সদরুল আইনঃ
একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মত আ.লীগের মনোনয়ন পান গাজীপুর জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ।
তিনি মনোনয়ন পাওয়ার সাথে সাথে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে চলমান চাঁদাবাজি,ভূমিদস্যূতা ও মাদকের বিকিকিনির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন এবং সেই নীতি থেকে তিনি একচুলও অদ্যাবধী সরে আসেননি।
সবশেষ তিনি ৮ মার্চ শ্রীপুর উপজেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণে কেন্দ্রিয় নেতাদের উপস্থিতিতে এ ব্যাপারে তার অবস্থান প্রমান করেন।যা কেন্দ্রিয় নেতাদের কাছে ভূয়ষী প্রশংসা কুড়ায়।
কিন্তু সম্মেলণ পরিবর্তি ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি'র নিষ্কূলষ চরিত্রে কালিমা লেপতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে।অতিসম্প্রতি শ্রীপুর পৌরসভা এখানকার বিভিন্ন বাস ট্রাক রিকসা ভ্যান স্ট্যান্ড ইজারা দিয়ে চাঁদা তুলছে।
এই ঘটনাকে একটি মহল রাজনৈতিক বিদ্বেষপ্রসূত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ'র ঘাড়ে দোষ চাপাতে অপতৎপতায় লিপ্ত হয়ে পড়েছে।
পৌরসভা একটি স্বাযত্বশাসিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান,যাদেকে নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।দেশের পৌরসভাসমুহ এমপি নিয়ন্ত্রিত নয়।পৌরসভার কর্মকান্ডের সাথে এমপি'র কোন সম্পৃক্ততা নেই বা এমপি দ্বারা পৌরসভা নিয়ন্ত্রিতও নয়।
এসব পরিবহন সেক্টর থেকে লিজের মাধ্যমে চাঁদা তোলা যদি আইনের ব্যত্যয় হয় তবে তার দায় পৌরসভার, এমপি'র নয়।কারন এমপি পৌরসভাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
তবুও এমপি সবুজ বিরোধীচক্র রাজনৈতিক হীন উদ্দেশে পৌরসভার কর্মকান্ডের জন্য এমপি সবুজকে দোষারোপ করে তাকে ঘায়েল করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।জনতার চোখে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।
সাধারন মানুষ এসব চাঁদাবাজিতে বীতশ্রদ্ধ সত্য,তবে তার দায় পৌরসভার, কোন এমপি'র নয়।যদি পৌরসভা তার নির্দিষ্ট সীমানায় আইন মেনে লীজের মাধ্যমে চাঁদা তুলে থাকে সেটা অপরাধ নয়।
আর যদি আইনের ব্যত্যয় ঘটে থাকে তা তদন্ত সাপেক্ষে বন্ধ হওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন শ্রীপুরের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী।
শ্রীপুরে চাঁদা তুলছে পৌরসভা,দোষ এমপি'র ঘাড়ে
শ্রীপুরে চাঁদা তুলছে পৌরসভা,দোষ এমপি'র ঘাড়ে
সদরুল আইনঃ একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মত আ.লীগের মনোনয়ন পান গাজীপুর জেলা আ.লীগের সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ।তিনি মনোনয়ন পাওয়ার সাথে সাথে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে চলমান চাঁদাবাজি,ভূমিদস্যূতা ও মাদকের বিকিকিনির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন এবং সেই নীতি থেকে তিনি একচুলও অদ্যাবধী সরে আসেননি।সবশেষ তিনি ৮ মার্চ শ্রীপুর উপজেলা আ.লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলণে কেন্দ্রিয় নেতাদের উপস্থিতিতে এ ব্যাপারে তার অবস্থান প্রমান করেন।যা কেন্দ্রিয় নেতাদের কাছে ভূয়ষী প্রশংসা কুড়ায়।কিন্তু সম্মেলণ পরিবর্তি ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি'র
নিষ্কূলষ চরিত্রে কালিমা লেপতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে।অতিসম্প্রতি শ্রীপুর পৌরসভা এখানকার বিভিন্ন বাস ট্রাক রিকসা ভ্যান স্ট্যান্ড ইজারা দিয়ে চাঁদা তুলছে।এই ঘটনাকে একটি মহল রাজনৈতিক বিদ্বেষপ্রসূত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিদিন গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ'র ঘাড়ে দোষ চাপাতে অপতৎপতায় লিপ্ত হয়ে পড়েছে।পৌরসভা একটি স্বাযত্বশাসিত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান,যাদেকে নিয়ন্ত্রণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।দেশের পৌরসভাসমুহ এমপি নিয়ন্ত্রিত নয়।পৌরসভার কর্মকান্ডের সাথে এমপি'র কোন সম্পৃক্ততা নেই বা এমপি দ্বারা পৌরসভা নিয়ন্ত্রিতও নয়।এসব পরিবহন সেক্টর থেকে লিজের মাধ্যমে চাঁদা তোলা যদি আইনের ব্যত্যয় হয় তবে
তার দায় পৌরসভার, এমপি'র নয়।কারন এমপি পৌরসভাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।তবুও এমপি সবুজ বিরোধীচক্র রাজনৈতিক হীন উদ্দেশে পৌরসভার কর্মকান্ডের জন্য এমপি সবুজকে দোষারোপ করে তাকে ঘায়েল করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।জনতার চোখে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।সাধারন মানুষ এসব চাঁদাবাজিতে বীতশ্রদ্ধ সত্য,তবে তার দায় পৌরসভার, কোন এমপি'র নয়।যদি পৌরসভা তার নির্দিষ্ট সীমানায় আইন মেনে লীজের মাধ্যমে চাঁদা তুলে থাকে সেটা অপরাধ নয়।আর যদি আইনের ব্যত্যয় ঘটে থাকে তা তদন্ত সাপেক্ষে বন্ধ হওয়া উচিৎ বলে মনে করছেন শ্রীপুরের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত