খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রীতি সভা। শারদীয় দুর্গাপূজা ও কঠিন চীবর দান উৎসবকে সামনে রেখে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, সম্প্রীতি শুধু একটি শব্দ নয়, এটি একটি চর্চা—যা আমাদের সমাজকে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। উপদেষ্টা সকল ধর্ম, জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোয়ালিটি এডুকেশন, লাইভলীহুড ডেভেলপমেন্ট ও পরিবেশ উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য। সরকারি বাজেট বরাদ্দের শতভাগ কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে আমি আপোষহীন। এবারের বাজেটের ৪০% অর্থ আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে তিনি জানান।
কৃষি উন্নয়নে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, হলুদ ও আদা গ্র্যান্ডিং মেশিনের ড্রাইসহ প্যাকেটজাতকরণ এবং কাঁঠালকে চিপস বা পাউডারে রূপান্তর করে শুকনো খাবার প্যাকেজিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি সকল সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় দেশের মূলধারার সঙ্গে একীভূত হয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
সভায় পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সহাবস্থান ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সকলে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, ৪০ বিজিবির জোন কমান্ডার লে. কর্নেল শাহিনুল ইসলাম, মাটিরাঙা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল ইব্রাহিম আধহাম, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম সুমন, মাটিরাঙা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নাল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানা।
সম্প্রীতির বন্ধনে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই
সম্প্রীতির বন্ধনে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রীতি সভা। শারদীয় দুর্গাপূজা ও কঠিন চীবর দান উৎসবকে সামনে রেখে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, সম্প্রীতি শুধু একটি শব্দ নয়, এটি একটি চর্চা—যা আমাদের সমাজকে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। উপদেষ্টা সকল ধর্ম, জাতি ও সম্প্রদায়ের মানুষকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোয়ালিটি এডুকেশন,
লাইভলীহুড ডেভেলপমেন্ট ও পরিবেশ উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য। সরকারি বাজেট বরাদ্দের শতভাগ কাজ সঠিক সময়ে সম্পন্ন করার বিষয়ে আমি আপোষহীন। এবারের বাজেটের ৪০% অর্থ আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে তিনি জানান।কৃষি উন্নয়নে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, হলুদ ও আদা গ্র্যান্ডিং মেশিনের ড্রাইসহ প্যাকেটজাতকরণ এবং কাঁঠালকে চিপস বা পাউডারে রূপান্তর করে শুকনো খাবার প্যাকেজিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি সকল সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় দেশের মূলধারার সঙ্গে একীভূত হয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।সভায় পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সহাবস্থান
ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সকলে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব) খন্দকার মুশফিকুর রহমান, ৪০ বিজিবির জোন কমান্ডার লে. কর্নেল শাহিনুল ইসলাম, মাটিরাঙা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল ইব্রাহিম আধহাম, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম সুমন, মাটিরাঙা প্রেস ক্লাবের সভাপতি জসীম উদ্দিন জয়নাল, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত