখনো পানিবন্দি আছে । লালমনিরহাট তিস্তা ধরলা পারেন মানুষজন সরকার কিংবা কোনো ব্যক্তির কাছে রিলিজ স্লিপ চান না তারা চান নদী খনন সহ নদীর পাড় ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত। অপরদিকে বানভাসি সেই সকল মানুষের পয়োনিষ্কাশন সহ বিশুদ্ধ পানির অভাব
চরম পর্যায়ে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনসাস্থ বিভাগের পক্ষ থেকে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট কিংবা ভালবাসি ওই এলাকার উঁচু জায়গায় কোথাও গভীর নলকূপ স্থাপন করতে দেখা যায়নি। মোগলহাট ইউনিয়নের ভূমিকা গ্রামের বাসিন্দা আমিনা বেগম জানান যে ত্রাণ মানুষের কোন কাজে আসে না সেই রিলিফ নয় নদী খনন ও স্থায়ী নদীতীর রক্ষর বাধ চান ।অপরদিকে সরকারি সাহায্যের ১০ কেজি করে চাল কিছুসংখ্যক বানভাসি পরিবার পেলেও এখনো অনেক মানুষ তার আওতায় আসেনি। এছাড়াও চাহিদার চেয়ে
অপ্রতুল বরাদ্দ আছে এমনটা অভিযোগ স্থানীয় অনেক জনপ্রতিনিধিদের। ১০ কেজি করে চাল বরাদ্দ হলেও বানভাসিদের অভিযোগ তারা পাননি শিশুখাদ্যের বরাদ্দ সহ গবাদিপশুর খাবার।তিস্তার ও ধরলার পানি কমতে শুরু করেছে, আপাতত বন্যার পানি বিপদ সীমার নিচে । নদীপারের নিম্নাঞ্চলের মানুষজন বিশুদ্ধ পানি সহ শিশু গবাদিপশুর খাবার সংকটে রয়েছে। এসকল ভুক্তভোগী নদীপাড়ের মানুষজন বলেন কেউ পাবে কেউ পায় না এমন রিলিফ, সিলিপ নয়,নদী খনন ও ভাঙনরোধে স্থায়ী বন্দোবস্ত চান।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত