বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ ক্রমেই তার শক্তি বাড়াচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে স্মরণকালের অন্যতম বন্যার মুখে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে দেশটিতে। সেইসঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বর্ষণ ও তীব্র ঝড়ের আভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরও।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়টির সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরও।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও শ্রীলঙ্কা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ শক্তি সঞ্চয় করে আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোচ্ছে।
সবশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ১০.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮০.৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
তবে, বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এদিকে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারবেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এক বার্তায় জানিয়েছে, এ বছর বাংলাদেশে আর কোনো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে, পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে সামনের মাসে কিছুটা বৃষ্টি হলেও হতে পারে।
শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ?
শক্তি বাড়াচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’, ঝুঁকিতে বাংলাদেশ?
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ ক্রমেই তার শক্তি বাড়াচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে স্মরণকালের অন্যতম বন্যার মুখে পড়েছে শ্রীলঙ্কা। বন্যা ও ভূমিধসে শতাধিক প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে দেশটিতে। সেইসঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় প্রবল বর্ষণ ও তীব্র ঝড়ের আভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরও।এদিকে ঘূর্ণিঝড়টির সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া
অধিদপ্তরও।শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও শ্রীলঙ্কা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ শক্তি সঞ্চয় করে আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এগোচ্ছে।সবশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি ১০.৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮০.৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে
আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।তবে, বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।এদিকে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষক সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারবেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এক বার্তায় জানিয়েছে, এ বছর বাংলাদেশে আর কোনো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে, পশ্চিমা লঘুচাপের কারণে সামনের মাসে কিছুটা বৃষ্টি হলেও হতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত