সদরুল আইন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
চলতি বছর গাজীপুরের শ্রীপুরে আখের ফলন বাম্পার হয়েছে। চাষিদের ব্যস্ততা চলছে সেই আখ মাড়াই নিয়ে। যা দিয়ে তৈরি হবে আখের গুড়।
তবে গুড় বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন স্থানীয় আখ চাষিরা।
স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে কম-বেশি আখ চাষ হলেও বরমী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয়েছে। দিনের শুরুতে আখ চাষিরা লেগে পড়েন ক্ষেত থেকে আখ কাটা, মাড়াই আর গুড় তৈরির কাজে। মাড়াই ও গুড় তৈরিতে তাদের এ কাজ চলে গভীর রাত পর্যন্ত।
দেখা গেছে, উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরামা গ্রামে একদিকে চলছে আখ কাটা, মাড়াই ও গুড় তৈরির কাজ। যন্ত্রের মাধ্যমে আখ মাড়াই করে বের করা হচ্ছে রস। এরপর রস ছাঁকন পদ্ধতি শেষে দেওয়া হচ্ছে বড় চুলায় রাখা পাত্রে। টিনের তৈরি এ পাত্রে রাখা রস আগুনে জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে গুড়।
উপজেলার বরামা গ্রামের আখ চাষি সারফুল ইসলাম জানান, এবছর সাড়ে তিন বিঘা জমিতে তিনি আখ চাষ করেছেন। কিছু আখ বিক্রি করেছেন মাড়াই করা ছাড়া। বাকি দুই বিঘা জমির আখ মাড়াই শুরু করেছেন। এরপর রস দিয়ে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করেন। তাতে ভালো লাভ হচ্ছে বলে জানান তিনি।
একই গ্রামের আখ চাষি আবুল কালাম বলেন, এক সময় এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণে আখ চাষ করা হতো। অনেক বছর ধরে আখ চাষ বন্ধ ছিল। ইদানীং এই অঞ্চলে আবার চাষ শুরু হয়েছে। চলতি বছরে চার বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। এ ছাড়া অনেকেই আখ চাষ করেছেন। এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন বলেও জানান আখ চাষি কালাম।
উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বদনীভাঙা গ্রামের আখ চাষি মো. শাহজাহান বলেন, আগের দিনে আখ মাড়াই কাজে ব্যবহৃত হতো গরু-মহিষ। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে সহজে আখ মাড়াইয়ের কাজ করা হয়। আখ চাষ লাভজনক হওয়ায় অনেকেই আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
বরমী ইউপি চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ইউনিয়নের বরামা পোষাইদ গ্রামে প্রচুর পরিমাণে আখ চাষ হয়েছে। ইউনিয়নের গুড়ের চাহিদা পূরণ করে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এ গুড় সরবরাহ করা হচ্ছে। এই অঞ্চলের আখে প্রচুর পরিমাণে রস হয়। স্বাদে আর মানেও সেরা।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন বলেন, এ বছর শ্রীপুরে গত বছরের চেয়ে বেশি জমিতে বিভিন্ন জাতের আখ চাষ হয়েছে। লাভবান হওয়ায় অনেক চাষি আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তিনি বলেন, আখ চাষ করতে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে চাষিদের নানা ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
শ্রীপুরে আখের বাম্পার ফলন
শ্রীপুরে আখের বাম্পার ফলন
সদরুল আইন,গাজীপুর জেলা প্রতিনিধিঃচলতি বছর গাজীপুরের শ্রীপুরে আখের ফলন বাম্পার হয়েছে। চাষিদের ব্যস্ততা চলছে সেই আখ মাড়াই নিয়ে। যা দিয়ে তৈরি হবে আখের গুড়। তবে গুড় বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন স্থানীয় আখ চাষিরা।স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে কম-বেশি আখ চাষ হলেও বরমী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি আখ চাষ হয়েছে। দিনের শুরুতে আখ চাষিরা লেগে পড়েন ক্ষেত থেকে আখ কাটা, মাড়াই আর গুড় তৈরির কাজে। মাড়াই ও গুড় তৈরিতে তাদের এ কাজ চলে গভীর রাত পর্যন্ত।দেখা গেছে, উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরামা গ্রামে একদিকে চলছে আখ কাটা, মাড়াই ও গুড় তৈরির কাজ। যন্ত্রের মাধ্যমে আখ মাড়াই করে বের করা হচ্ছে রস। এরপর রস ছাঁকন পদ্ধতি শেষে দেওয়া হচ্ছে বড় চুলায় রাখা পাত্রে। টিনের তৈরি এ
পাত্রে রাখা রস আগুনে জ্বাল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে গুড়।উপজেলার বরামা গ্রামের আখ চাষি সারফুল ইসলাম জানান, এবছর সাড়ে তিন বিঘা জমিতে তিনি আখ চাষ করেছেন। কিছু আখ বিক্রি করেছেন মাড়াই করা ছাড়া। বাকি দুই বিঘা জমির আখ মাড়াই শুরু করেছেন। এরপর রস দিয়ে গুড় তৈরি করে বাজারে বিক্রি করেন। তাতে ভালো লাভ হচ্ছে বলে জানান তিনি।একই গ্রামের আখ চাষি আবুল কালাম বলেন, এক সময় এই এলাকায় প্রচুর পরিমাণে আখ চাষ করা হতো। অনেক বছর ধরে আখ চাষ বন্ধ ছিল। ইদানীং এই অঞ্চলে আবার চাষ শুরু হয়েছে। চলতি বছরে চার বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। এ ছাড়া অনেকেই আখ চাষ করেছেন। এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন বলেও জানান আখ চাষি কালাম।উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বদনীভাঙা গ্রামের আখ চাষি মো. শাহজাহান
বলেন, আগের দিনে আখ মাড়াই কাজে ব্যবহৃত হতো গরু-মহিষ। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে সহজে আখ মাড়াইয়ের কাজ করা হয়। আখ চাষ লাভজনক হওয়ায় অনেকেই আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।বরমী ইউপি চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ইউনিয়নের বরামা পোষাইদ গ্রামে প্রচুর পরিমাণে আখ চাষ হয়েছে। ইউনিয়নের গুড়ের চাহিদা পূরণ করে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে এ গুড় সরবরাহ করা হচ্ছে। এই অঞ্চলের আখে প্রচুর পরিমাণে রস হয়। স্বাদে আর মানেও সেরা।উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন বলেন, এ বছর শ্রীপুরে গত বছরের চেয়ে বেশি জমিতে বিভিন্ন জাতের আখ চাষ হয়েছে। লাভবান হওয়ায় অনেক চাষি আখ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। তিনি বলেন, আখ চাষ করতে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে চাষিদের নানা ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত