খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার জানিয়েছেন, পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে খাদ্যবান্ধব
কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে ৫০ লাখ পরিবারকে চাল দেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি)
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রথম অধিবেশন শেষে
এসব কথা বলেন তিনি।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন রমজান
মাস সামনে রেখে মার্চ এবং এপ্রিল এ দুই মাসে দেড় লাখ টন করে মোট তিন লাখ টন চাল
দেওয়া হবে এই কর্মসূচির আওতায়।
উপদেষ্টা আরো বলেন,
টিসিবির মাধ্যমে আরো ৫০ লাখ টন করে দুই মাসে এক লাখ টন চাল যাবে। ওএমএসের মাধ্যমে
যাবে আরো এক লাখ টন। এ ছাড়া ঈদের সময় এক কোটি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাবে
বিনামূল্যে। এমন আরো কিছু কার্যক্রম রয়েছে।
তিনি বলেন, এসব চাল বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে বড় সহায়তা করবে। এসব বিতরণ কার্যক্রম
বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ করবে কিন্তু এর প্রধান তদারকি করবেন ডিসিরা।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনায় ৮০ শতাংশ
ই-নামজারির কাজ শেষ হবে অর্থাৎ জমির নামজারির জন্য ৮০ শতাংশ ডিজিটালের কাজ শেষ হবে।
জমির নামজারি (মিউটিশন) করাও ডিজিটাল পদ্ধতির কাজ চলমান রয়েছে-এ কথা জানিয়ে তিনি
আরও বলেন, ভূমির কাগজপত্রের কাজ নিয়ে মানুষের হয়রানি বন্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে
যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। জেলা প্রশাসকরা যাতে এ কাজে সহায়তা করেন সে ব্যাপারে
নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
রমজানে ১৫ টাকা কেজিতে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার
রমজানে ১৫ টাকা কেজিতে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার
খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার জানিয়েছেন, পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে ৫০ লাখ পরিবারকে চাল দেওয়া হবে।জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রথম অধিবেশন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন রমজান মাস সামনে রেখে মার্চ এবং এপ্রিল এ দুই মাসে দেড় লাখ টন করে মোট তিন লাখ টন চাল
দেওয়া হবে এই কর্মসূচির আওতায়।উপদেষ্টা আরো বলেন, টিসিবির মাধ্যমে আরো ৫০ লাখ টন করে দুই মাসে এক লাখ টন চাল যাবে। ওএমএসের মাধ্যমে যাবে আরো এক লাখ টন। এ ছাড়া ঈদের সময় এক কোটি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাবে বিনামূল্যে। এমন আরো কিছু কার্যক্রম রয়েছে। তিনি বলেন, এসব চাল বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে বড় সহায়তা করবে। এসব বিতরণ কার্যক্রম বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ করবে কিন্তু এর প্রধান তদারকি করবেন ডিসিরা। আলী
ইমাম মজুমদার বলেন, আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ভূমি ব্যবস্থাপনায় ৮০ শতাংশ ই-নামজারির কাজ শেষ হবে অর্থাৎ জমির নামজারির জন্য ৮০ শতাংশ ডিজিটালের কাজ শেষ হবে। জমির নামজারি (মিউটিশন) করাও ডিজিটাল পদ্ধতির কাজ চলমান রয়েছে-এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভূমির কাগজপত্রের কাজ নিয়ে মানুষের হয়রানি বন্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। জেলা প্রশাসকরা যাতে এ কাজে সহায়তা করেন সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত