রাজি না থাকলে সন্ধ্যা ৭টার পর কর্মক্ষেত্রে নারী কর্মীদের রাখা যাবে না। নতুন এই নিয়ম চালু করা হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। চাকরিজীবী নারীদের জন্য এ পদক্ষেপ নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার।
শনিবার (২৮ মে) রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নারীরা লিখিত অনুমতি না দিলে সন্ধ্যা ৭টার পর এবং সকাল ৬টার আগে তাদের কর্মক্ষেত্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না।
উত্তরপ্রদেশ সরকারের শ্রম এবং কর্মসংস্থান দপ্তরের যুগ্ম সচিব সুরেশ চন্দ্র জানান, নারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে তাদের দিয়ে কোনও কাজ করানো যাবে না। তা বাড়ি থেকেই হোক কিংবা অফিসে এসে। আর নারীরা যদি রাতে অফিসে এসে কাজ করতে ইচ্ছুক হন, তাহলে তাদের জন্য যাতায়াত এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে নিয়োগকারী সংস্থাকে।
যোগী সরকারের তরফে নারী কল্যাণমূলক প্রকল্পে ৭৫.৫০ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে, এ কথা আগেই জানানো হয়েছিল। নতুন ঘোষণায় রাজ্য প্রশাসন জানাল, নারীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে একেবারে জেলাস্তরে ‘সাইবার সহায়তা’বিভাগ চালু করার কথাও ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি, কর্মক্ষেত্রে তাদের 'কাজের সময়ও' মেপে দেওয়া হলো। উত্তরপ্রদেশ সরকারের বক্তব্য, এই নিয়মের ব্যতিক্রম হলে তা শ্রম আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
মূলত কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ ব্যাপক হারে বেড়েছে ভারতজুড়ে। এ থেকে কর্মজীবীদের রক্ষায় যোগী সরকার রাজ্যে নতুন আইন চালু করলো। সরকারের নির্দেশ, কাজের জায়গায় চারজনের বেশি নারী কর্মী থাকলে তবেই তাদের অফিসে ডাকা যাবে।
সূত্র: আনন্দবাজার
সন্ধ্যা ৭টার পর কর্মক্ষেত্রে নারী নয়
সন্ধ্যা ৭টার পর কর্মক্ষেত্রে নারী নয়
রাজি না থাকলে সন্ধ্যা ৭টার পর কর্মক্ষেত্রে নারী কর্মীদের রাখা যাবে না। নতুন এই নিয়ম চালু করা হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। চাকরিজীবী নারীদের জন্য এ পদক্ষেপ নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার।শনিবার (২৮ মে) রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নারীরা লিখিত অনুমতি না দিলে সন্ধ্যা ৭টার পর এবং সকাল ৬টার আগে তাদের কর্মক্ষেত্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না।উত্তরপ্রদেশ সরকারের শ্রম এবং কর্মসংস্থান দপ্তরের যুগ্ম সচিব সুরেশ চন্দ্র
জানান, নারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে তাদের দিয়ে কোনও কাজ করানো যাবে না। তা বাড়ি থেকেই হোক কিংবা অফিসে এসে। আর নারীরা যদি রাতে অফিসে এসে কাজ করতে ইচ্ছুক হন, তাহলে তাদের জন্য যাতায়াত এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে নিয়োগকারী সংস্থাকে।যোগী সরকারের তরফে নারী কল্যাণমূলক প্রকল্পে ৭৫.৫০ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে, এ কথা আগেই জানানো হয়েছিল। নতুন ঘোষণায় রাজ্য প্রশাসন জানাল, নারীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে
একেবারে জেলাস্তরে ‘সাইবার সহায়তা’বিভাগ চালু করার কথাও ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি, কর্মক্ষেত্রে তাদের 'কাজের সময়ও' মেপে দেওয়া হলো। উত্তরপ্রদেশ সরকারের বক্তব্য, এই নিয়মের ব্যতিক্রম হলে তা শ্রম আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।মূলত কর্মক্ষেত্রে নারীদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণ ব্যাপক হারে বেড়েছে ভারতজুড়ে। এ থেকে কর্মজীবীদের রক্ষায় যোগী সরকার রাজ্যে নতুন আইন চালু করলো। সরকারের নির্দেশ, কাজের জায়গায় চারজনের বেশি নারী কর্মী থাকলে তবেই তাদের অফিসে ডাকা যাবে। সূত্র: আনন্দবাজার
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত