সদরুল আইন : ১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপ হয়েছিল গাজীপুরের শ্রীপুর অঞ্চলে।সে সময় মানুষ তেমন সচেতন ছিল না।অনেকেই বুঝতেন না ভূমি জরিপ কি।
কালের বিবর্তনে এই জনপদের মানুষের জীবনে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি জীবন মানে এসেছে পরিবর্তন।আধুনিকতার সকল উপকরণ ও উপাদানে মানুষ আজ অধিক সচেতন।
ঢাকার সন্নিকটে বন্যা প্লাবণমুক্ত উর্বর এ জনপদে গত ৫৩ বছরে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার মিল ইন্ডাস্ট্রি।ছোট বড় কলকারখানায় ভরপুর এ জনপদে জীবন যাত্রায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।বেড়েছে জমির দাম।গাজীপুরের এক টুকরো জমি এখন সোনার হরিণের মত।
১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপের পর দেখা গেছে ব্যাপক গরমিল।সাধারন মানুষের বহু জমির মূল দলিল,পত্তন দাখিলা পর্চা খাজনা খারিজ ঠিক থাকলেও আরএস হয়েছে বনবিভাগের নামে।
আবার কোন দাগে বনবিভাগের ২/৪ বিঘা জমি রেকর্ডে থাকলেও শত শত বিঘা জমির উপর গেজেট নামক খড়্গ ঝুলে ছিল যুগ যুগ ধরে।এর ফলে মানুষ জমি বিকিকিনি করতে পারত না।বিক্রি করলেও ন্যায্য দাম থেকে ছিল বঞ্চিত।অধিক উৎকোচ দিয়ে অন্য দাগ খতিয়ান দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করত এবং দখলে থাকত অন্য দাগের জমি।এ নিয়ে ছিল চরম বিড়ম্বনা ও দূর্বিসহ ভোগান্তি।
সবচেয়ে বড় সমস্যাটি ছিল বন বিভাগের লাগামহীন অত্যাচার।হাজার হাজার মানুষের নামে বন বিভাগ মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম হয়রানি করে আসছিলো যুগ যুগ ধরে।এমনকি সাধারন মানুষের সদ্য তৈরি ঘরবাড়ি তারা আদালতের নির্দেশ ছাড়াই ভেঙ্গে দিত জোর করে।
কখনো জনগনের হাতে তারা নাজেহাল ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতেন আবার জনগন হতেন তাদের ভূয়া মামলার শিকার।বিশেষ করে গেজেট থাকায় মানুষের দূর্ভোগ ছিল চরমে।
এমনি এক প্রেক্ষাপটে হাজার হাজার মানুষের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে খাস জমি চিহ্নিত করে সরকারি সম্পত্তি আলাদা করে জনগনের সম্পত্তি প্রকৃত মালিকদের হাতে ফেরত প্রদান এবং গেজেট প্রত্যাহার।এ নিয়ে এতদাঞ্চলের মানুষ বহু সামাজিক আন্দোলন করলেও ভূমি জরিপের উদ্যোগ নেননি অতীতের কোন এমপি।
একাদশ সংসদ নির্বাচন পূর্ববর্তি, মনোনয়ন প্রাপ্তির পর ৬৬৭ টি উঠান বৈঠকের প্রতিটি বৈঠকেই গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ'র কাছে জনগনের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি চিহ্নিত করে বাকি সম্পত্তি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে গেজেট প্রত্যাহার করা।
দীর্ঘ কয়েক যুগের অপেক্ষার পর সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ'র ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি জরিপ টিম শ্রীপুরে কাজ শুরু করেছেন।
আজ দুপুরে এই জরিপ টিমের দায়িত্বে নিয়োজিত ঈশা খানের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের।তিনি জানান,৬ টি টিম ইতিমধ্যেই পৌর এলাকার শ্রীপুর মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ শুরু করেছেন।
পৌর এলাকার জরিপ সম্প্ন হলে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নগুলোতে জরিপ চালাবেন উক্ত টিম।
তিনি বলেন,রাজনৈতিক তদবির ও প্রভাবমুক্ত হয়ে তারা এখন পর্যন্ত ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।জনগনের ব্যাপক সাড়া ও সহযোগিতা পাচ্ছেন তারা।
সমগ্র উপজেলায় জরিপ সম্প্ন হতে ৬ থেকে ১০ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।
শ্রীপুরে ভূমি জরিপ শুরু
শ্রীপুরে ভূমি জরিপ শুরু
সদরুল আইন : ১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপ হয়েছিল গাজীপুরের শ্রীপুর অঞ্চলে।সে সময় মানুষ তেমন সচেতন ছিল না।অনেকেই বুঝতেন না ভূমি জরিপ কি।কালের বিবর্তনে এই জনপদের মানুষের জীবনে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।শিক্ষা প্রসারের পাশাপাশি জীবন মানে এসেছে পরিবর্তন।আধুনিকতার সকল উপকরণ ও উপাদানে মানুষ আজ অধিক সচেতন।ঢাকার সন্নিকটে বন্যা প্লাবণমুক্ত উর্বর এ জনপদে গত ৫৩ বছরে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার মিল ইন্ডাস্ট্রি।ছোট বড় কলকারখানায় ভরপুর এ জনপদে জীবন যাত্রায় এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।বেড়েছে জমির দাম।গাজীপুরের এক টুকরো জমি এখন সোনার হরিণের মত।১৯৬৭ সালে ভূমি জরিপের পর দেখা গেছে ব্যাপক গরমিল।সাধারন মানুষের বহু জমির মূল দলিল,পত্তন দাখিলা পর্চা খাজনা খারিজ ঠিক থাকলেও আরএস হয়েছে বনবিভাগের নামে।আবার কোন দাগে বনবিভাগের ২/৪ বিঘা জমি রেকর্ডে থাকলেও শত শত বিঘা জমির উপর গেজেট নামক খড়্গ ঝুলে ছিল যুগ যুগ ধরে।এর ফলে মানুষ জমি বিকিকিনি করতে পারত না।বিক্রি করলেও ন্যায্য
দাম থেকে ছিল বঞ্চিত।অধিক উৎকোচ দিয়ে অন্য দাগ খতিয়ান দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করত এবং দখলে থাকত অন্য দাগের জমি।এ নিয়ে ছিল চরম বিড়ম্বনা ও দূর্বিসহ ভোগান্তি।সবচেয়ে বড় সমস্যাটি ছিল বন বিভাগের লাগামহীন অত্যাচার।হাজার হাজার মানুষের নামে বন বিভাগ মিথ্যা মামলা দিয়ে চরম হয়রানি করে আসছিলো যুগ যুগ ধরে।এমনকি সাধারন মানুষের সদ্য তৈরি ঘরবাড়ি তারা আদালতের নির্দেশ ছাড়াই ভেঙ্গে দিত জোর করে।কখনো জনগনের হাতে তারা নাজেহাল ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতেন আবার জনগন হতেন তাদের ভূয়া মামলার শিকার।বিশেষ করে গেজেট থাকায় মানুষের দূর্ভোগ ছিল চরমে।এমনি এক প্রেক্ষাপটে হাজার হাজার মানুষের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে খাস জমি চিহ্নিত করে সরকারি সম্পত্তি আলাদা করে জনগনের সম্পত্তি প্রকৃত মালিকদের হাতে ফেরত প্রদান এবং গেজেট প্রত্যাহার।এ নিয়ে এতদাঞ্চলের মানুষ বহু সামাজিক আন্দোলন করলেও ভূমি জরিপের উদ্যোগ নেননি অতীতের কোন এমপি।একাদশ সংসদ নির্বাচন পূর্ববর্তি, মনোনয়ন প্রাপ্তির
পর ৬৬৭ টি উঠান বৈঠকের প্রতিটি বৈঠকেই গাজীপুর-৩ আসনের এমপি ইকবাল হোসেন সবুজ'র কাছে জনগনের দাবি ছিল ভূমি জরিপের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি চিহ্নিত করে বাকি সম্পত্তি প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করে গেজেট প্রত্যাহার করা।দীর্ঘ কয়েক যুগের অপেক্ষার পর সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ'র ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি জরিপ টিম শ্রীপুরে কাজ শুরু করেছেন।আজ দুপুরে এই জরিপ টিমের দায়িত্বে নিয়োজিত ঈশা খানের সাথে কথা হয় এ প্রতিবেদকের।তিনি জানান,৬ টি টিম ইতিমধ্যেই পৌর এলাকার শ্রীপুর মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ শুরু করেছেন।পৌর এলাকার জরিপ সম্প্ন হলে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নগুলোতে জরিপ চালাবেন উক্ত টিম।তিনি বলেন,রাজনৈতিক তদবির ও প্রভাবমুক্ত হয়ে তারা এখন পর্যন্ত ডিজিটাল ভূমি জরিপের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।জনগনের ব্যাপক সাড়া ও সহযোগিতা পাচ্ছেন তারা।সমগ্র উপজেলায় জরিপ সম্প্ন হতে ৬ থেকে ১০ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত