সৌদি আরবে ভয়াবহ সড়ক
দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। আহত ১৭ বাংলাদেশির অবস্থাও
গুরুতর। সোমবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে এ
দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা
গেছে, ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি একটি সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে আগুন ধরে
যায়। বাসটিতে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৫ জন। ভয়াবহ
এই দুর্ঘটনায় ১৪ বাংলাদেশিসহ এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা ওমরাহ পালন
করতে মক্কা যাচ্ছিলেন।
নিহত
বাংলাদেশির হলেন নোয়াখালীর সেনবাগের মো. শরিয়ত উল্লাহর ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লার
মুরাদনগরের আব্দুল আওয়ালের ছেলে মামুন মিয়া, নোয়াখালীর
মোহাম্মদ হেলাল, লক্ষ্মীপুরের সবুজ হোসাইন, কুমিল্লার মুরাদনগরের রাসেল মোল্লা, কক্সবাজারের
মহেশখালীর মো. আসিফ, গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল লতিফের ছেলে
মো. ইমাম হোসাইন রনি, চাঁদপুরের কালু মিয়ার ছেলে রুক মিয়া,
কক্সবাজারের মহেশখালীর সিফাত উল্লাহ, কুমিল্লার
দেবীদ্বারের গিয়াস হামিদ, যশোরের কাওসার মিয়ার ছেলে
মোহাম্মদ নাজমুল, যশোরের ইস্কান্দারের ছেলে রনি, কক্সবাজারের মোহাম্মদ হোসেন ও চাঁদপুরের তুষার মজুমদার।
আহত
বাংলাদেশিরা হলেন সালাহউদ্দিন, আল আমিন, মিনহাজ, জুয়েল, আফ্রিদি মোল্লা, মো.
রিয়াজ, আব্দুল হাই, রানা, মো. সেলিম, দেলোয়ার হোসাইন, হোসাইন
আলী, কুদ্দুস, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন,
ইয়ার হোসাইন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন।
জেদ্দায়
বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাসটিতে ৪৭ জন
যাত্রী ছিলেন, যাঁরা ওমরাহ করতে মক্কা যাচ্ছিলেন। আর
যাত্রীদের অধিকাংশই ছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক।
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ বাংলাদেশি
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ বাংলাদেশি
সৌদি আরবে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। আহত ১৭ বাংলাদেশির অবস্থাও গুরুতর। সোমবার (২৭ মার্চ) সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি একটি সেতুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে আগুন ধরে যায়। বাসটিতে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৫ জন। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ১৪ বাংলাদেশিসহ এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা ওমরাহ
পালন করতে মক্কা যাচ্ছিলেন।নিহত বাংলাদেশির হলেন নোয়াখালীর সেনবাগের মো. শরিয়ত উল্লাহর ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লার মুরাদনগরের আব্দুল আওয়ালের ছেলে মামুন মিয়া, নোয়াখালীর মোহাম্মদ হেলাল, লক্ষ্মীপুরের সবুজ হোসাইন, কুমিল্লার মুরাদনগরের রাসেল মোল্লা, কক্সবাজারের মহেশখালীর মো. আসিফ, গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল লতিফের ছেলে মো. ইমাম হোসাইন রনি, চাঁদপুরের কালু মিয়ার ছেলে রুক মিয়া, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিফাত উল্লাহ, কুমিল্লার দেবীদ্বারের গিয়াস হামিদ, যশোরের কাওসার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল, যশোরের ইস্কান্দারের
ছেলে রনি, কক্সবাজারের মোহাম্মদ হোসেন ও চাঁদপুরের তুষার মজুমদার।আহত বাংলাদেশিরা হলেন সালাহউদ্দিন, আল আমিন, মিনহাজ, জুয়েল, আফ্রিদি মোল্লা, মো. রিয়াজ, আব্দুল হাই, রানা, মো. সেলিম, দেলোয়ার হোসাইন, হোসাইন আলী, কুদ্দুস, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, ইয়ার হোসাইন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাসটিতে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন, যাঁরা ওমরাহ করতে মক্কা যাচ্ছিলেন। আর যাত্রীদের অধিকাংশই ছিলেন বাংলাদেশের নাগরিক।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত