ভারত ও
চীনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। দেশ দুটিতে কর্মরত
সাংবাদিকদের জন্য ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলা সৃষ্টির অভিযোগ থেকে এর সূত্রপাত।
পূর্বাঞ্চলীয়
রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের ১১টি স্থানের নাম পরিবর্তন বা ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজড’
করার বিষয়ে ভারত চীনকে আপত্তি জানানোর কয়েক দিন পর এই মতবিরোধের ঘটনা ঘটল।
চলতি
সপ্তাহে ভারতীয় সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়, বেইজিংয়ে কর্মরত দুই ভারতীয়
সাংবাদিককে ভারত থেকে চীনের রাজধানীতে তাদের কাজে ফিরে যাওয়ার সময় বাধা দেওয়া
হয়েছে।
ভিসা
স্থগিত করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং
বৃহস্পতিবার বলেন, চীনের সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অন্যায্য ও বৈষম্যমূলক
আচরণের স্বীকার হয়ে আসছেন এবং সম্প্রতি সিনহুয়ার এক সাংবাদিককে ৩১ মার্চের মধ্যে
ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে।
মাও
বলেন, চীন সবসময়ই ভারতীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে। তিনি বলেন, চীনা
কর্তৃপক্ষ ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে কিন্তু তারা কোনো সাড়া দেয়নি এবং
তাদের ভুলও সংশোধন করেনি।
এদিকে
নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, ভারত আশা
করছে, চীনা কর্তৃপক্ষ চীনে তাদের অব্যাহত উপস্থিতি ও সংবাদ পাঠানোর সুবিধা দেবে।
২০২০
সালের মাঝামাঝিতে দু’দেশের মধ্যকার বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে
চীনা ও ভারতীয় সৈন্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের সম্পর্কের
অবনতি ঘটে। ওই সংঘর্ষে ২৪ জন নিহত হয়। সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনার পর পরিস্থিতি
অনেকটাই শান্ত হয়, তবে সীমান্তের কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলাকায় সংঘর্ষ অব্যাহত
রয়েছে।
সূত্র : ভয়েজ অব আমেরিকা।
সাংবাদিকদের ভিসা নিয়ে ভারত-চীন মতবিরোধ
সাংবাদিকদের ভিসা নিয়ে ভারত-চীন মতবিরোধ
ভারত ও চীনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। দেশ দুটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য ভিসা সংক্রান্ত ঝামেলা সৃষ্টির অভিযোগ থেকে এর সূত্রপাত।পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের ১১টি স্থানের নাম পরিবর্তন বা ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজড’ করার বিষয়ে ভারত চীনকে আপত্তি জানানোর কয়েক দিন পর এই মতবিরোধের ঘটনা ঘটল।চলতি সপ্তাহে ভারতীয় সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়, বেইজিংয়ে কর্মরত দুই ভারতীয় সাংবাদিককে ভারত থেকে চীনের রাজধানীতে তাদের কাজে ফিরে যাওয়ার সময় বাধা দেওয়া হয়েছে।ভিসা স্থগিত করার
বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বৃহস্পতিবার বলেন, চীনের সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অন্যায্য ও বৈষম্যমূলক আচরণের স্বীকার হয়ে আসছেন এবং সম্প্রতি সিনহুয়ার এক সাংবাদিককে ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত ছাড়তে বলা হয়েছে।মাও বলেন, চীন সবসময়ই ভারতীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে। তিনি বলেন, চীনা কর্তৃপক্ষ ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে কিন্তু তারা কোনো সাড়া দেয়নি এবং তাদের ভুলও সংশোধন করেনি।এদিকে নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম
বাগচী বলেন, ভারত আশা করছে, চীনা কর্তৃপক্ষ চীনে তাদের অব্যাহত উপস্থিতি ও সংবাদ পাঠানোর সুবিধা দেবে। ২০২০ সালের মাঝামাঝিতে দু’দেশের মধ্যকার বিতর্কিত হিমালয় সীমান্তে চীনা ও ভারতীয় সৈন্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে পারমাণবিক শক্তিধর দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ওই সংঘর্ষে ২৪ জন নিহত হয়। সামরিক ও কূটনৈতিক আলোচনার পর পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত হয়, তবে সীমান্তের কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলাকায় সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। সূত্র : ভয়েজ অব আমেরিকা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত