শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও স্বস্তি মিলেনি দামে। সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় বেগুন, পটলসহ অন্যান্য সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। পেঁয়াজের ঝাঁজ যেমন কমছে না তেমনি মরিচের ঝালও বাড়ছে। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। নিয়মিত বাজার মনিটরিং সহ নিত্যপণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধির দাবি করেছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছে, চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের সরবরাহ কম, সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম কমে আসবে।
সরেজমিনে বগুড়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, শীতকালীন সবজির মৌসুম শুরু হয়েছে প্রায় ১ মাস যাবত, আগাম শীতকালীন সবজিও বাজারে উঠেছে, তবে দাম উঠানামা করছে প্রায় দিনই। ছুটির দিনে চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ কম থাকায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। গেল সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। পটল ও বেগুনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ দুটির পণ্যের দাম আরো বেশি। বগুড়ার বাজারে প্রতিকেজি বেগুন প্রকারভেদে ৬০ থেকে ১৪০ টাকা, পটল ৬০, ফুলকপি ৫০ থেকে ৭০, মুলা ৩০ থেকে ৪০, করলা ৮০, সিম ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, পেপে ৩০, ঝিঙে ৫০, বৈকচু ৪০, মিষ্টি লাউ ৪০, পেঁয়াজ ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০, আলু ২০ থেকে ২২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা বাজারে কেনাকাটা করতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন। শীতকালীন মৌসুমে দাম বেড়ে যাওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ক্রেতাদের মাঝে। তারা বাজার তদারকির দাবি করেছেন।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাজাবাজারে আসা বিমল চন্দ্র বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই, দিনে ৫শ টাকা রোজগার করে বাজারে এলে হতাশ হতে হয়, সবজির বাজারে সবকিছুর দামে উর্ধ্বগতি, এভাবে দাম বাড়লে আমাদের কষ্ট বাড়বে। একই কথা জানালেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত গোলাম কবির, তিনি বলেন, ছুটির দিনে বাজারে এলে মাথা ঘুরে যায়, সব জিনিসের দাম বেড়ে যায়।
রাজাবাজার ব্যবসায়ী ও আড়ৎদার সমিতি বগুড়ার উপদেষ্টা পরিমল প্রসাদ রাজ বলেন, শীতকালীন মৌসুম শুরু হলেও বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়েনি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে বলে জানান এই ব্যবসায়ী।
শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও স্বস্তি নেই দামে
শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও স্বস্তি নেই দামে
শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও স্বস্তি মিলেনি দামে। সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় বেগুন, পটলসহ অন্যান্য সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। পেঁয়াজের ঝাঁজ যেমন কমছে না তেমনি মরিচের ঝালও বাড়ছে। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। নিয়মিত বাজার মনিটরিং সহ নিত্যপণ্যের সরবরাহ বৃদ্ধির দাবি করেছেন ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছে, চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের সরবরাহ কম, সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম কমে আসবে।সরেজমিনে বগুড়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, শীতকালীন সবজির মৌসুম শুরু হয়েছে প্রায় ১ মাস যাবত, আগাম শীতকালীন সবজিও বাজারে উঠেছে, তবে দাম উঠানামা করছে প্রায় দিনই। ছুটির দিনে চাহিদা বেড়ে গেলেও সরবরাহ কম
থাকায় নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। গেল সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। পটল ও বেগুনের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ দুটির পণ্যের দাম আরো বেশি। বগুড়ার বাজারে প্রতিকেজি বেগুন প্রকারভেদে ৬০ থেকে ১৪০ টাকা, পটল ৬০, ফুলকপি ৫০ থেকে ৭০, মুলা ৩০ থেকে ৪০, করলা ৮০, সিম ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, পেপে ৩০, ঝিঙে ৫০, বৈকচু ৪০, মিষ্টি লাউ ৪০, পেঁয়াজ ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৪০, আলু ২০ থেকে ২২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা বাজারে কেনাকাটা করতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন। শীতকালীন মৌসুমে দাম বেড়ে যাওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
ক্রেতাদের মাঝে। তারা বাজার তদারকির দাবি করেছেন।শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাজাবাজারে আসা বিমল চন্দ্র বলেন, আমরা দিন আনি দিন খাই, দিনে ৫শ টাকা রোজগার করে বাজারে এলে হতাশ হতে হয়, সবজির বাজারে সবকিছুর দামে উর্ধ্বগতি, এভাবে দাম বাড়লে আমাদের কষ্ট বাড়বে। একই কথা জানালেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত গোলাম কবির, তিনি বলেন, ছুটির দিনে বাজারে এলে মাথা ঘুরে যায়, সব জিনিসের দাম বেড়ে যায়।রাজাবাজার ব্যবসায়ী ও আড়ৎদার সমিতি বগুড়ার উপদেষ্টা পরিমল প্রসাদ রাজ বলেন, শীতকালীন মৌসুম শুরু হলেও বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়েনি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম। তবে সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে বলে জানান এই ব্যবসায়ী।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত