নাম প্রকাশ না করা একজন অভিনেত্রী :
শামীম হাসান সরকার নামে একজন ভাঁড় আছে।। সে গতকাল একজন অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে ধ*র্ষ*ণের হুমকি দিয়েছে।। সেই সেটের ডিরেক্টর থেকে শুরু করে সবাই নাকি চুপ ছিল!! চিন্তা করেন এদের অবস্হা!!
এদের মানসিকতা!!
গত ২ বছর আগে উত্তরা একটি স্যুটিং হাউজে বুদ্ধিজীবী দিবসে ওর সাথে আমার কাজের সিডিউল হয়।। আমি এডিকে বলি আমাকে ২ টার মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে।। কারণ আমি চারটার মধ্যে গাজীপুর সদরে থাকবো।। জেলা প্রশাসকের অনুষ্ঠানে আমি আমাকে আবৃত্তি করতে হবে।। সেদিন আমার খুব জ্বরও ছিল।। মেকআপ রুমে যাওয়ার পরে,,ওর সাথে এডি আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়।। এই ভাঁড়ের সাথে ঐদিনই আমার প্রথম কাজ ছিল।। পরিচয়ের পরে হাই হ্যালো হলো।। এবং এডি ওকে বলেওছিল আমার খুব জ্বর।। বলেছিল আপুরতো জ্বর তাহলে এসিটা কমিয়ে দিয়ে গেলাম।। মেকআপ রুমে আমি,,ভাঁড় আর মেকআপ আর্টিষ্ট।। আমি বসে বসে স্ক্রিপ্ট পড়ছি।। আর ভাঁড় জোরে জোরে ইংরেজি গান,,হিন্দি গান বাজাচ্ছে।। এবং এসিটাও বাড়িয়ে দিলো।। ওকে যে এডি বলে গেলো আমার জ্বর তাতে ওর কোন মাথাব্যথা নেই।। আমার মেজাজ খারাপ হচ্ছিল।। তবুও সিনিয়র যেহেতু আস্তে করে উঠে গিয়ে বললাম ভাইয়া একটা কথা বলবো!! ও বলে বলেন।। আমি বললাম আমার তো খুব জ্বর এসিটা কমালে খুব ভালো হতো।। আর গানের সাউন্ডও নিতে পারছিনা।। এবং আজও বুদ্ধিজীবী দিবসও,, চলুন বাংলা গান শুনি।। এ কথা বলতেই ও মেকআপ আর্টিস্টের সামনেই আমাকে বলে আপনার জ্বর আমি কি করবো!! আপনি বাইরে যান।। আর আপনি আমাকে ইন্টেলেকচুয়ালিটি শেখাচ্ছেন!! মানে একদম চেঁচিয়ে।। মনে হচ্ছিল সে পারলে গায়ে হাত তুলবে।। একজন নারী সহকর্মীর সাথে তার এমন আচরণ আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।। স্বাভাবিক বিষয় শুরুতে আমি হতভম্ব হয়ে গেছি।। কিন্তু পরে বলেছি মেকআপ রুম আপনার একার নয়।। মেকআপ রুম আমাদের সবার।। এক কথায় দুই কথায় দুজনেই কথা কাটাকাটি করি।। ডিরেক্টর এবং এডি এসে দুজন কে দুই রুমে নিয়ে যায়।। পরে ওকে ঠান্ডা করে।। আমাকেও করে।। পরে ও আমার সাথে কাজ করবে বলে।। কিন্তু আমি বলেছিলাম এক কোটি টাকা দিলেও আমি ওর সাথে কাজ করবো না।। সেট ছেড়ে চলে এসেছিলাম।। কিন্তু আমি তো ডিরেক্টর আর এডির জন্য ওখানে আর কথা বলতে পারলাম না।। সেও পারেনি আর।। আর সবকিছু মিলিয়ে সেটে অনেক কিছু ঘটলেও আমাদের আগে কাজ নামানোর কথা চিন্তা করতে হয়।। কারণ টাকার কাজ।। অনেক ইনভেস্টমেন্টের কাজ।। কমিটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে।। অনেক কিছু সহ্য করে চুপ থাকতে হয়।। আমি চলে আসি।। তারপর জেলা প্রশাসকের অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করি।। বাট আমি একজন আর্টিস্ট,, আমাকে মেকআপ আর্টিস্টের সামনে রুম থেকে বের হয়ে যান বলাটা মাথা থেকে সরাতেই পারছিলাম না।। এবং চূড়ান্ত অপমানই করেছিল একজন নারী সহকর্মী হিসেবে।। পরের দিন ওর জন্মদিন ছিল।। মোবাইল খোলার পরেই দুপুরে প্রথম কলটা আমার যায়।। আমি ওকে বলি গতকাল তো তোকে আর কিছু বলতে পারিনি।। তোকে আমি জু*তা দিয়ে পিটাইতে চাই।। তোর হেডম থাকলে তুই আমার সাথে আবার দেখা কর,
২ মিনিট কথা বলার পরে ও কেটে দেয়।। এটা নিয়ে ডিরেক্টর কে আবার বিচারও দিছিলো।। হা হা হা
ডিরেক্টর ভাইয়া এবং এসেস্টেন্ট ডিরেক্টর দুজনেই খুব ভালো।। তাঁরা আমাকে সরি বলেছিল।। এবং ঘটনার সময়ও আমাকে এবং ওকে দুজনকেই থামিয়েছে।। তাই সংগত কারণেই আমি তাদের নাম বলছিনা।।
ওকে ওর জন্মদিনে জুতা দিয়ে পিটাইতে চেয়ে আমি ওকে সেদিন সেরা উপহারটা দিছিলাম।। এবং সেটেই বলছিলাম আপনি তো একজন ইউটিউবার।। মোবাইলে ওকে ভাঁড় বলেছিলাম।। তারপর আমার শান্তি হয়েছিল।।
এখন এই গাঁজাখোর,,অভদ্র,,এবং ধর্ষক মন মানসিকতার লোককে যেন সকল ডিরেক্টর,,এবং অভিনয় শিল্পী সংঘ বয়কট করে।। এবং কোন নারী কো-আর্টিষ্ট যেন ওর সাথে কাজ না করে।। এটাই আমার প্রত্যাশা থাকবে।। শামীম হাসান সরকার কে বয়কট করুন
শামীম হাসান এক অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে
শামীম হাসান এক অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে
নাম প্রকাশ না করা একজন অভিনেত্রী :শামীম হাসান সরকার নামে একজন ভাঁড় আছে।। সে গতকাল একজন অভিনেত্রীকে প্রকাশ্যে ধ*র্ষ*ণের হুমকি দিয়েছে।। সেই সেটের ডিরেক্টর থেকে শুরু করে সবাই নাকি চুপ ছিল!! চিন্তা করেন এদের অবস্হা!! এদের মানসিকতা!! গত ২ বছর আগে উত্তরা একটি স্যুটিং হাউজে বুদ্ধিজীবী দিবসে ওর সাথে আমার কাজের সিডিউল হয়।। আমি এডিকে বলি আমাকে ২ টার মধ্যে ছেড়ে দিতে হবে।। কারণ আমি চারটার মধ্যে গাজীপুর সদরে থাকবো।। জেলা প্রশাসকের অনুষ্ঠানে আমি আমাকে আবৃত্তি করতে হবে।। সেদিন আমার খুব জ্বরও ছিল।। মেকআপ রুমে যাওয়ার পরে,,ওর সাথে এডি আমাকে পরিচয় করিয়ে দেয়।। এই ভাঁড়ের সাথে ঐদিনই আমার প্রথম কাজ ছিল।। পরিচয়ের পরে হাই হ্যালো হলো।। এবং এডি ওকে বলেওছিল আমার খুব জ্বর।। বলেছিল আপুরতো জ্বর তাহলে এসিটা কমিয়ে দিয়ে গেলাম।। মেকআপ রুমে আমি,,ভাঁড় আর মেকআপ আর্টিষ্ট।। আমি বসে বসে স্ক্রিপ্ট পড়ছি।। আর ভাঁড় জোরে জোরে ইংরেজি গান,,হিন্দি গান বাজাচ্ছে।। এবং এসিটাও বাড়িয়ে দিলো।। ওকে যে এডি বলে গেলো আমার জ্বর তাতে ওর কোন মাথাব্যথা নেই।। আমার মেজাজ খারাপ হচ্ছিল।। তবুও সিনিয়র যেহেতু আস্তে করে উঠে গিয়ে বললাম ভাইয়া একটা কথা বলবো!! ও বলে বলেন।। আমি বললাম আমার তো খুব জ্বর এসিটা
কমালে খুব ভালো হতো।। আর গানের সাউন্ডও নিতে পারছিনা।। এবং আজও বুদ্ধিজীবী দিবসও,, চলুন বাংলা গান শুনি।। এ কথা বলতেই ও মেকআপ আর্টিস্টের সামনেই আমাকে বলে আপনার জ্বর আমি কি করবো!! আপনি বাইরে যান।। আর আপনি আমাকে ইন্টেলেকচুয়ালিটি শেখাচ্ছেন!! মানে একদম চেঁচিয়ে।। মনে হচ্ছিল সে পারলে গায়ে হাত তুলবে।। একজন নারী সহকর্মীর সাথে তার এমন আচরণ আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম।। স্বাভাবিক বিষয় শুরুতে আমি হতভম্ব হয়ে গেছি।। কিন্তু পরে বলেছি মেকআপ রুম আপনার একার নয়।। মেকআপ রুম আমাদের সবার।। এক কথায় দুই কথায় দুজনেই কথা কাটাকাটি করি।। ডিরেক্টর এবং এডি এসে দুজন কে দুই রুমে নিয়ে যায়।। পরে ওকে ঠান্ডা করে।। আমাকেও করে।। পরে ও আমার সাথে কাজ করবে বলে।। কিন্তু আমি বলেছিলাম এক কোটি টাকা দিলেও আমি ওর সাথে কাজ করবো না।। সেট ছেড়ে চলে এসেছিলাম।। কিন্তু আমি তো ডিরেক্টর আর এডির জন্য ওখানে আর কথা বলতে পারলাম না।। সেও পারেনি আর।। আর সবকিছু মিলিয়ে সেটে অনেক কিছু ঘটলেও আমাদের আগে কাজ নামানোর কথা চিন্তা করতে হয়।। কারণ টাকার কাজ।। অনেক ইনভেস্টমেন্টের কাজ।। কমিটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে।। অনেক কিছু সহ্য করে চুপ থাকতে হয়।। আমি চলে আসি।। তারপর জেলা প্রশাসকের
অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করি।। বাট আমি একজন আর্টিস্ট,, আমাকে মেকআপ আর্টিস্টের সামনে রুম থেকে বের হয়ে যান বলাটা মাথা থেকে সরাতেই পারছিলাম না।। এবং চূড়ান্ত অপমানই করেছিল একজন নারী সহকর্মী হিসেবে।। পরের দিন ওর জন্মদিন ছিল।। মোবাইল খোলার পরেই দুপুরে প্রথম কলটা আমার যায়।। আমি ওকে বলি গতকাল তো তোকে আর কিছু বলতে পারিনি।। তোকে আমি জু*তা দিয়ে পিটাইতে চাই।। তোর হেডম থাকলে তুই আমার সাথে আবার দেখা কর, ২ মিনিট কথা বলার পরে ও কেটে দেয়।। এটা নিয়ে ডিরেক্টর কে আবার বিচারও দিছিলো।। হা হা হা ডিরেক্টর ভাইয়া এবং এসেস্টেন্ট ডিরেক্টর দুজনেই খুব ভালো।। তাঁরা আমাকে সরি বলেছিল।। এবং ঘটনার সময়ও আমাকে এবং ওকে দুজনকেই থামিয়েছে।। তাই সংগত কারণেই আমি তাদের নাম বলছিনা।। ওকে ওর জন্মদিনে জুতা দিয়ে পিটাইতে চেয়ে আমি ওকে সেদিন সেরা উপহারটা দিছিলাম।। এবং সেটেই বলছিলাম আপনি তো একজন ইউটিউবার।। মোবাইলে ওকে ভাঁড় বলেছিলাম।। তারপর আমার শান্তি হয়েছিল।। এখন এই গাঁজাখোর,,অভদ্র,,এবং ধর্ষক মন মানসিকতার লোককে যেন সকল ডিরেক্টর,,এবং অভিনয় শিল্পী সংঘ বয়কট করে।। এবং কোন নারী কো-আর্টিষ্ট যেন ওর সাথে কাজ না করে।। এটাই আমার প্রত্যাশা থাকবে।। শামীম হাসান সরকার কে বয়কট করুন
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত