বাংলাদেশে শিশু সুরক্ষা গুরুত্বপূর্ণভাবে উদ্বেগের বিষয়। বর্তমানে দেশের ১২ লাখ শিশু শ্রমের ঝুঁকিতে রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্যমেতে, বর্তমানে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে শিশুশ্রমের হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ, ২০১৯ সালে যা ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস)-২০২৫ এর প্রাথমিক ফলাফল প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সহযোগিতা করেছে জাতিসংঘের বিশেষ শাখা ইউনিসেফ।
জরিপে অপুষ্টি বৃদ্ধি ও খাদ্যে বৈচিত্র্যের ধীর গতি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের কম ওজনের হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছে। মায়েদের অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতার হার ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ। আর কিশোরী জন্মহার (প্রতি ১,০০০ মেয়ের মধ্যে) ৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯২ শতাংশ হয়েছে। এ ফলাফলগুলো মাতৃ ও শিশু পুষ্টি, সঠিক স্তন্যপান ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।
রোববার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (এমআইসিএস)-২০২৫ এর প্রাথমিক ফলাফল প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সহযোগিতা করেছে জাতিসংঘের বিশেষ শাখা ইউনিসেফ।
জরিপে অপুষ্টি বৃদ্ধি ও খাদ্যে বৈচিত্র্যের ধীর গতি স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের কম ওজনের হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছেছে। মায়েদের অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতার হার ৫২ দশমিক ৮ শতাংশ। আর কিশোরী জন্মহার (প্রতি ১,০০০ মেয়ের মধ্যে) ৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯২ শতাংশ হয়েছে। এ ফলাফলগুলো মাতৃ ও শিশু পুষ্টি, সঠিক স্তন্যপান ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরে।
জরিপে বলা হয়েছে শিশু ও নারীদের রক্তে সীসার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এটি প্রথমবারের মত সনাক্ত হয়েছে। সীসা দূষণ শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে হুমকি সৃষ্টি করে।
শিক্ষার জরিপে বিবিএস দেখিয়েছে প্রাথমিক স্তরে উপস্থিতি ৮৪ শতাংশ ও নিম্ন মাধ্যমিকে প্রায় ৬০ শতাংশ হলেও উচ্চ মাধ্যমিকে তা প্রায় ৫০ শতাংশেই আটকে আছে। ৭-১৪ বছর বয়সী শিশুদের মাত্র অর্ধেক মৌলিক পাঠ দক্ষতা ও ৪০ শতাংশেরও কম মৌলিক গণিত দক্ষতা অর্জন করতে পারে। নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের শেখার ফলাফল আরো দুর্বল।
বিবিএস এমআইসিএস-২০২৫ সার্ভে প্রায় ৬৩ হাজার পরিবারের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে। এটি শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সুরক্ষা ও বিকাশে বিদ্যমান অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেছে। এটি জাতীয় অগ্রাধিকার ও বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ১৭২টি মানদণ্ড ও ২৭টি এসডিজি সূচককে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
জরিপের ফলাফল থেকে দেশের সব বিভাগ, জেলা ও তিনটি সিটি কর্পোরেশন এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছে। যা নীতিনির্ধারকদের বৈষম্যের ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে সহায়তা করবে।