ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে
বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে যানবাহন চলাচল। এতে সাজেকে থাকা ৬ শতাধিক
পর্যটক আটকা পড়েছেন। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর পানি উঠে জলাবদ্ধতা
সৃষ্টি হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
গত কয়েক
দিনে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে বড় ধরনের কোনো পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। তবে
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাঘাইছড়ির অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ
ছাড়া বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচলং এলাকায় পানি উঠায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ণ দেব বর্মণ জানান,
বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচলং এলাকায় পানি উঠে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে ৬০০
থেকে ৭০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন।
বাঘাইছড়ি
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার জানান, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কাচলং নদীর
পানি বেড়ে বাঘাইছড়ি সদরের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে
যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে পর্যটকরা আটকা পড়েছেন। পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত
কিছু করার নেই।
এদিকে, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সোমবার রাতে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি
সড়কের সাপছড়ির ফুরমোন এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। খবর পেয়ে সকালের দিকে সড়ক ও জনপথের
কর্মীরা সড়ক থেকে মাটি ও গাছ সরিয়ে দিয়েছে। সকাল ৯টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়েছে। এ
ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের হেগেঙলছড়ি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভারী
যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে সিএনজি চলাচল করছে।
রাঙামাটি
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুবজ চাকমা জানান, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের
ওপর মাটি ধসে পড়ার খবর পেয়ে ৯টার মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মীরা মাটি সরিয়ে
দিয়েছে। বর্তমানে সিএনজি চলাচল করলেও ভারী যান বন্ধ রয়েছে।
সাজেকে আটকা পড়েছে ৭ শতাধিক পর্যটক
সাজেকে আটকা পড়েছে ৭ শতাধিক পর্যটক
ভারী বৃষ্টিপাতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে যানবাহন চলাচল। এতে সাজেকে থাকা ৬ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর পানি উঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত কয়েক দিনে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে বড় ধরনের কোনো পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। তবে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাঘাইছড়ির অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচলং এলাকায় পানি উঠায় যানবাহন
চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ণ দেব বর্মণ জানান, বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচলং এলাকায় পানি উঠে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে ৬০০ থেকে ৭০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার জানান, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কাচলং নদীর পানি বেড়ে বাঘাইছড়ি সদরের অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকে পর্যটকরা আটকা পড়েছেন। পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত কিছু করার নেই। এদিকে, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সোমবার রাতে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের সাপছড়ির ফুরমোন এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে।
খবর পেয়ে সকালের দিকে সড়ক ও জনপথের কর্মীরা সড়ক থেকে মাটি ও গাছ সরিয়ে দিয়েছে। সকাল ৯টা থেকে যান চলাচল শুরু হয়েছে। এ ছাড়া রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের হেগেঙলছড়ি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে সিএনজি চলাচল করছে। রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুবজ চাকমা জানান, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ওপর মাটি ধসে পড়ার খবর পেয়ে ৯টার মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মীরা মাটি সরিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে সিএনজি চলাচল করলেও ভারী যান বন্ধ রয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত