কালোজিরা শুধু মসলা জাতীয় ফসল নয়, মৃত্যু ছাড়া সব রোগের মহৌষধ’ - গ্রামে এমন কথার প্রচলন রয়েছে। এই মহৌষধ কালোজিরা এখন মাদারীপুরের শিবচরে কৃষকদের মুখে হাসি এনে দিয়েছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় মসলা জাতীয় এই ফসল উৎপাদনে অত্যন্ত আগ্রহী কৃষকেরা। কালোজিরা তাদের কাছে এখন ‘কালো সোনা’ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।
কম খরচে বেশি মুনাফা লাভের সুযোগ রয়েছে এই কালোজিরা চাষে। ফলে কালোজিরা চাষে অপার সম্ভাবনা দেখছেন সাধারণ কৃষক ও চাষীরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, এ অঞ্চলের আবহাওয়া কালোজিরা চাষের খুবই উপযোগী।
উপজেলার বিভিন্ন মাঠে চাষ করা কালোজিরার গাছ অনেকটা ধনিয়া গাছের মত দেখতে। সাদা ফুলে ভরে গেছে মাঠ। মৌমাছিরা মৃদু গুঞ্জরণে মুখরিত করে তুলছে ফসলের ক্ষেত। গুনগুন শব্দে মধু আহরণে ব্যস্ত ওরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ২৫৯০ হেক্টর জমিতে কালোজিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।
উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড ইউনিয়নের কৃষক রাজ্জাক মিয়া বলেন, ‘আমার জমিতে কালোজিরা আবাদ করতে মোট খরচ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। যদি কোনো সমস্যা না হয় আর বাজারমূল্য ঠিক থাকে, তাহলে লক্ষাধিক টাকার বেশি বিক্রি করতে পারবো।
একই এলাকার আরেক কৃষক রোকন ফকির বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ এবং মাঠকর্মীদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় এ বছর দুই বিঘা জমিতে কালোজিরা চাষ করেছি।’
কাদিরপুর ইউনিয়নের মো: মজিদ হাওলাদা জানান, ‘বাড়ির পাশে ১০ শতাংশ জমিতে কালোজিরা ফসলের চাষ করেছি। গাছগুলো বেশ ভালো হয়েছে। আশা করছি ফলনও ভালো হবে। এই জমিতে যে পরিমাণ কালোজিরা পাবো, তাতে আমার পরিবারের চাহিদা মিটবে। কালোজিরা তরকারিতে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে তরকারি বেশ মজাদায়ক হয়।’
শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপম রায় বলেন, ‘এ উপজেলার মাটি কালোজিরা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকরা ঝুঁকছেন কালোজিরার আবাদে। বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণে কৃষকদের মসলা জাতীয় ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে।
শিবচরে কালোজিরা চাষে আগ্রহ বাড়ছে
শিবচরে কালোজিরা চাষে আগ্রহ বাড়ছে
কালোজিরা শুধু মসলা জাতীয় ফসল নয়, মৃত্যু ছাড়া সব রোগের মহৌষধ’ - গ্রামে এমন কথার প্রচলন রয়েছে। এই মহৌষধ কালোজিরা এখন মাদারীপুরের শিবচরে কৃষকদের মুখে হাসি এনে দিয়েছে। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় মসলা জাতীয় এই ফসল উৎপাদনে অত্যন্ত আগ্রহী কৃষকেরা। কালোজিরা তাদের কাছে এখন ‘কালো সোনা’ হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে।কম খরচে বেশি মুনাফা লাভের সুযোগ রয়েছে এই কালোজিরা চাষে। ফলে কালোজিরা চাষে অপার সম্ভাবনা দেখছেন সাধারণ কৃষক ও চাষীরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, এ অঞ্চলের আবহাওয়া কালোজিরা চাষের খুবই উপযোগী।উপজেলার বিভিন্ন মাঠে চাষ করা কালোজিরার গাছ অনেকটা ধনিয়া গাছের মত দেখতে। সাদা ফুলে ভরে গেছে
মাঠ। মৌমাছিরা মৃদু গুঞ্জরণে মুখরিত করে তুলছে ফসলের ক্ষেত। গুনগুন শব্দে মধু আহরণে ব্যস্ত ওরা।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ২৫৯০ হেক্টর জমিতে কালোজিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।উপজেলার দ্বিতীয়খণ্ড ইউনিয়নের কৃষক রাজ্জাক মিয়া বলেন, ‘আমার জমিতে কালোজিরা আবাদ করতে মোট খরচ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। যদি কোনো সমস্যা না হয় আর বাজারমূল্য ঠিক থাকে, তাহলে লক্ষাধিক টাকার বেশি বিক্রি করতে পারবো।একই এলাকার আরেক কৃষক রোকন ফকির বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ এবং মাঠকর্মীদের পরামর্শ ও সহযোগিতায়
এ বছর দুই বিঘা জমিতে কালোজিরা চাষ করেছি।’কাদিরপুর ইউনিয়নের মো: মজিদ হাওলাদা জানান, ‘বাড়ির পাশে ১০ শতাংশ জমিতে কালোজিরা ফসলের চাষ করেছি। গাছগুলো বেশ ভালো হয়েছে। আশা করছি ফলনও ভালো হবে। এই জমিতে যে পরিমাণ কালোজিরা পাবো, তাতে আমার পরিবারের চাহিদা মিটবে। কালোজিরা তরকারিতে মসলা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে তরকারি বেশ মজাদায়ক হয়।’শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অনুপম রায় বলেন, ‘এ উপজেলার মাটি কালোজিরা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় কৃষকরা ঝুঁকছেন কালোজিরার আবাদে। বিভিন্ন সময় প্রশিক্ষণে কৃষকদের মসলা জাতীয় ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত