ঢাকার ধামরাই উপজেলার পৌরসভার কান্দিকুল মহল্লার ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ছয়দিন আটক রেখে ধর্ষণ করেছে মো. খলিলুর রহমান বিল্পব (৪৩) নামে এক কোচিং শিক্ষক। পরে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। সে ঐ স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাতে আইনগন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামির তথ্যমতে অপহরণকৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে শনিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে শরিফবাগ এলাকায় এমন ঘটনাটি ঘটে। স্কুলছাত্রী ধামরাই উপজেলার সদর ইউনিয়নের আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
খলিলুর রহমান বিল্পবের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার মামারিশপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে। সে বর্তমানে ধামরাই পৌরসভার কান্দিকুল এলাকায় জায়গা কিনে বাড়ি করেছেন। সেখানে বিল্পব কোচিং সেন্টার খুলে বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করান।
ভুক্তভোগী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ০২/০৭/২২ শনিবার সকালে বাড়ি থেকে শরীফবাগ আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথে শরীফবাগ এলাকায় পৌঁছালে জব্বারের বাড়ির সামনে রাস্তায় থেকে বিল্পব ও তার সংঙ্গীরা একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে যায়। পরে বিকাল হয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও আমার মেয়ে বাড়ি আসে না। তখন আমার সকল আত্মীয়ের বাড়িতে খবর নিয়ে জানি সেখানে যায়নি। এর পর ধামরাই থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরে গতকাল রাতে আসামি বিল্পবকে আটক করে। আসামির দেওয়া তথ্যমতে আমার মেয়েকে পুলিশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে মেয়ের বাবা তারা মিয়া বলেন, আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়েছিলো বিল্পব। পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করেছে। আমি আমার মেয়ের অপহরণকারী বিল্পবের কঠোর শাস্তি দাবি করছি। তবে বিল্পবের পরিবার আমাকে সমঝোতার কথা বলেছিল। আমি কোন সমঝোতা মানি না। আমি আইনের মাধ্যমে বিল্পবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শিমুল মোল্লা বলেন, আফাজউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী অপহরণের একটি অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে আইনগন এলাকা থেকে মো. বিল্পব হোসেনকে আটক করা হয়েছে এবং তারই তথ্যমতে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে বিল্পবের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা করে। পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আজ সকালে তাকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্কুলছাত্রী অপহরণের পর ধর্ষণ, কোচিং শিক্ষক আটক
স্কুলছাত্রী অপহরণের পর ধর্ষণ, কোচিং শিক্ষক আটক
ঢাকার ধামরাই উপজেলার পৌরসভার কান্দিকুল মহল্লার ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ছয়দিন আটক রেখে ধর্ষণ করেছে মো. খলিলুর রহমান বিল্পব (৪৩) নামে এক কোচিং শিক্ষক। পরে ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। সে ঐ স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাতে আইনগন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামির তথ্যমতে অপহরণকৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে শনিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে শরিফবাগ এলাকায় এমন ঘটনাটি ঘটে। স্কুলছাত্রী ধামরাই উপজেলার সদর ইউনিয়নের আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।খলিলুর রহমান বিল্পবের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার
মামারিশপুর গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে। সে বর্তমানে ধামরাই পৌরসভার কান্দিকুল এলাকায় জায়গা কিনে বাড়ি করেছেন। সেখানে বিল্পব কোচিং সেন্টার খুলে বিভিন্ন শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের কোচিং করান।ভুক্তভোগী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ০২/০৭/২২ শনিবার সকালে বাড়ি থেকে শরীফবাগ আফাজ উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথে শরীফবাগ এলাকায় পৌঁছালে জব্বারের বাড়ির সামনে রাস্তায় থেকে বিল্পব ও তার সংঙ্গীরা একটি মাইক্রোবাসে উঠিয়ে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে যায়। পরে বিকাল হয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও আমার মেয়ে বাড়ি আসে না। তখন আমার সকল আত্মীয়ের বাড়িতে খবর নিয়ে জানি সেখানে যায়নি। এর পর ধামরাই থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করি। পরে গতকাল রাতে আসামি বিল্পবকে আটক করে। আসামির দেওয়া তথ্যমতে আমার মেয়েকে পুলিশ উদ্ধার করে।এ বিষয়ে মেয়ের বাবা
তারা মিয়া বলেন, আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে নিয়েছিলো বিল্পব। পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করেছে। আমি আমার মেয়ের অপহরণকারী বিল্পবের কঠোর শাস্তি দাবি করছি। তবে বিল্পবের পরিবার আমাকে সমঝোতার কথা বলেছিল। আমি কোন সমঝোতা মানি না। আমি আইনের মাধ্যমে বিল্পবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শিমুল মোল্লা বলেন, আফাজউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী অপহরণের একটি অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করে অভিযান চালিয়ে আইনগন এলাকা থেকে মো. বিল্পব হোসেনকে আটক করা হয়েছে এবং তারই তথ্যমতে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে বিল্পবের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা করে। পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আজ সকালে তাকে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত