নিত্যপণ্যের বাজারে শীতের আগাম সবজি আশা শুরু হয়েছে। তবে কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে সরবরাহ সেভাবে না বাড়ায় দাম কমেনি। ফলে আগের মতো বেশি দাম দিয়েই সবজি কিনতে হচ্ছে ভোক্তাকে। এর পাশাপাশি সরকারের অনুমোদনের অপেক্ষা না করেই সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বেড়েছে ডিম ও পেঁয়াজের দাম। তবে চাল, ডাল, চিনি ও আটার মতো নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। ইলিশ মাছ না থাকায় দেশি মাছের ওপর চাপ বেড়েছে। ফলে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের চাষের মাছ। এছাড়া মুরগি, গরু ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, ফার্মগেট কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট এবং ঢাকার নিউ মার্কেট কাঁচা বাজার থেকে নিত্যপণ্যের দরদামের এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সরকারি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, বাজারে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে গেছে। সম্প্রতি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন ক্ষোভের সঙ্গে বলেছিলেন, সরকার এখনো
সরকারি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যমতে, বাজারে সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে গেছে। সম্প্রতি বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দীন ক্ষোভের সঙ্গে বলেছিলেন, সরকার এখনো
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায়নি। দেশবাসী তথা ভোক্তা সমাজকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি জানিয়েছিলেন, এটা নৈতিকতা বিরোধী। সরকারি সংস্থাগুলোর পর্যালোচনা আসার পরই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর ব্যাপারে ঘোষণা আসতে পারে। কিন্তু শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন ও পামওয়েলসহ অন্য ভোজ্যতেল। টিসিবির মতে, সয়াবিন খোলা প্রতিলিটার দাম বেড়ে ১৭২-১৮০, সয়াবিন পাঁচ লিটারের বোতল ৯০০-৯৩০, সয়াবিন তেল বোতল দুই লিটার ৩৭৫-৩৮৫, সয়াবিন তেল এক লিটারের বোতল ১৮৮-১৯৫, পামওয়েল খোলা প্রতিলিটার ১৫৩-১৬২ ও সুপার পামওয়েল প্রতিলিটার ১৫৫-১৬৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে। এছাড়া দাম বেড়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৭৫-৮৫ এবং প্রতিডজন ফার্মের ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
এদিকে, খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে শীতের আগাম সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের মতো সবজি আসা শুরু হয়েছে, তবে দাম বেশি। করলা, কাঁকরোল, বরবটি, ঢেঁড়শ, লতি এই সবজিগুলোর দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আর পটোল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, লাউয়ের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা। তবে সবজির মান খুব ভালো অর্থাৎ টাটকা হলে অনেক বিক্রেতা আরও বেশি দাম রাখেন। দুই সপ্তাহ আগে বৃষ্টির কারণে হঠাৎ কাঁচা মরিচের দাম অনেকটা বেড়েছিল। তখন খুচরা দোকানে এক কেজি মরিচের দাম ৪০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। এখন সেই দাম কমেছে। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি মরিচ ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাড়া-মহল্লায় এ দাম আরও কিছুটা বেশি। সবজির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেগুন ও টমেটোর। এর মধ্যে ১০০ টাকার নিচে কোনো বেগুন কেনা যায় না। আকার ও ধরনভেদে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে শীতের আগাম সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের মতো সবজি আসা শুরু হয়েছে, তবে দাম বেশি। করলা, কাঁকরোল, বরবটি, ঢেঁড়শ, লতি এই সবজিগুলোর দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আর পটোল, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, লাউয়ের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা। তবে সবজির মান খুব ভালো অর্থাৎ টাটকা হলে অনেক বিক্রেতা আরও বেশি দাম রাখেন। দুই সপ্তাহ আগে বৃষ্টির কারণে হঠাৎ কাঁচা মরিচের দাম অনেকটা বেড়েছিল। তখন খুচরা দোকানে এক কেজি মরিচের দাম ৪০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। এখন সেই দাম কমেছে। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি মরিচ ১৮০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাড়া-মহল্লায় এ দাম আরও কিছুটা বেশি। সবজির মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেগুন ও টমেটোর। এর মধ্যে ১০০ টাকার নিচে কোনো বেগুন কেনা যায় না। আকার ও ধরনভেদে প্রতি কেজি বেগুন ১০০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, গতকাল ঢাকার বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন (১২টি) বাদামি ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এই দাম সপ্তাহখানেক আগে ১০ টাকা কম ছিল, অর্থাৎ ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অবশ্য ফার্মের মুরগির সাদা ডিমের দাম ডজনে ৫ টাকা কম রয়েছে। তবে বাজারে মুরগি আগের দরেই রয়েছে। এছাড়া বাজারে এক কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা ও সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। বাজারে মাছের দাম আগের কয়েক সপ্তাহের মতোই চড়া রয়েছে। চালের দামেও কোনো পরিবর্তন নেই। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের মধ্যে ডায়মন্ড, মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮০ টাকা, রশিদ ৭২ টাকা ও মোজাম্মেল মিনিকেট ৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।